রূপচর্চায় প্রসাধনী

প্রসাধন ও তার ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন। তা করে চুলের যত্ন,টেলকম পাউডার,বেবি পাউডার ভ্যানিশিং ক্রিম,টুথপাউডার তৈরির ফর্মুলা ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা নিয়ে সম্পন্ন তথ্য ভিত্তিক আলোচনা।


পেজসূচিপত্র:এই পোষ্টটি পড়ে আমরা যা যা জানতে পারবো তা নিম্নে বর্ণনা করা হল:
প্রসাধনী কি:যে সমস্ত সামগ্রী দেহের বাহ্যিক আবরণের পরিচর্যা অর্থাৎ দেহের বিভিন্ন অঙ্গ জীবন চল ত্বক চুলক মুখ চোখ ইত্যাদির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে কোমল এবং আকর্ষণীয় করে তোলে সেইসব সামগ্রীকে সাধারণত আমরা প্রসাধারী সামগ্রী বলি।, বিভিন্ন দুর্গন্ধ জনক সুগন্ধি জীবননাশক পদার্থ,, ফ্রেশ পাউডার, প্লাস্টিক, নীল পলিশ, শ্যাম্পু, তেল, মাল শান, ক্রিম টুথপেস্ট ইত্যাদি অনেক ধরনের প্রসাধনের সঙ্গে আমরা পরিচিত। বহুকাল থেকে প্রসাধনী প্রস্তুতদের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের। আধুনিক সময়ে প্রসাধনী প্রস্তুতির জন্য বিজ্ঞানী বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ। এইসব পদার্থের জন্য যথেষ্ট উপকারী ও প্রয়োজনীয়।এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের জৈব যৌগ ধাতব অক্সাইড ইত্যাদি। দেহের বিভিন্ন অঙ্গের পরিচর্যার জন্য ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী।ব্যবহারের পার্থক্যের কারণে প্রসাধনী সামগ্রীকে আমরা ভিন্নভাবে  ভাগ করে থাকি।

ত্বকের যত্ন: ত্বকের যত্নের জন্য সবথেকে বেশি প্রসাধনী আমাদের দেশে ব্যবহার হয়। তাদের আবরণ দেহকে বাইরের পরিবেশ থেকে বাঁচায়। দেহের ভেতরে দূষিত পদার্থ ঘাম কে বের করে ত্বকের মাধ্যমে। ত্বকের কমলীয়তা উজ্জ্বলতা সৌন্দর্যকে ধরে রাখে ত্বকের মধ্যে বিভিন্ন অংশের চামড়া মুখমন্ডলের ভাগ্যক থাকে বলা হয়।

হাত পা দিয়ে চামড়া এবং মুখমণ্ডল ত্বকের জন্য ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় প্রসাধনের মধ্যে আসে গ্লাস আর ফ্রেশ পাউডার টেলকমপাউডার ব্লুউজ কোল্ড ক্রিম বার্নিস ক্রিম হেয়ার রিমুভার লোশন ক্লোজিং মিল্ক হ্যান্ড ক্রিম ইমালশন পাউডার ইত্যাদি। বর্তমান সময়ে ইমালশন অয়েল ক্রিম লোশন পানি এবং তেলের তৈরি দুধের মত সাদা করা।। হাতে ক্রিম ও বাতাসের কারণে ত্বক নষ্ট হয়। এবং কি ক্ষার জাতীয় পদার্থ থেকে অধিক রক্ষা করে মেকাপের জন্য ফাউন্ডেশন পাউডার ও বুরুজের থেকে চোখ অক্সাইড টিটানিয়াম তেল ও পানির ইমালশন ম্যাগনেসিয়াম বিভিন্ন রঞ্জক থাকে।

টেলকাম পাউডার: আদ্রতা বা ঘামকে থামানোর জন্য গোসলের পরে তেল কম পাউডার ব্যবহার করা হয়। এটা পিচ্ছিল কারক দুই দেহের অঙ্গের মধ্যে ঘর্ষণের জন্য প্রদাহ তৈরি করে। উন্নত মানের ট্যালকম পাউডার পিচ্ছিল তার সাথে উজ্জ্বল আর্দ্র বর্ণের হয়। ট্যালকম পাউডারের মূল উপাদান ট্যালক। এছাড়া অতিরিক্ত পিচ্ছিলতার জন্য ব্যবহার করা হয় জিংক ইস্ট এরিয়ড। অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে অনেক সময় বোরিক অ্যাসিড ব্যবহৃত হয় তবে স্টোরিওটের পরিমাণ শতকরা চার থেকে দশের মধ্যে রাখতে হয়। পাউডারকে ঠাপানোর জন্য ক্যালসিয়াম কার্বনেট বা ম্যাগনেসিয়াম কার্বনেট ব্যবহার করা হয়। এগুলো পাউডারের সুগন্ধ কে ধরে রাখে তেল কম পাউডার তৈরির একটি ফর্মুলা নিম্নে দেওয়া হলো।

 ট্যালক                                        ৯৫ ভাগ
 ম্যাগনেসিয়াম কার্বনেট               ৫   ভাগ
পারফিউম খুব সামান্য পরিমাণ ০.৫ ভাগের বেশি নয়।

প্রস্তুত পদ্ধতি: ম্যাগনেসিয়াম কার্বনেট এর সাথে সামান্য গন্ধ দ্রব্য মিশিয়ে কিছুক্ষণের জন্য রেখে দিন। এরপর ট্যালক এর সঙ্গে মিশিয়ে সুক্ষ চালুনি বা পরিষ্কার পাতলা কাপড়ের মধ্য দিয়ে চাললে পাউডার প্রস্তুত হবে। একেকোটাই বন্ধ করে ব্যবহার বা বাজারজাত করতে পারবেন। তার সাথে নিজেও ব্যবহার করতে পারবেন।

বেবি পাউডার:বড়দের এবং শিশুদের মধ্যে ব্যবহৃত পাউডার যেগুলো বাজারে পাওয়া যায় তা কিছুটা আলাদা হয়। কারণ শিশুদের ত্বক অতিকোমল এবং বেশ সংবেদনশীল। ফলে বেবি পাউডার এবং সাধারণ টেলকম পাউডারের উপাদানের মধ্যে পার্থক্য আছে। কারণ বেবি পাউডারের অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয় একটি অ্যান্টিসেপটিক বা খুব হালকা গন্ধ দ্রব্য। জিংক এবং ম্যাগনেসিয়াম স্টুডিও পানি শোষণ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই এর উপাদান দুটির ব্যবহার করা হয় ৩% থেকে৫% মধ্যে। এতে পাউডার অত্যন্ত মসৃণ,পিচ্ছিল হয়।জিংক স্টেরিওটের বদলে লিথিয়াম স্টুডিও অথবা অলিভ অয়েল ব্যবহৃত হয়।২%থেকে৫% জিংক অক্সাইড০.৫%থেকে১.৫% স্টারাইল অ্যালকোহল পাউডারকে সুন্দর গুণসম্পন্ন করে।আপনার বাচ্চার জন্য বেবি পাউডার তৈরির কিছু ফর্মুলা দেওয়া হল-

                   ম্যাগনেসিয়াম স্টিয়ারেট                        ৫ ভাগ
                   হালকা ম্যাগরেসিয়াম কার্বনেট             ৫ ভাগ
                   ট্যালক                                            ৮৭.৫ ভাগ
                   বোরিক এসিড                                   ২.৫ ভাগ
প্রস্তুত পদ্ধতি ট্যালকম পাউডারের মতই।

ক্রিমের ব্যবহার:ক্রিম মূলত পানি এবং তেলের মিশ্রনে তৈরি মাখন এর মত অর্ধঘন একটা পদার্থ। দুই ধরনের ক্রিম তৈরি করা হয় পরিষ্কারক বা মালিশ জাতীয় ক্রিম এবং প্রলেপন জাতীয় ক্রিম। আবার ক্রিমের মধ্যে প্রথম প্রকারের ক্রিম অত্যন্ত কম সময়ের জন্য কার্যকর হয়। কিন্তু এই ক্রিম ত্বকের উপর মালিশ করে দেহ ও মন টাটকা সাথে ও প্রাণবন্ত হয়ে যায়। ক্রিম তৈরিতে সাধারণত সমৃদ্ধ তেল রোজমেরী অয়েল,লেভেন্ডার অয়েল ফাইন ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। দ্বিতীয় প্রকারের ক্রিম ত্বকের উপর অনেকক্ষণ স্থায়ী হয়ে থাকে, ত্বককে নরম ও কমল রাখে।। এই শ্রেণীর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কোল্ড ক্রিম ভিটামিন ক্রিম ও হরমোন ক্রিম থাকে এইসব ক্রিমের উপাদানের মধ্যে থাকে। মোম ও কড লিভার অয়েল।

ভ্যানিশিং ক্রিম:ত্বকের উপর ঘষলে এই ধরনের ক্রিম প্রথমত অদৃশ্য দেখা যায়। এটা ত্বকের ওপর শুকনো কিন্তু আঠার মত একটা প্রলেপ তৈরি করে ফলে ত্বকের শুকনো অনুভূতি হয়।। গরমের দিনে এর ব্যবহার বেশ আরামদায়ক তৈলাক্ত চামড়ার জন্য অত্যন্ত উপযোগী এই ক্রিম যার ত্বকের ছিদ্রগুলোকে বাঁচায়। গ্লিসারিন ইস্টার আরেক অ্যাসিড এবং বিভিন্ন গন্তব্য। ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ সতর্ক থাকতে হয় কিছু কিছু দ্রব্য যেমন নষ্ট করে। তাই ক্রিমে এগুলো বর্জন করে, জেরা নিয়াম রোজ স্যান্ডেল উড পেচুলি লং লং লেন্ডার তার পিনলাল পলি ইল অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয়। নিচে এর ফর্মুলা দেওয়া হলো=
                 স্টিয়ারক এসিড                          ২০ ভাগ
                পটাসিয়াম হাইড্রো-অক্সাইড    ১.৪ ভাগ
                 গ্লিসারিন                                         ৪  ভাগ
                 পানি                                          ৭৪.৬ভাগ
প্রস্তুত পদ্ধতি:ক এর উপাদান এবং ক এর উপাদান দুটি পাত্রে আলাদা করে পঁচাত্তর থেকে ৮৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গরম করতে হবে। কয়ের মধ্যে খকে আস্তে আস্তে ঢেলে নাড়তে হবে। তারপর তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে এলে ০.৫% গন্ধ দ্র মেশাতে হবে। এ পর্যায়ে পাঁচজন নিবারক হিসেবে০.0২ প্রোফাইল প্যারা হাইড্রক্সি বেজয়েট মেশানো যাবে মেশানো যায়।

চুলের যত্ন: চুল প্রতিটি মানুষের মূল্যবান সম্পদ। আমাদের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ মস্তিষ্ক যার আবরণ করোটি বা খলি। আর এই করোটির প্রলেপ হচ্ছে চুল। চুল মাথাকে তাপ থেকে রক্ষা করে ধুলোবালি থেকে রক্ষা করে এবং দেহের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেই। চুলা পরিষ্কার থাকলে মাথার খুশকি পরে তাছাড়া হয় বিভিন্ন রকম চর্ম রোগ হতে পারে বা শরীরের ক্ষতি করতে পারে। তাই চুলের যত্ন নেওয়া আমাদের সবথেকে বেশি দরকার। চুলের যত্নের জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের সাবান এবং শ্যাম্পু ব্যবহার করি। সাবান চুলের ওপর একটি পাতলা পর্দা তৈরি করে এর মধ্যে কার পাওয়া এত বেশি থাকে তাই একে প্রশাধন হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।

চুলের জন্য প্রসাধনী: বিভিন্ন ধরনের কেস তেল, হেয়ার টনিক, হেয়ার লোশন সাবান বিহীন শ্যাম্পু ইত্যাদি। শ্যাম্পু সুগন্ধি যুক্ত একটা ডিটারজেন্ট। এটা তেতুলের উজ্জ্বলতা বাড়া এবং স্বাস্থ্য কে সুন্দর রাখে। এছাড়া রেজিন ভিত্তিক স্প্রে কমেট অ্যালকোহল ভিত্তিক লোশন গুলো তার সাথে হেয়ার কন্ডিশনারের চুলের ক্ষয়কে থামায়। চুল পাকা বন্ধ করে ও চুলের খুশকি কে দূর করে থাকে। কোন কোন রাসায়নিক পদার্থ অনেক সময় চুলকে করা করে। এদের বলে হেয়ার ওয়েভ প্রিপারেশন। আবার কোকড়ানো চুলকে সোজা করার জন্য ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ।

এ ছাড়া চুলকে রং করার জন্য ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন ধরনের হেয়ার ডাই শ্যাম্পু একসময় এসব কলোপ স্বাস্থ্যের জন্য এমনকি চুলের জন্য ক্ষতিকর ছিল। এখন অনেক ধরনের উন্নত মানের হেয়ার ডাই শ্যাম্পু আবিষ্কৃত হয়েছে যা ক্ষতিকারক নয় বরং চুলের স্বাভাবিক ধরে রাখে।

টুথ পাউডার: দাঁত মাজার জন্য ব্যবহার করা হয় টুথ পাউডার। দুধ পাউডার দুই ধরনের হয় কালো রঙের এবং সাদা রঙের।কালো পাউডারের প্রধান উপাদান হলো কাঠ কয়লা এছাড়া থাকে ফিটকিরি কর্পোরট্যানিক এসিড ইউক্যালিপটাস অয়েল মেইন অয়েল এবং গ্লিসারিন। সাদা পাউডারের প্রধান উপাদান চক পাউডার। এছাড়া থাকে, ম্যাগনেসিয়াম কার্বনেট সোডিয়াম বাই কার্বনেট, সব পাউডার সুগার মিথাইল ক্লোবাইল পেপার। কে মিষ্টির স্বাদ এবং এ টল করে।

প্রস্তুত প্রণালী: প্রধান উপাদান কার্ড কয়লার গোড়া কিংবা চক পাউডারকে মিনি পাউডারের রূপান্তর করার জন্য পাতলা কাপড়ের মধ্যে ভালোভাবে চেলে নিতে হয়। এবার একটা পাত্রে কয়লা কিংবা চক পাউডারের অন্যান্য উপাদানগুলো চামচ বা কাটিয়ে দিয়ে ভালোভাবে নাড়তে হবে। এরপর কর্পোর অ্যালকোহলে পরিণত হবে এবং কয়লার গার্ডেন এর সাথে মেশাতে হবে। একইভাবে ট্যানিক এসিড, ইউক্যালিপটাস অয়েল,মেইন মেশাতে হবে এই মিশনের ফিটকিরি মেশাতে হবে।ফিটকিরিকে গরম করে নিতে হবে সব শেষে গন্ধ দ্রব্য মজতে হবে। টুথ পাউডার প্রস্তুতির ফর্মুলা নিম্নে দেয়া হলো-

                              চক পাউডার         ৭৪      ভাগ
                  সোডিয়াম বাই কার্বনেট     ২     ভাগ
                  ট্রাই ক্যালসিয়াম ফসফেট  ১৫  ভাগ
       সাদা পাউডার ক্যাসটাইন সোপ   ৬.৫ ভাগ
                                        স্যাািরিন        ০.৩    ভাগ
                                        গন্ধদ্রব্য         ১.২     ভাগ

প্রয়োজনীয় সর্তকতা:বাংলাদেশে যে সমস্ত প্রসাধনী ব্যবহার করা হয় তা মূলত বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের সংমিশ্রনে তৈরি। পরিমাণ মতো ব্যবহারে এসব ব্যবধান আমাদের দেহের বিভিন্ন অংশ পরিষ্কার রাখে, দেড় কোষ কলা কে রক্ষা করে এবং সমৃদ্ধ করে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। কিন্তু অধিক পরিমাণে প্রশাসনের ব্যবহার কোষ প্রদাহ তৈরি করে এবং বিভিন্ন চর্মরোগ সৃষ্টি করতে পারে। নষ্ট হতে পারে। চামড়ায় ক্ষত তৈরি করতে পারে। চুলের প্রসাধনী অতিরিক্ত ব্যবহারের চুল পড়ে যায় মাথায় খুশকি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং কি তাড়াতাড়ি চুল পেকে যাওয়ায় সমস্যা তৈরি হতে পারে অনেক সময় উগ্র গন্ধে প্রসাধনের ব্যবহারকারীদের গান ইন্দ্রের ক্ষমতা কমে যায়। তাই আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা থাকতে হবে কখনো যেন প্রয়োজনের থেকে অতিরিক্ত প্রসাধন ব্যবহার না করা হয়।

শেষ কথা:আমাদের এই পোস্টটি বিভিন্ন প্রকার প্রসাধনী প্রস্তুত এর একাধিক ফর্মুলা সহ প্রস্তুত পদ্ধতি গুলো অত্যন্ত বিশ্বস্ত এবং নির্ভরযোগ্য শত্রু থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। তবুও এইসব ফর্মুলা ব্যবহার করে প্রস্তুত সামগ্রী ব্যবহার কারো কোন ব্যক্তিগত ক্ষতির জন্য লেখক দায়ী হবেন না।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Shahiduzzaman Rahman
Shahiduzzaman Rahman
আমি শহিদুজ্জামান, একজন ডিজিটাল মার্কেটর। “শহিদুজ্জামান আইটি একটি তথ্যবহুল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে অনলাইন ইনকাম এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কনটেন্ট শেয়ার করা হয়।