তীব্র শীতে ঘর গরম রাখার হিটার

প্রকৃতিতে শীতের আমেজ, তীব্র শীতে ঘর গরম রাখার সেরা রুম হিটার ও তার সাথে এর ধরন কাজের পদ্ধতি তুলনা, নিরাপত্তা টিপস ও কম বিদ্যুৎ খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
Room Heater


পেজসূচি পত্র:আমরা এই ব্লগ পোস্ট থেকে তীব্র শীতের সময় ঠান্ডা থেকে বাঁচতে সেরা হিটার নিয়ে জানবো-
হিটার কি: রুম হিটার হল শীতকালে যেকোনো ছোট ঘর বা ছোট জায়গায় গরম রাখার জন্য ব্যবহার করা হয় এবং একটি বৈদ্যুতিক বা জ্বালানি চালিত যন্ত্র। বর্তমান সময়ে শীতকালে এটি আমাদের দেশে বেশ অনেক জায়গায় ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে বাসা বাড়ি বা অফিসে। এটির সাথে সাথে গরম বাতাস বা তাপ উৎপন্ন করে আপনার ঘরে তাপমাত্রাকে বাড়াবে। তাই আমরা বলতে পারি এটি এমন একটি যন্ত্র যা তীব্র শীতে আপনাকে আরামদায়ক একটি পরিবেশ দিবে। বলতে গেলে এই যন্ত্র তাৎক্ষণিক ঘর গরম করতে পারে। আমাদের দেশে অধিকাংশ হিটারের ভেতরে গরম ধাতুর পাত বা সিরামিকোর ব্যবহার করা হয়। ঘরের তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য গরম হওয়া বের করে এটি। তাই এগুলো সাধারণত পোর্টেবল বা সহজে বনযোগ্য হয় এবং এতে গরম ধাতুর পাত বা ফ্যান থাকে। হিটার পোর্টেবল বা সহজে বনযোগ্য হয় ফলে আপনি যেকোনো জায়গায় সহজে নিয়ে যেতে পারবেন।

হিটার কিভাবে কাজ করে: হিটার যদিও গরম বাতাস উৎপন্ন করে এবং আপনার ঘরের তাপমাত্রাকে আপনার জন্য আরামদায় করে দেয় তবু আমাদের একটা বিষয় জানা দরকার যে আসলে হেটার কিভাবে কাজ করে। আসুন আমরা তা জানার চেষ্টা করি-

তাপ উৎপাদন: হিটার চালু করলে এর ভেতরে থাকা ধাতুর পাত যা সেরামিক নামে পরিচিত সেটা দ্রুত গরম হয়ে আপনাকে আরামদায় পরিবেশ দিতে সক্ষম।
রেডিয়েশন হিটার: আবার রেডিয়েশন বা রোশ্মি জাতীয় কিছু হিটার আসে যেমন হ্যালোজেন বা কটা। জ এ বিষয়ে বলা যায় যে এই ধরনের হিটার সাধারণত ইনফ্লায়েড রশনি বা রেডিয়েট তাপ সরাসরি সামনের দিকে প্রবাহিত করতে পারে যার সামনের দিকে থাকা যে কোন বস্তুকে সরাসরি গরম করে।

বাংলাদেশে হিটারের প্রচলন: বাংলাদেশে হিটারের বিশেষ করে রুম হিটারের ব্যবহার তুলনামূলকভাবে নতুন হলেও গত শতকের জনপ্রিয়তা বেশ দ্বিগুণ দামে বৃদ্ধি পেয়েছে।। দেশের আবহাওয়া জনিত কারণ বিশেষ করে উষ্ণ হওয়া হিটারের তেমন কোন প্রয়োজন এর আগে দেশবাসী উপলব্ধি করেনি। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা কমেছে বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চলে রংপুর রাজশাহী অঞ্চল এ সমস্ত এলাকায় শীতকালে তীব্র শীত অনুভূত হয়। যা অসহনীয় পর্যায়ে নিয়ে যায়। তাছাড়া অতীতের তুলনায় দেশের মানুষের জীবনযাত্রার আয় এবং মান দুটোই বেড়েছে যার ফলে বর্তমানে মানুষ আরামদায়ক জীবন যাপনের অভ্যস্ত হওয়ার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে এটা বলার উপায় এবং অপেক্ষা রাখে না যে আমাদের দেশের মানুষ বর্তমানে এপার্টমেন্টের বসবাসর কারণে ঘর গরম রাখার প্রয়োজন বেশি অনুভব করছেন। আবার শারীরিকভাবে ঠান্ডা জনিত বিভিন্ন রোগ থেকে বাঁচতেও হিটারের ব্যবহার করছেন।
হিটারের ধরন: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন ধরনের হিটার ব্যবহার করা হয় যেমন ইলেকট্রিক হিটার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কারণ এটা সহজ দামের সস্তা এগুলো বলা হয়ে থাকে। কারণ এই হিটার দ্বারা দ্রুত ঘরকে গরম করা যায় তবে দেশের মানুষ ফিল্ড হিটারের চাহিদা বর্তমানে বৃদ্ধি করেছে। আবার অনেক জায়গায় এর ব্যবহার দেখা যায়।
কোথায় হিটার পাবেন: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ইলেকট্রনিক দোকানগুলোতে হিটার পাওয়া সম্ভাবনা আছে। এই ধরনের দোকান বলতে সুপার শো প বা অনলাইন যেকোন মার্কেটপ্লেস কে বোঝানো হয় যেখান থেকে ইলেকট্রনিক পণ্য কেনাবেচা করা যায় আমাদের দেশের জীবনযাত্রার মান অনুযায়ী এখানে ১ হাজার টাকা থেকে ১০০০০ টাকা পর্যন্ত এটার দাম নির্ধারণ করা হয়। অনেকে বলে থাকেন বাংলাদেশে হিটারের ব্যবহার এবং দর্শক কখন। সে সমস্ত ভাইদের উদ্দেশ্যে বলে রাখি যে বাংলাদেশের রুম হিটারের প্রচলন শুরু হয় ১৯৮০ এবং ৯০ দশকে তখন বিদেশ থেকে আমদানি করে আনা হতো এবং এর ব্যবহারকারী উচ্চবিত্ত পরিবার এবং বিদেশ ফেরত মানুষজন। মূলত এদের মাধ্যমেই দেশের রুম হিটারের প্রচলনগুলো শুরু হয় ধীরে ধীরে অফিস এবং হোটেলেও দেখা দেওয়া শুরু করে। বর্তমান দেশের চাহিদার উপর ভিত্তি করে বাজারে চায়না এবং অন্যান্য দেশের সস্তা গুলো আসতে শুরু করেছে যার ফলে স্থানীয় ইলেকট্রনিক দোকানে সহজলভ্য হয়ে গেছে এবং যা মধ্যবিত্ত মানুষদের নাগালের মধ্যে এনে দিয়েছে। যা তাদেরকে শীতের দিনগুলোকে স্বস্তি এবং নিরাপত্তা প্রদান করছে।
হিটার ব্যবহারে নিরাপত্তা টিপস: যদিও আমাদের দেশে শীতকাল আসলে হিটারগুলোর চাহিদা বেড়ে যায় তবুও এ বিষয়ে অবহেলা করার প্রয়োজন নেই যে হেটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিরাপত্তা বিষয়ক জিনিস আমাদের মাথায় রাখতে হয় নতুবা তা বিশাল ক্ষতির কারণ হয়ে যেতে পারে আর্থিক এবং শারীরিক উভয় দিক থেকে। তাই আর দেরি না করে বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করি।

1.সমতলের শক্ত জায়গায় রাখা: আমরা যারা সাধারণত শীতকালে হিটার ব্যবহার করে থাকে তাদের একটা বিষয় সবসময় মাথায় রাখতে হয় যে যেহেতু হিটারে হেভি ওয়েট কয়েল ব্যবহার করা হয় কৃত্রিমভাবে তাপ উৎপাদন করার জন্য তাই নিরাপত্তার খাতিরে সব সময় হিটার সমতল জায়গায় রাখা বিশেষ প্রয়োজন। এ বিষয়ে যেতে পারে বা শর্ট সার্কিট কিংবা আগুন লাগানোর মতো ঝুঁকিও তৈরি হয়ে যেতে পারে। তাই হেডারকে সমান জায়গা রাখলে এ থেকে উৎপন্ন হওয়া তাপ সমানভাবে ক্লোরো রুমে ছড়িয়ে পড়তে পারবে। ফলে এতে করে ঘর দ্রুত যেমন গরম হবে তেমনি শক্তিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে।

2.ফাঁকা জায়গায় রাখা: এটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরেকটি নিরাপত্তা আমাদেরকে মাথায় রাখতে হয় যে বিতর্কে যেন আমরা সব সময় ঘরের যে কোন ধরনের গরম জাতীয় বস্তু যেমন-কম্বল কাপড় ঘরের পর্দা, বা যেকোনো ধরনের কাঠের সামগ্রী হিটারের পাশে থাকলে দ্রুত গরম হয়ে যেতে পারে বা আগুন লাগার সম্ভাবনা থাকে তা থেকে দূরে রাখা। আমাদের উচিত যদি আমরা হিটার ঘরের মধ্যে রাখি তাহলে সাবধানতার সাথে তা এই সমস্ত জিনিস থেকে অন্তত চার থেকে পাঁচ ফুট দূরে নিরাপদ ভাবে রাখার চেষ্টা করব।

3.রুমের দরজা জানালা: আপনি যখন হিটের ব্যবহার করবেন সে ক্ষেত্রে জানালা বন্ধ রাখুন এবং রুম হিটার ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এটাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ধরা হয় তা না হলে আপনি আপনার ঘর গরম করতে সহজে পারবেন না। সাধারণত দরজা বা জানালা বন্ধ রাখলে যে কোন ঘর খুব দ্রুত গরম হয় এবং তাপ দীর্ঘ সময় তা ধরে রাখতে পারে।, তবে একটা বিষয় মাথায় রাখা উচিত যে মাঝে মাঝে সামান্য হাওয়া চলাচল করানো প্রয়োজন আসে যাতে করে বাতাস অতিরিক্ত শুকিয়ে না যায়।

4.শিশু ও স্পর্শ প্রাণীর নাগালের বাইরে: আমাদের অনেকের বাড়িতে বিশেষ করে যাদের বাড়িতে শিশু আছে এবং বিড়াল জাতীয় পশ্য প্রাণী আমরা সৌখিনতার খাতিরে নিয়ে থাকি তারা যেন শিশু এবং এই সমস্ত প্রাণী থেকে হিটার দূরে রাখে। অর্থাৎ আমাদেরকে এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে। কারণ হেটার অনেক গরম থাকে তাই যেহেতু অবুঝ শিশু ভুল করে তার পাশে চলে গেলে তার নাজুক দেহ পুড়ে যেতে পারে। বা খেলার সময় প্রচার প্রাণীটির আগুন ধরে যেতে পারে এতে বিরাট ধরনের বিপদ আশঙ্কা থাকে তাই নিরাপত্তার খাতিরে শিশু বা পোষা পানি যেন সহজে হিটারের কাছে যেতে না পারে তা আমাদের দেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়টি কোন মতে অবহেলা করবেন না।

5.দীর্ঘ সময় চালিয়ে রাখবেন না: রুম হিটার ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম আছে যা অবশ্যই মানা উচিত। তাই এটার ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী আপনি বাজার থেকে যে কোয়ালিটির বা যে ব্র্যান্ডের হিটার কিনুন না কেন কিংবা তার দাম যাই হোক না কেন কোন অবস্থাতে হিটার দীর্ঘ সময় একটানা চালানো যাবে না। কারণ দীর্ঘ সময় হিটার ব্যবহার করলে রোম অতিরিক্ত গরম হয় এবং বাতাস শুকিয়ে যায়। এতে আপনার ত্বক শুষ্ক হবে আপনার গলা ব্যথা হতে পারে এমনকি আপনি শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় পড়তে পারেন। তাই রুম যদি যথেষ্ট গরম হয়ে যায় তাহলে বন্ধ রাখুন। তাই এই বিষয়টিকে মাথায় রেখে আজকাল অনেক কোম্পানি তাদের হিটারে অটোমেটিক সেন্সর ব্যবহার করে থাকেন। তবে যদি আপনি প্রয়োজন মনে করেন যে আপনার ঘর যথেষ্ট গরম হয়ে গেছে তবে কিছুক্ষণ পর আবার বন্ধ করে চালু করতে পারেন।

6.মাল্টিপ্লাগ ব্যবহার না করা: আমাদের আজকের সবার বাড়িতে প্রায় মাল্টিপ্লাগ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গেজেট এবং বস্তু চালানোর জন্য। তবে হিটারের বিষয়ে তা সম্পন্ন আলাদা কারণ রুম হিটার উচ্চ ওয়াটের ডিভাইস যার ফলে এতে মাল্টিপ্লাগ ব্যবহার করা কখনোই বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে না। কারণ মাল্টিপ্লাগ ব্যবহার করলে শর্ট সার্কিট কিংবা হিটারের তারে আগুন লাগার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই যখন হিটার আপনি ব্যবহার করবেন আপনার ঘরে বা অফিসে তখন আপনাকে অবশ্যই শক্ত এবং মজবুত সকেট কে প্রাধান্য দিতে হবে।

7.হিটার বন্ধ রাখার সময়: আপনি যখন রুমে থাকবেন তখন অবশ্যই এটা যখন ব্যবহার করবেন সে ক্ষেত্রে রাত্রিবেলা আপনাকে অবশ্যই ঘুমানোর আগে বন্ধ রাখতে হবে। কারণ একজন সাধারণ সুস্থ সবল মানুষের আট ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন। তাই যদি আপনি সারারাত হিটার রুমে ব্যবহার করেন তা অতিরিক্ত গরম হয়ে যায় এবং বাতাস অত্যাধিক পরিমাণে শুষ্ক হয়ে যায় তাহলে তার স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ প্রমাণিত হতে পারে। তাই ঘুমানোর আগে অবশ্যই রুম গরম করে হিটার বন্ধ করায় উত্তম আপনার বাবা আমাদের জন্য। তাই প্রয়োজন যদি পড়ে তাহলে ব্যবহার করবেন।

8.রুম হিটার রক্ষণাবেক্ষণ: রুম হিটার রক্ষণাবেক্ষণ করতে হয় নিয়মিত। কারণ তা তে পরিষ্কার করা প্রয়োজন, ফিল্টার পরীক্ষা করা ক্লাব ঠিক আছে কিনা সেটাকে নিয়মিত চেক করা এবং শীত মৌসুমে ব্যবহার শেষ হয়ে গেলে নিরাপদ জায়গায় রাখা । যা মূলত হিটারের রক্ষণাবেক্ষণ এর মধ্যেই পড়ে।

হিটারের প্রকারভেদ: আজকাল বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের রুম হিটার অফিস বা বসার জন্য পাওয়া যায়। এগুলো দিয়ে মূলত আপনি আপনার ঘর অতি সহজে গরম করতে পারবেন। তবে যেহেতু এটার এর বিভিন্ন প্রকারভেদ থাকে সেক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি যে এর ধর অনুযায়ী যেমন কাজের পার্থক্য আছে তেমনি এই হিটারগুলো বিভিন্ন ভাবে কাজ করে থাকে। তার সাথে এগুলো বিভিন্নভাবে পরিচালিত হয়। এখন আমরা তো কিছুটা হলেও জানার চেষ্টা করি।

✔সিরামিক রুম হিটার: যে ধরনের হিটারে সিরামিক ব্যবহার করা হয় এবং ঘরকে দ্রুত গরম বাতাস প্রদান করে তাকে আমরা সাধারণত সিরামিক রুম হিটার নামে চিনে থাকি। এর দাম অনুযায়ী আপনি সিরামিক্রোমিটার বাজারে পেয়ে যাবেন। এ বিষয়ে একটা কিছু বলি যে সিরামিক হিটারে সিরামিক প্লেট তাপমাত্রা বাড়ালেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ গ্রহণ কমিয়ে দিতে পারে। এর একটি বিশেষ সুবিধা হল যে সিরামিক রুম হিটার ওভার হিট হওয়ার যোগী থেকে একদম নিরাপদ এবং তা আপনার বিদ্যুৎ খরচ অনেকাংশে কমিয়ে দেই। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের রুম গরম করতে যেমন সক্ষম তেমনি অনেক কোম্পানিতে ডিজিটাল ডিসপ্লে, রিমোট কন্ট্রোল, অটো শাটডাউন, এয়ার ফিল্টার, যুক্ত করেছে। তাই এই হিটার কার্যকারিতার দিক থেকে আধুনিক ঘরবাড়িতে বেশি ব্যবহার হচ্ছে।
✔ফ্যান রুম হিটার:ফ্যান রুম হিটার ব্যবহারে NICHROME কয়েল ব্যবহার করা হয়। ফলে তা ভ্রম খুব দ্রুত গরম করে। এতে ব্লিয়ারের মাধ্যমে ঘরঘরে বাতাস দিতে সক্ষম। তাই ছোট এবং মাঝারি আকারের রুম তাড়াতাড়ি গরম করতে পারে এই জাতীয় হিটার। অনেক ব্র্যান্ড আছে যেমন মোড, থার্মাল, ওভারলোড প্রটেকশন, মাল্টি হিট সেটিং ডিজাইন। ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়েছে। তার সাথে এ বিষয়ে আপনার জানা প্রয়োজন যে এ জাতীয় হেতার দামে সস্তা এবং দূরত্ব হেটিং সুবিধা দেবার কারণে তার দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
✔অয়েল ফিল্ড হিটার: বাজারে হিটারের মধ্যে ওয়াইলফিল্ড হিটার বিশেষ পরিচিত। কারণ ভেতরে থাকা এক ধরনের বিশেষ থার্মাল ওয়েল থাকে যা ধীরে ধীরে গরম হয় এতে পুরো মেটাল ফ্যানের তাপ ছড়িয়ে পড়ে। এই হিটার ব্যবহার করার কারণে যেমন তাপ দীর্ঘ সময় থাকে তেমনভাবে গরমও হয়। তাই বর্তমান সময়ে এই হিটারের প্রযুক্তিটাকে সাধারণত নিরাপদ এবং শীর্ষ বৃদ্ধদের জন্য নিরাপদ বলে মনে করা হয়। বাজারে অনেক ব্র্যান্ড আছে যা অটো থার্মোস্ট সাইলেন্ট অপারেশন ওভার হিট শাট ডাউন আর তা বিদ্যুৎ বাঁচায়।

গ্যাস বনাম ইলেকট্রিক হিটার: আমাদের দেশে সাধারণত শীতকালে যেমন পদ্ধতির হেটার ব্যবহার করা হয় ঘর গরম করার জন্য তেমনি ইলেকট্রিক হিটার ও ইলেকট্রিক ওয়াটার হিটার প্রায় ১০০ শতাংশ শক্তি কাজে লাগাতে পারে। কারণ এখানে যে কয়েল ব্যবহার করা হয় তা অত্যন্ত মজবুত আর তারা প্রায় সব ধরনের তাপে পরিণত করতে পারে। আবার অন্য গোত্র এমনও হয় গ্যাস এটার ব্যবহার করা হলেও এর কিছু শক্তির বাইরের দিকে চলে যায় আমাদের দেশে পূর্বে যখন বিদ্যুৎ ছিল না তখন ঘর গরম করার ক্ষেত্রে গ্যাস সেটার কে ব্যবহার করা হতো। তাই ভালো কাজ করলেও শক্তিধর সঙ্গে বাইরে চলে যাওয়ার ফলে তা দেখতে নোংরা প্রকৃতির মনে হয়। তবে সাধারণভাবে ইলেকট্রন বেশি দক্ষ হলেও অনেক জায়গায় প্রাকৃতিক গ্যাস সস্তা হয়। খরচের দিক থেকে লাভজনক হতে পারে। আবার এমনও দেখা গেছে যে ইন্সটলেশন রক্ষণাবেক্ষণ খরচ গ্যাস ও ইলেকট্রিক হিটার কোনটি ভালো হবে তা ঠিক করতে হলে এ বিষয়টিকে বিবেচনের আনতে হয়। কারণ সেটা সাধারণত ভালো বায়ু চলাচলের নিরাপদ গ্যাস সংযোগসহ বেশ জটিল ভাবে ইন্সটল করতে হয় এবং এক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবস্থা নিতে হয়। অন্যদিকে ইলেকট্রিক রুম হিটার ইনস্টল করার সহজ ও খরচের ব্রিজ থেকে বেশ কম কারণ সুদের বিদ্যুৎ সংযোগ থাকলে হয় এবং এই রুমটার কে ঘরের একটি নিরাপদ সমান্তরাল জায়গা রাখলে তার সম্পূর্ণ ঘরে তাপ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়। গ্যাসিটা নিয়মিত চেক করতে হয় এবং কোন ক্ষেত্রে এতে লীগ আছে কিনা বা বায়ো চলাচল ঠিক আছে কিনা। কিন্তু ইলেকট্রিক রুম পরীক্ষা করতে হয় তাই রক্ষণাবেক্ষণ করার অনেক ক্ষেত্রে কম হয়। তাছাড়া ইলেকট্রিক এবং গ্যাস সিটার নির্বাচনের ক্ষেত্রে পরিবেশ বলে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ধরা হয় কারণ পদ্ধতির গিটার কে অর্থাৎ রুম হিটার কে পরিবেশবান্ধব হিসেবে বিবেচনা করা হয় কারণ এতে কোন প্রকারের ধোঁয়া তৈরি হয় না। যদিও গ্যাস রুম হিটার অন্যান্য আনুষাঙ্গিক বিষয়কে মাথায় রেখে তা নির্বাচনে আনতে হয়। বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসে তাহলে এর কার্বন নির্গমন করার সময় নিরাপত্তা এবং নির্ভরযোগ্যতা কে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। তাছাড়া বৈদ্যুতিক রুম হিটার চলন্ত অবস্থায় বিদ্যুৎ চলে গেলে তার প্রভাবে কিছুক্ষণ উষ্ণ থাকে। যা এই হিটারের ক্ষেত্রে একটি কার্যকরী ব্যবস্থা বলে মনে করা হয়। আমাদের দেশে ঘর গরম করার ক্ষেত্রে সাধারণত বিশেষ করে ত্রিশ মিনিটের মধ্যেই গরম হয়ে যায়। এমন হয় যে পরিবারের এবং বাড়ির চাহিদার উপর ভিত্তি করে এটা নির্বাচন করা হয়। তবে একটি বিষয় বলা প্রয়োজন যে আপনি যদি পরিবেশের উপর সঠিক প্রভাব রাখতে চান সে ক্ষেত্রে গ্যাস নয় বরং ইলেকট্রিক রুম হিটারী নির্ভরযোগ্য।

সেরা রুম হিটার নির্বাচন: যদি আপনাকে বলা হয় যে সেরা রুমীটার কোনটা তবে সেই ক্ষেত্রে অনেকের ধারণা না থাকার কারণে ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না তবে আপনাকে কিছু বাস্তবতা নিরিখেই রুম হিটার কে নির্বাচন করতে হবে। তা না হলে পরে আপনি যেকোনো ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন তা আর্থিক উভয় হতে পারে। একবার আপনি ভাবুন যে হাওর কখনো শীতের মধ্যে সকালবেলা। ঘড়ির কাটায় তখন পাঁচটা বেজে ৪৫ মিনিট অ্যালার্ম বেজে উঠল আর আপনি বিছানা থেকে উঠতে চাচ্ছেন না। তখনই আপনার ইচ্ছে হবে কম্বলকে আরেকটু জোরে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকতে। ঠান্ডা মেঝেতে তখন যদি আপনি পা রাখার চিন্তা করেন তাহলে আপনার রাষ্ট্রীয় হয়ে উঠবে। ঠিক সেই মুহূর্তে আপনার প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বাথরুম আপনার কাছে বিরক্তি কর বলে মনে হতে পারে আর কাপড়-চোপড় পর ঠান্ডা আপনার জন্য পিছনে ছাড়তে চায় না। আপনার প্রিয় সোয়েটার বা মোটা কাপড় যা দিয়ে আপনি ঠান্ডা নির্ধারণ করেন তা গায়ে দিলেও যেন মনে হয় সে আসে তা আপনার কাছে যথেষ্ট না। আর ঠিক সে সময় আপনার মাথায় আসলো সত্যিকার অর্থে যদি একটা আমার জন্য অনেকটা আরামদায়ক বলে মনে হতো আর আমাকে এতটা কষ্ট করতে হতো না। তবে একটা বিষয় বলে রাখতে চাই যে হিটার কেনার কথা চিন্তা করা আর বাজারে গিয়ে হিটার কেনা দুইটার মধ্যে বিস্তার পার্থক্য থাকে। যা পরিস্থিতি অনেক সময় আমাদের বুঝতে দেই না। যদি ঘর গরম রাখায় হিটারের কাজ হয়ে থাকে তাহলে বিদ্যুতের খরচ, তার সাথে যে কোন প্রকারের নিরাপত্তা, পরিবারের চাহিদা, গুণগত মান ইত্যাদি বিষয় কিনা সেই ক্ষেত্রে কষ্টকর হয়। আর তখনই হিটার কিনা আমাদের কাছে কষ্টকর বলে মনে হয়।

আজকাল বাজারে নানা ধরনের হিটার বের হয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞ রায় এ ধরনের মন্তব্য করে থাকেন যে চলে না। কারণ এখানে যদি আপনি ভুল হিটার বেছে নিয়ে থাকেন তাহলে বিদ্যুৎ বিল অনেক আসতে পারে আবার কম দামের হিটার অনেক সময় জরুরি নিরাপত্তা সুবিধা নাও দিতে পারে। যে আপনাকে আর্থিক খুঁটির মধ্যে ফেলে। তাই শীতকালে যখন হেটার প্রতি দিনও দীর্ঘ সময় আপনি ব্যবহার করতে চাইবেন তার কয়েক বছরের কথা মাথায় রেখে আপনাকে হিটার কিনতে হবে। এটা কোন অপশনাল বিষয় না বরং আপনার জন্য জরুরী। তাছাড়া রুম হিটার সাধারণত বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে এর বিভিন্ন সুবিধা এবং সীমাবদ্ধতার উপরে। তাই আমাদের উচিত নিজস্য প্রয়োজনকে মূল্যায়ন করা।
আসুন আমরা একটা বিষয় জানার চেষ্টা করি যে রুম হিটার কিনার পর তা কি ধরনের জায়গা রাখা উচিত-

* রুম হিটার বাসায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে মনে রাখতে হয় যে তা সমান্তরাল কিনা
* আবার বাড়ির আসবাবপত্র ও সবার বিছানা থেকে তা দূরে বিশেষ করে কয় ফুট দূরে রাখা দরকার।
* ছোট্ট ও নিচু জায়গায় হিটার রাখার আগে নিজে পরীক্ষা করতে হয়
* আবার ছাদের উচ্চতা ইনস্টলেশন জানার আকার এবং এলাকার আবহাওয়া গুরুত্ব রাখে।

এখানে একটা কথা বলা দরকার বাজার থেকে হিটার ওজনে ভারী বলেই যে তা সেরা হবে তা কিন্তু না। আপনি যদি ছোট ঘরে দুই হাজার ওয়াটের হিটার ব্যবহার করেন তাহলে তা অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ খরচ আপনাকে বহন করতে হবে এবং ঘনঘন আহবান করতে করতে আপনার মধ্যে বিরক্তি ধরে যেতে পারে এক্ষেত্রে কিছু বিষয় জেনে রাখা ভালো-
* হেটার উল্টে গেলে নিজ থেকে বন্ধ হয়ে যাবে
* অতিরিক্ত গরম হলে অটোমেটিক বন্ধ যেন হতে পারে
* গায়ে হাত লাগলে যেন না থাকে
* আঙ্গুল ঢুকে যাওয়ার মত ফাক যেন না হয়
* বাংলাদেশের নিরাপত্তা মান অনুযায়ী যেন তা হয়ে থাকে।

থার্মোস্ট যেন থাকে প্রয়োজন অনুসারে তাপ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে আবার ই কমুদ ব্যবহার করা হয়ে থাকে কারণ এতে ওজন কে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং আরামদায়ক উষ্ণতা যেন তৈরি হতে পারে তার সাথে হেটারে টাইমার ফাংশন যেন অটোমেটিকই চালু থাকে সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হয়। বিশেষ করে ওয়াইল ফিল্ড ও সিরামিক গিটার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশি কার্যকরী হয়ে থাকে। কারণ হিটারের সাথে প্রাকৃতিক ভাবে আমাদের স্বাস্থ্য আরামের বিষয়টিও যুক্তিযুক্তভাবে যুক্ত থাকে। আমাদের সবার বাড়িতে শিশু এবং বয়স্ক মানুষ থাকেন যাদের বয়সের কারণে অনেক নাজুক হয়ে থাকেন ফলে শিশু এবং বয়স্কদের জন্য মৃত স্ত্রীর তাপ দেয়ার হিটারই ভালো তাছাড়া এই ধরনের হিটারের শব্দের মাত্রা কম হয়। আর যদি তার শোভা এবং অফিসের জন্য ব্যবহার করা হয় এক্ষেত্রে শব্দহীন কনভেনশন হিটার বেশ কার্যকরী। কারণ তুলনামূলকভাবে শব্দ ধরা হয় এবং বহন করার ক্ষেত্রে তা সুবিধাজনক হয়ে থাকে।

আমাদের দেশে অনেকেই বর্তমান সময়ে না বুঝে বড় ধরনের হেটা নিয়ে থাকেন। কিন্তু সেই সমস্ত ভাইদের ক্ষেত্রে এটা বলে রাখা প্রয়োজন যে বড় হিটারের তুলনায় প্রয়োজন অনুসারে ছোট হিটের সংরক্ষণ সহজ হলেও তা বড় ঘর গরমে কম কাজে দেয়। কারণ এখানে শুধু কেনার দামি বিষয় হয়ে দাঁড়ায় না অনেক সময় নিরাপত্তার খাতিরে ভালো মানের এটা নিয়ে থাকেন। যদি আপনি একটা সঠিক রুম এটার বেছে নিতে চান সে ক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে আপনার ঘরের আয়তন নিরাপত্তা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এবং বৈদ্যুতিক লাইন সঠিক এবং নিখুঁত মানদণ্ডের আসে কিনা এবং তা হিটারের ভার বহন করতে পারবে কিনা তা আগে নিশ্চিত করতে হয়। কারণ সব ঘরের জন্য কিন্তু এটা ঠিক না। আপনি যাই করেন না কেন আপনাকে নিরাপত্তার মানদন্ড সব সময় নিশ্চিত করতে হবে না হলে আপনি চরম বিপদে পড়তে পারেন। আর তাই যদি আপনি সঠিক এটা নির্বাচন করেন তাহলে আপনার শীতের দিনগুলো কাটবে উষ্ণতায় ও নিশ্চিন্তে।
কম বিদ্যুৎ খরচের হিটার: যদি আমাদের দেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশের সাথে তাল মিলিয়ে চিন্তা করা হয় তাহলে এই সমস্ত দেশের মানুষ এই জাতীয় পণ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে সব থেকে মাথায় প্রথমে যে খেয়ালটি রাখেন তা হয়েছে হিটার ব্যবহারের খরচ। তাই তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলে রাখা প্রয়োজন বলে মনে করছি-
⇒ সারাক্ষণ রুম হিটার ঘরের মধ্যে চালিয়ে রাখবেন না এতে খুব কমই বিদ্যুৎ বিল আসবে। অনেকে আবার শীতের দিনে গিজার দিয়ে পানি গরম করেন এতে বিদ্যুতের খরচ বাড়তে পারে তাই পানি গরম করার জন্য ইমারশন রোড ব্যবহার করতে পারেন
⇒ রুম হিটারের মত আপনি ঘরে পানি গরমের উদ্দেশ্যে ফাইভ স্টার গেজেট ব্যবহার করতে পারবেন এবং বর্তমানে চায়না কোম্পানির অনেক তা নিয়ে আসতে পারেন
⇒ আপনি শীতের দিনে সারাক্ষণ যদি রুম হিটার ব্যবহার করার চেষ্টা করেন সেক্ষেত্রে আপনার স্বাস্থ্য ঝুঁকে আসতে পারে তাই যদি আপনি মনে করেন যে আপনার ঘর পর্যাপ্ত গরম হয়ে গেছে সে ক্ষেত্রে আপনি রুমমেটের বন্ধ রাখতে পারেন আবার কিছুক্ষণ পর তা চালু করতে পারেন।

হিটার ব্যবহারে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী: তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সেটিংগুলোর সঠিকভাবে আপনি হিটার ব্যবহার করার ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখবেন। খুব বেশি গরম না হলে বাইশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা রাখার চেষ্টা করুন। এতে করে আপনি আরামদায়ক এবং বিদ্যুৎ খরচ কম করতে পারবেন ধরুন আপনি শীতকালে গরম চা কাপড়ে ঢেকে রাখলেন কাপড় থাকলে তা অনেকক্ষণ গরম থাকে কিন্তু খোলা রাখলে দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়। তেমনি ইন্সুলেশন হলো এই কাপড়ের মত যা ঘরে তাফকে ধরে রাখে। এদের তাপ বেশি বাইরের না চলে যায় এবং রুমটি দ্রুত গরম হয়ে যায়। বৈদ্যুতিক হিটার বা যে কোন ধরনের তাপ ওটার উৎপাদক ডিভাইস নিয়মিত পরীক্ষা করবেন ময়লার জন্য তাপ উৎপাদন সমস্যা হতে পারে বিদ্যুৎ খরচ বাড়তে পারে। সেই ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন।
শেষ কথা: বৈদ্যুতিক রুম হিটার যা শীতকালে আপনার ঘরের পরিবেশকে যেমন আরামদায়ক করে তেমনি তা যদি সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ বা সঠিক স্থানের রাখা না হয় তাহলে তার সমস্যা তৈরি করতে পারে।
 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Shahiduzzaman Rahman
Shahiduzzaman Rahman
আমি শহিদুজ্জামান, একজন ডিজিটাল মার্কেটর। “শহিদুজ্জামান আইটি একটি তথ্যবহুল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে অনলাইন ইনকাম এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কনটেন্ট শেয়ার করা হয়।