পৃথিবীর অসাধারন বিস্ময়
প্রাচীন ও আধুনিক বিশ্বের সপ্তাশ্চর্য পিরামিডস্টোনেঞ্জ মাউন্ট এভারেস্ট ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার সহ স্থাপত্য ও ইতিহাস সম্পর্কে জানুন সহজভাবে।
পেজ সূচিপত্র:আমরা নিজের ব্লগ পোস্ট থেকে যা জানতে পারবো-
দেব মূর্তি কালোসাস: সভ্যতার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছু পাল্টে গেছে জীবন মানুষের জীবনযাত্রা সংস্কৃতি স্থাপত্য কলা। আবার প্রকৃতির অসাধারণ অবদানের সমৃদ্ধ হয়েছে মানুষের অগ্রযাত্রা। তাই প্রাচীনকাল থেকে নানা বিস্ময় করে জিনিস যুগ যুগ ধরে মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। কোনটা মানুষের বিচিত্র আগ্রহ দেওয়ার চেষ্টা করি আবার কোনটা পুরোপুরি প্রকৃতির দয়া। য় যখন মানুষ এই রহস্যময় বিষয়গুলো কিনতে শুরু করে তখন থেকে মানুষ এই সমস্ত বিষয়গুলোর তালিকা করতে শুরু করে। কিন্তু প্রাচীন পৃথিবীর আশ্চর্যজনক বিষয়গুলোর অনেকেই এখন ধ্বংস হয়ে গেছে। বিশেষ করে প্রাচীন পৃথিবীর যেসব সৎ আশ্চর্য মানুষকে যুগের পর যুগ আচ্ছন্ন করে রেখেছিল এর অনেকগুলো এখন কেবল অতীত। প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য হলেও গির্জার বিখ্যাত পিরামিড ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান ের মন্দির।হ্যালিকারনেসাসের সমাধি মন্দির রোডস নগরে স্থাপন করা মূর্তি। অতীতের এই আশ্চর্য হিসেবে আলেকজান্ডারের বাতিঘরের স্থান ইফতার প্রবেশদ্বার চিহ্নিত করা হয়েছে প্রাচীন বিশ্বের অসাধারণ।
স্টোন হেঞ্জ: অনেক ঘুমান পিপাসুরা মধ্যযুগে স্থাপত্য কলা থেকে আশ্চর্য এবং বিবাহিত হয়ে থাকেন। তার মধ্যে অন্যতম সৃষ্ট হীন এখানে বলা হয়েছে যুগে যুগে এই সময়ে কথা যারা জানা যায়নি এবং মধ্যযুগের সম্পর্কে ধারণা প্রায় এর মাধ্যমে বিশেষ করে 16 শতকের জনপ্রিয় হয়ে ওঠে শুরু করে। তাই এই তালিকায় উল্লেখ করার মধ্যযুগের আগেকার স্থাপত্য হলে বিশেষভাবে এটি এখনো দৃশ্যমান। মধ্যযুগের সাতটি আশ্চর্য মধ্যযুগীয় মন ও মধ্যযুগের স্থাপত্য শিল্পের অপ্রাকৃত্তি। স্টোন হেঞ্জ ক্যালসিয়াম কম এল প্রকার সমাধি প্রাচীন মহাপ্রাচীর নানকিং এর চিনা মাটির স্তম্ভ হাগ ইয়ার সোফিয়া অফিসার হেলানো টাওয়ার তাজমহল ক্যাথিড্রল ইত্যাদি।
সমুদ্র তলের সাত: পৃথিবীর সমুদ্রতলের আন্তর্জাতিক মহাসাগরীয় গবেষণা ও সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে নিবেদন করা আমেরিকায় অবস্থিত। একটি ডুবুরিদের সংস্থা দ্বারা প্রস্তুত করা পৃথিবীর সমুদ্র দলের সাতটি বিস্ময়কর এর মধ্যে অন্যতম হলো এটি। ৮ ১৯৯০ সালে সমুদ্রের নিচে সংরক্ষণ যুক্ত স্থানগুলো চিহ্নিত করার জন্য ডক্টর সহ কয়েকজন সমুদ্র বিজ্ঞানের একটি দল গঠন করা হয়। ওয়াশিংটন ন্যাশনাল অ্যাকুরিয়াম টেলিভিশনের তারকা এর মাধ্যমে এর ফলাফল ঘোষণা করা হয় এগুলো হচ্ছেপালাউ, বেলিজ ব্যারিয়ার রিফ, গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ জলবিদ্যুৎ, দ্বীপপুঞ্জ, বৈকাল্য রদ, উত্তর লোহিত সাগর।
আধুনিক বিশ্বের সপ্তাশ্চর্য: আধুনিক সভায় নির্মাণ করা বহু অসাধারণ স্থাপত্য অথবা আজও বিদ্যমান বিষয়গুলোর নির্ভয় তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। বিশেষ করে কিছুতালিকা নিচে দেওয়া হল চ্যানেল যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে থাকা ডোবারের জল প্রণালী তিনটাবার টরেন্ট টাওয়ার কোটারিয়া কানাডা আম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং, সান ফ্রান্সিসকো উত্তরবর্তী গোল্ডেন গেট জন প্রণালী ক্যালিফোর্নিয়ন যুক্তরাষ্ট্র ইতা ইপু বাদ ব্রাজিল ও প্যারাগুয়ের মধ্যবর্তী পেরানা নদী ওয়ার্কস নেদারল্যান্ডস পানামা।
ব্রুকলিন সেতু: ব্রিটিশ লেখ ক এডোবেরি উনবিংশ শতাব্দি এবং বিশেষ শতাব্দীর প্রথম দিকে ইঞ্জিনিয়ারিং এর ৭ টি বিশিষ্ট কৃতিদের কথা তার সেভেন ওয়াল্ড কাপ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্ল্ড বইটিতে বলেছিলেন। ২০০৩ সালে বিবিসির ছাত্রী পর্বের একটি প্রামাণ্য চিত্রের শৃঙ্খলা প্রস্তুত করে যাতে কয়েকটি বিষয়ের গড়ে ওঠার নাটক। সাতটি বিস্ময়কর শিল্প এফেক্ট গ্রেট ইস্টার্ন বেল রক বাতিঘর ব্রুকলিন সেতু লন্ডনে ব্যবস্থা প্রথম আন্তমহাদেশীয় ওভার বাঁধ ইত্যাদি।
মাউন্ট এভারেস্ট: বিস্ময়কর বস্তুর অনন্য তালিকার মত যে বিষয়ের তরকের অবতারণা হওয়ার কারণে বিশেষ প্রাকৃতিক বিশ্বের একটি তালিকা কোন ঐক্যমত নেই। সিএনএন কর্তৃক প্রস্তুত করা বহু তালিকার মধ্যে এটি একটি। বৃহৎ গিরিখাত গ্রেট বেরিয়ান িং কোর বন্দর মাউন্ট এভারেস্ট।
নিউ 7 ওয়ান্ডার্স: ২০০১ সালে বর্তমানে বিদ্যমান ২০০ লাভজনক স্মৃতিসৌধ থেকে বিশ্বের নতুন সপ্তাশ্চর্য নির্ধারণের জন্য সুইচ কর্পোরেশন নিউ ওয়ার্ল্ড ফাউন্ডেশনে এক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। পহেলা জানুয়ারি ২০০৬ সালে ২১ টি চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার নাম ঘোষণা করা হয়। মিশর পৃথিবীর একমাত্র আসল বিষয়টিকে অনন্য দর্শনীয় স্থান যেমন স্ট্যাচু অফ লিবার্টি সিডনি অপেরা হাউস ইত্যাদি সঙ্গে প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হওয়ার ঘটনাটি সন্তুষ্ট হয় এবং এই প্রকল্পকে হাস্যকর বলা হয় এ সমস্যার সম্মোধন উদ্দেশ্য প্রতিযোগিতা আখ্যা দেওয়া হয়। ৭ জুলাই ২০০৭ সালের পর্তুগলে লিপ্তনের খেলার মাঠে এক বৃহৎ অনুষ্ঠানে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এগুলোর মধ্যে ছিল ক্রাইস্ট দা রিডিমার চিচেন ইয়াঙ্গা রোমান ক্যালসিয়াম তাজমহল ইত্যাদি।
পিরামিড নির্মান:পিরামিড পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের একটি শুধু তাই নয় এটি আধুনিককাল মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।আর তাই পিরামিড আধুনিক বিজ্ঞান আজও মানুষকে তাড়া করে বেড়াই। মিশরীয় রাজাদের কবরের উপর নির্মিত সমাধি মন্দির গুলোই পিরামিড হিসেবে পরিচিতি লাভ করা শুরু করে। মিশরের ছোট বড় 75 টি পিরামিড আছে। তাই তাকে নীলনদ এবং মরুভূমি পিরামিডের দেশ বলা হয়। প্রাচীনকাল থেকে মিশরের গড়ে উঠেছিল এক উন্নত প্রাচীন নগর সভ্যতা।প্রাচীন মিশরের ফারাও রাজবংশের রাজারা একসময় রাজত্ব করতেন।
শেষ সময় মিসরের মানুষ বেশ কিছু অদ্ভুত বিষয়ে বিশ্বাস করতো। তারা বিশ্বাস করতে পৃথিবীতে মানুষের বাস খুব স্বল্প সময়ের জন্য। আর মৃত্যুর পরবর্তী জীবন হলো অনন্ত শান্তির। তাদের বিশ্বাস ছিল মৃত্যুর পর তাদের মৃত দেহ সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয় তাহলে তারা পরকালে শান্তির সাথে জীবন যাপন করতে পারবে। মিশরীরা মমি সংরক্ষণের জন্য বিশেষ পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিল যাতে তাড়াতাড়ি অক্ষত অবস্থায় মৃতদেহ সংরক্ষণ করতে পারতো। এই বিশেষ পদ্ধতি দিয়ে। এ বিশেষ পদ্ধতিতে সংরক্ষণে করে রাখার ব্যবস্থাকে বলা হতো মমি। ফারাউরা বিশাল এবং সুরক্ষিত সমাজের মধ্যে রাখতো যাতে এরা সামান্য। অংশটুকু নষ্ট না করে ফেলে আমাদের কাছে পিরামিড নামে পরিচিত টির নাম হল গির্জার পিরামিড গির্জার পিরামিড বলা হয়। এটি তৈরি হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব পাঁচ হাজার বছর আগে।এর উচ্চতা ছিল ৪৮১ ফুট এবং এটা ৭৫৫ বর্গফুট জমির উপর নির্মিত এটা তৈরি করতে সময় লেগেছিল প্রায় 20 বছরের মত। পিরামিড তৈরি করা হয়েছিল বিশাল বিশাল পাথর খন্ড দিয়ে পাথর খন্ড এক একটি ওজন ছিল প্রায় ৬০ টনের মত আর দৈর্ঘ্য ৩০ থেকে ৪০ ফুটের মতো। এগুলো সংগ্রহ করা হয়েছিল। এটা কেমন ভাবে কাটা হতো যেন পাথরের মাঝে পাথরের কোন একাংশ ফাঁক না থাকে।। প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তসগুলোর মধ্যে স্থাপনাটি এখনো ঠিক আছে পৃথিবীতে।
ক্রাইস্ট দ্যা রিডিমার: ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার ব্রাজিল জেনারেট অবস্থিত যীশু খ্রীষ্টের একটি মূর্তি। এই মূর্তিটি ৩৯.৬ মিটার লম্বা এবং ওজনের ৭০০ টন এবং এটা যোগা ফরে স্ট ন্যাশনাল পার্কে আসে যা সরকার আড়াল করে রাখা হয়েছে। ২০০৭ সালে বিশেষ মানুষের ভোটে এটা নির্বাচিত হয় নতুন হিসেবে পাহাড়ের চূড়ায় দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে আছে যীশু। করকোভাদা পাহাড়টির উচ্চতা 713 মিটার। এখানে যদি যাওয়ার প্রয়োজন মনে হয় তাহলে সড়ক পথে নয় তোকে বল রেলে চলে যেতে হবে। মূর্তি দিয়ে তৈরি করেছিলেন ফরাসি ভাস্কর পল লেন্ডোস কি। 1921 সালে তাকে মূর্তিটি তৈরি করার দায়িত্ব দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য ছিল পর্তুগালের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের প্রথম শতবার্ষিকী উদযাপন করার জন্য। ১৯৭১ সালের শেষ হয় এ নির্মাণ কাজ। গ্রানাইট এর তৈরি এই মূর্তিটি 30 মিটার উঁচু। আর যে বেদিতার উপর মূর্তি বসানো হয়েছে তার উচ্চতা প্রায় ছয় মিটারের মতো।
মূর্তিটি এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন যীশু খ্রিষ্ট তার দুই হাত প্রসারিত করে শহরটিকে আলিঙ্গন করছেন পাহাড় আর পানি দিয়ে ঘেরা শহরের সবচেয়ে দর্শনীয় জায়গা গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। ধরনের এবং ব্রাজিলের প্রতিক। ১৮৫০ সালে একবার পাহাড়ের ওপর যশোর মূর্তি তৈরি করার প্রস্তাব ফেলে শেষ পর্যন্ত তা পূরণ হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে ব্রাজিলের শাসক ধর্মীয় নেতারা কর্ক ভাদুয়াকে যিশুখ্রিস্টের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে মনে করে আসছিল সে দাবির সূত্র ধরে 1922 সালে স্থাপন করা হয়। এর প্রতিযোগিতা মূলক প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে ইঞ্জিনিয়াররা ফেক্টর ডক্টর প্রস্তাবিত প্রকল্প অনুমোদন লাভ করে। আজও বিশ্বের বিমান দিবসীয়রা ব্রাজিলের এই শহর ঘুরতে গেলে অবশ্যই এই জায়গায় গিয়ে ঘুরে আসেন। প্রতিবছর অনেক বাংলাদেশী পর্যটক ও সেখানে ভিড় জমান এই অসাধারণ স্থাপত্য কলাটি দেখার জন্য।
শেষ কথা: পৃথিবীর সময় কর স্থাপত্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মানুষের সভ্যতার অগ্রগতির সৃজনশীলতার এবং কৌতূহলের এক অসাধারণ উদাহরণ। প্রাচীন যুগের আশ্চর্য থেকে শুরু করে আধুনিক বিশ্বের বিস্ময় প্রতিদ্বন্দ্বেশনে মানুষের মেধা পরিশ্রম ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। প্রাচীন স্থাপনা সময়ের সাথে বিলীন হয়ে গেলেও তাদের গল্প আজও মানুষ কোন প্রাণীত করে। আবার অনেক আশ্চর্য এখন অটো থেকে আমাদের বিমোহিত করে চলেছে। এসব বিষয়গুলো দর্শনীয় স্থান নয় বরং মানব সভ্যতার ঐতিহ্য এবং গৌরবের প্রতীক। তাই এগুলো সংরক্ষণ করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা আমাদের সকলের দায়িত্ব। ভালো থাকবেন সবসময়।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url