খনিজ পদার্থের ব্যবহার

খনিজ কি, উৎস, আকরিকের ব্যবহার, লোহা ইস্পাতের মরিচা ও প্রতিরোধ, অ্যালুমিনিয়াম, গ্রাফাইট, হীরক, কয়লা এবং ফসফরাস সম্পর্কে সহজ আলোচনা।


পেজ সূচিপত্র: আমরা নিচের ব্লগ পোস্ট থেকে  যা জানতে পারবো-
খনিজ কি: খনি থেকে যায় তোলা হয় তাই সাধারণত খনিজ।। বিভিন্ন প্রকারশিলার গঠন উপাদানে আমরা খলিল হিসেবে চিনি আবার বিভিন্ন খনিজের সংমিশনের গঠন করা হয় শিলা। আর খনিজ হচ্ছে একটি যৌগিক পদার্থ সৃষ্টি হয়েছে ভূতকে পাওয়া দুই বা তার থেকে বেশি স্বাভাবিক মৌলিক উপাদানের রাসায়নিক সংযোগে। তবে এমন খনিজ আছে তৈরি করা। যেমন-হীরা সোনার তামা গন্ধইত্যাদি। পৃথিবীতে পাওয়া যায় পাওয়া গেছে।

খনিজ পদার্থের উৎস: অনেক আগে থেকে ধারণা করা হয়ে থাকে যে খনিজ প্রকৃতি উৎস হচ্ছে মাটির নিচের ভূগর্ভ। কিন্তু এই ধরনের এখন আর সঠিক বলে মনে করা হচ্ছে না কারণ ভূত্বকে কিছু খনিজ রুপেশ সঞ্চয় পাওয়া যায়। যেমন-লৌহজাত খনি র যেটাকে আমরা হেমাটাইট হিসেবে। অনেক সময় কয়লার মত মূল্যবান খনিজ পাওয়া যায় এই ভূত্বকে আর এই ধরনের উৎস কে বলা হয় ভূপৃষ্ঠ খনিজ আবার খনিজ উঠানোর সময় আমাদের ভূত্বকের গভীরতা খাদ কেটে গর্ত করে নিচে নামতে হয় অনেক ক্ষেত্রে শিলার স্তরের মধ্যে বা যেখানে স্তরে খনিজ আছে সেখানে। দক্ষিণ আফ্রিকার সোনার খনি পাওয়া গেছে ৩ কিলোমিটার গভীরে এই ধরনের উৎসকে বলা হয ভূগর্ভে থাকা খনি।

আকরিকের ব্যবহার: খনিজ পদার্থ বর্তমান পৃথিবীতে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকছে। কারণ বেশিরভাগ গণিতই একাধিক মৌলিক যৌগ হিসেবে থাকে। আমেরিকা এই খনিজ ব্যবহারের একটি বৃহৎ দেশ হিসেবে পরিগণিত তাই কোন একটি বিশেষ মৌলকে সংগ্রহ করতে হলে এমন একটি কলেজ খুঁজে নিতে হয় যার মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণে মৌল প্রাপ্ত পরিমাণে বিদ্যমান এবং সুবিধাজনক উপায় আলাদা করা যাবে এমন অবস্থায় থাকে। হেমাটাইট খনিজে পাওয়া যায় শক্ত দানাদার ও আসক্ত একটি প্রযোজ্যতা সাধারণত লোহা এবং অক্সিজেনের যৌগ হিসেবে কাজ করে এর রাসায়নিক নাম হল আয়রন অক্সাইড।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে লাভজনকভাবে লোহাকে নিষ্কাশন করা হয় তাই হিমাট হল লোহার আকরিক আবার অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক হচ্ছে ধাতব আকরিক। ধাতুর মত ভূত্বকে এদের অবস্থান। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এই সমস্ত আকরিক ব্যবহার করে জনগণের কল্যাণ ে কাজে লাগিয়ে থাকেন।

লোহা ও ইস্পাতের মরিচা: ই তো পড়বে আমরা জেনেছি যে লোহা পৃথিবীতে ভূগর্ভে পাওয়া যায়। কিন্তু লোহা ইস্পাত এর বিভিন্ন অনেক জিনিস অনেকদিন খোলা বাতাসে রেখে দিলে এর গায়ের উপর লালচে বাদামী রঙের একটা পড়লে পড়ে যা ধীরে ধীরে পুরো হতে শুরু করে। তারপর একসময় মাছের মত খুলে খুলে পড়তে থাকে। স্থানীয় ভাষায় এটাকে মরিচা বলা হয়। দীর্ঘদিন ধরে ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে ফেলে রাখলে বার যত্ন রাখলে লোহার উপর এই আস্তরন করতে পারে। আদ্র বাতাসে ফেলে রাখলে বা বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে লোহার বিক্রি এক ধরনের হাইড্রেট আইরন অক্সাইড তৈরি হয় এই যোগী হয়েছে মরিচা মরিচা লোহাকে নষ্ট করে দেয় লোহার মরিচাতে ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং অবশেষে তার নষ্ট হয়ে যায়। বারে বারে নতুন জিনিস কেনার আগেমরিচা রোধ করা দরকার।

মরিচা প্রতিরোধের উপায়: পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই মরিচা প্রতিরোধের জন্য বিশেষভাবে একটি উপাদান ব্যবহার করে থাকে তা হল ব্রিজ। যা বিভিন্ন লোহার মেশিনে যেমন স্যালো মেশিন অথবা গাড়ির ইঞ্জিনের যে গ্রিজ ব্যবহার করা হয় তা এই মরিচা প্রতিরোধের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কারণ যান্ত্রিক সভ্যতার বিকাশে লোহা বেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার কারণে এর মাধ্যমে। প্রয়োজন। তাই লোহাকে গলিত দশটায় ফেলে পাতলা প্রলেপ দেয়া হয়। লোহার ওপর দস্তারের প্রলেপ থাকলে মরিচা করতে পারে না। ঘুরাঘুরি টিম বা অন্যান্য টিনজাত খাবারের কোড মূলত লোহা বা ইস্পাতের তৈরি এদের ওপর পাতলা টিন ধাতুর খুলে দেয়া হয় এভাবে কোন ধাতুর উপর দস্তার প্রলেপ দেয়াকে বলা হয় গ্যালভানাইজিং।
অ্যালুমিনিয়ামের ব্যবহার: এ পৃথিবীতে সব জায়গায় যে ধাতু টা বেশি পরিমাণে পাওয়া গেছে তা হলো অ্যালুমিনিয়াম। প্রকৃতিতে বিশুদ্ধ অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায় না। বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রগুলো তাদের ভারী যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে অ্যালুমিনিয়াম সংগ্রহ করে থাকেন। অ্যালুমিনিয়াম অন্যান্য মৌলিক পদে থেকে যৌগ গঠন করে অবস্থান করে আরে অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বক্সাইট।

অ্যালুমিনিয়ামের বর্ণ সাদা ও রুপালী ধরনের এদের সামান্য নীলা বুদ্ধি আছে ধাতুটি অত্যন্ত হালকা এবং আপেক্ষিক ঘনত্ব ২.৭।, একে পিটিয়েপাত করা যায় ট্রেনের ১৬ তার তৈরি ব্যবহার করা হয় বর্তমান বাংলাদেশে অ্যালুমিনিয়ামের তারের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেরিয়ে চলেছে। কারণ এর মান অনুযায়ী এর দাম বেশ সুলভ মূল্যে পাওয়া যায় তাই তাপ বিদ্যুৎ পরিবহনের সক্ষমতা বেশি অ্যালুমিনিয়ামের উপর আবরণ পড়ে। বর্তমান বিদ্যুৎ পরিবহনের সক্ষমতা সম্পন্ন অ্যালুমিনিয়ামের তার আকার বেস্ট টেকসই হয়। আদ্র বাতাসে আরো ইউনিয়নের পাতলা আবরণ পড়ে কিন্তু এতে অ্যালুমিনিয়ামের চাকচিক্য তেমন নষ্ট হয় না থাকার কারণে ভেতরের অ্যালুমিনিয়াম অক্সিজেনের মতো হাত থেকে রক্ষা করে তাই লোহার মরিচের মতো এটি ক্ষতিকারক না।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চুইংগাম কে চকলেট মোলারপার থেকে শুরু করে উড়োজাহাজ পর্যন্ত তৈরি অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহৃত হচ্ছে। আমেরিকান জাহাজ শিল্পে বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে হচ্ছে এই অ্যালুমিনিয়াম। কারণ মোটর গাড়ির সেতু ঘরের জানলা দরজার ফ্রেম খেলনা ইত্যাদি তৈরি।

গ্রাফাইট ও হীরকের কাজ: কার্বনের দুটি বিশেষ রূপ হলো হীরক এবং গ্রাফাইট। দুটা পদার্থের পানিতে পাওয়া যায়। মাটির নিচে অতিক তাপ ও তাপের প্রভাবে কোটি কোটি বছর ধরে রূপান্তরিত হওয়ার পর কারাচিত রূপান্তর ঘটে।

গ্রাফাইটের রং ধূসর দুটি পাতা বিদ্যুৎ পরিবাহী তড়িৎ ব্যবহার হচ্ছে বর্তমানে। ব্যাটারি শিল্প বিশেষ করে টর্চ ব্যাটারিতে আমরা এ কালন্দরে দেখে থাকি নরম সাবানের মত পিচ্ছিল। এজন্য কলকাতা হিসেবে এটি ব্যবহার হয় কাগজের প্রোগ্রাম করা হয় শব্দটি গ্রীক শব্দ।

প্রাকৃতিক বস্তুর মধ্যে হীরক সবচাইতে কঠিন। কারণ হীরক দিয়ে কাঁচ কাটা হয় পৃথিবীর বেশিরভাগ হীরক পাওয়া যায় দক্ষিণ আফ্রিকাতে কৃত্রিম উপায়ে হীরক তৈরি করা হয় প্রকৃতিতে হিরো পাওয়া যায় দানা অবস্থায় সাধারণত হীরক স্বচ্ছ এবং বর্ণহীন হীরকের মধ্যে আলো বিভিন্নভাবে বেঁকে যায় বলে চকচকে দেখায় বিশিষ্ট করা হয়।এতে হীরকের উজ্জ্বলতা বাড়ে।

খনিজ কয়লা ও ফসফরাস:অজানা দেওয়ার হিসেবে খনিতে যে কার্বন পাওয়া যায় তাই হল খনিজ কয়লা ও কালো কঠিন শিলা স্তূপের মত খনিতে স্তর স্তরে কয়লা হিসেবে থাকে তাপ উৎপাদনকারী হিসেবে কয়লা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

প্রাকৃতিক কয়লা ছাড়াও কয়েক রকম কয়লার সঙ্গে আমরা পরিচিত আছি অপর্যাপ্ত বাতাসে যে কয়লা পোড়ানো হয় তার নাম হলো কাঠ কয়লা। এটা কার্বনের আরেকটি রূপ। প্রাণিজ কয়লা ও সক্রিয় কয়লা কার্বনের আরও দুটা রূপ।

সালবারের মতো প্রকৃত ফসফরাস ও দানাদার এবং কেলাসিত অবস্থায় থাকে। এটা দুই ধরনের।। ফসফরাস ফসফরাস স্বচ্ছ অস্বচ্ছ এবং মোমের মত নরম বাতাসের পালিত হালকা উৎসব জ্বলে ওঠে।, অন্ধকার ফসফরাসের হালকা আলোতে তার জ্বলে ওঠে। আর এটাই ফসফরাসের রহস্য তাই যদি একটি প্রাণীপূর্ণ বোতলের মধ্যে ডুবিয়ে রেখে ফসফাঁসকে সংরক্ষণ করা হয় তা একটি বিষাক্ত পদার্থ হয়ে যায়।
যদি আপনি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফসফরাসের ব্যবহার দেখতে চান তবে ফসফরাস বেশি ব্যবহার করা হয় সার তৈরিতে আবার দিয়াশলয় শিল্পী হতেও লোহিত ফসফরাস াস ব্যবহার করা হয়। অনেক বেকার যুবককে দেশলাই শিল্পের মাধ্যমে নিজেকে স্বাবলম্বী করে চলছে কারণ দেশলাইয়ের দুই ধারে যে আমরা বারুদের মত কালো অংশ দেখে থাকি তাহলে কার জন্য অনুষ্ঠিত লাল ফস এর একটা প্রলেপ। সিরিজ ২৮ দিয়ে বাক্সের গায়ে নির্ধারিত স্থানে এ প্রলেপ ব্যবহার করা হয়। কাঠের মাথার ঘটির মতো যে অংশটি থাকে তা হল সালফার। পটাশিয়াম ক্লোরাইড মিশ্রণ সাহায্য লাগানো হয়। কাঠ এটি নির্ধারিত স্থানে লাগলে তাপের সৃষ্টি করে এবং আগুন জ্বলে ওঠে। আমাদের দেশে নৃত্য এই ম্যাচ বাক্স ব্যবহার করা হয় আগুন জ্বলাতে।

শেষ কথা: এই ব্লগ পোস্টের শুধুমাত্র তথ্যভিত্তিক উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে প্রদত্ত তথ্য বিভিন্ন সাধারণ উৎস এবং সহজ ভাষায় লেখা হয়েছে কোন প্রকার পেশাদার বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে তথ্যের সামান্য ত্রুটি বা পরিবর্তন লেখক থাকবে না।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Shahiduzzaman Rahman
Shahiduzzaman Rahman
আমি শহিদুজ্জামান, একজন ডিজিটাল মার্কেটর। “শহিদুজ্জামান আইটি একটি তথ্যবহুল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে অনলাইন ইনকাম এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কনটেন্ট শেয়ার করা হয়।