অ্যামিশ সম্প্রদায়ের অজানা কথা

আধুনিক আমেরিকার বিলাসী জীবনের আড়ালেAMISH,MENNONITEওMORMON এই সম্প্রদায়িক গুলোর সাধারণ জীবন-যাপন,ধর্মীয় বিশ্বাস,কৃষি নির্ভর,অর্থনীতি বিবাহিত জীবন ও আধুনিক সংস্কৃতি নিয়ে তথ্যভিত্তিক আলোচনা।


পেজসূচিপত্র:আমরা আমেরিকান গরিব মানুষদের জীবন-যাত্রা জানার চেষ্টা করবো-
জৌলুসের আমেরিকা: বিশ্বের যদি সবথেকে কোন প্রভাবশালী দেশ থাকে তার নাম হচ্ছে আমেরিকা। যা ৫০ টি অঙ্গরাজ্য নিয়ে গঠিত এবং অনেক জাতি ধর্ম বর্ণের মানুষ বসবাস করে। আগুনের জৌলুজ বা ছটা দেখে কীট পতঙ্গ যেভাবে ছুটে যায় আগুনের দিকে ঠিক একইভাবে আমেরিকার সম্পদ চাকরির সুপার পাওয়ার আকর্ষণে বিশ্বের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষ ছুটে যেতে চাই। আইনি বেআইনি কত পথই না সেখানে খোলা আছে। যে যেভাবে পারে সে সেভাবেই আমেরিকা যেতে চাই এবং যাইও।
সবাই জানে আমেরিকা দেশটির জাঁকজমক এর পরিপূর্ণ। থাট-বাট অতল সৌন্দর্যের কথা। আমেরিকানদের বিলাসী জীবন- যাপনের গল্প, মেমসাহেবদের গল্প,স্বপ্নময় হলিউডের গল্প,যুদ্ধ রীতি-নীতি আগ্রাসী ভূমিকার কথা।আমেরিকাতে সাদা মানুষের পাশাপাশি কালো মানুষ,এশিয়ান ককেশিয়ান,এশিয়ান মেক্সিকানরাও সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করে।আমেরিকা মানে ফ্রিডম,আমেরিকা মানে গণতন্ত্র। এখানে আইনের শাসন আছে।আইন প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমান।আমেরিকার বসবাসরত প্রতিটি নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে মূল্যবান এবং তথ্য কথা সবার বিশ্বাসে গভীরভাবে ঢুকে আছে।
যান্ত্রিকতার বাইরে অন্য আমেরিকা: তবে যান্ত্রিকতার বাইরে ও আরেকটি আমেরিকার গল্প আছে অর্থাৎ আমেরিকার গল্প এখানেই শেষ নয়। আধুনিক আমেরিকার বুকে এখনো কিছু শ্রেণীর মানুষ বসবাস করে যারা আমেরিকার সব আধুনিকতা যান্ত্রিক সভ্যতাকে অস্বীকার করে নিজেদের মতো করে জীবন যাপন করে যাচ্ছে কয়েকশ বছর ধরে। তারা সবাই তাদের প্রাচীন ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর পণ্য আস্থা রেখে চলেছে যাতে করে নিজেদের জন্য আলাদা একটি ভুবন তৈরি করতে পারে। তাদের দুনিয়ায় আধুনিক আমেরিকার স্থান নেই। তাদের ভুবনে আসে শ্রেণী বা গোষ্ঠীর মধ্যে শ্রেণীবিভাগ আসে, একেক গোষ্ঠীর একেক নাম।যেমন আছে অ্যামিশ সম্প্রদায়,মেনোনাইট সম্প্রদায়,মর্মেন সম্প্রদায়। এমনই কিছু ভিন্ন ভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করে এই আমেরিকাতে। ধর্মীয় বিশ্বাসের দিক থেকে সবাই খ্রিস্টান তবে তাদের সাধারণ জীবন যাপন পদ্ধতি পূর্ণ আলাদা অন্যতম বিশ্বের সাথে ওদের কোন যোগাযোগ তেমন নেই আধুনিকতাকে ওরা নিজেদের বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মনে করে মেন উন্নয়ন সম্প্রদায় কিছুটা গোড়া হলে অনেক ক্ষেত্রে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়ার চেষ্টা করে।কিন্তু অ্যামিশরা পুরোটাই আলাদা আধুনিক সভ্যতার সঙ্গে ওদের কোন আপোষ করার নেই কয়েক বছর আগেই আদি মেনু নাইট গ্রুপ থেকে আলাদা হয়ে এমিনেসরা নিজেদের সম্প্রদায় বলাই তৈরি করেছে।
মেনোনাইটের ইতিহাস: এই দুই সম্প্রদায়ের মানুষগুলো আমেরিকানদের ইন্ডিয়ান দেশ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা বলে মনে করেছে। ওরা আদি আমেরিকান নয়। সবাই ইমিগ্রেড।ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালে দেখতে পাবেন সুইজারল্যান্ড,জার্মানিতে মেননাইট নামের বড় বড় গোষ্ঠীর লোক ছিল তারা চার্চের কঠিন নিয়মে শৃঙ্খলায় কঠোর নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিল।১৬৯৩ সালে সুইজারল্যান্ডের জ্যাকব আম্মান নামের এক খ্রিস্টান ধর্মগুরু ছিলেন।যিনি মূল মেননাইট থেকে পুরো আলাদা হয়ে বেশ কিছু কঠিন নিয়মের ভেতর দিয়ে সাধারণ জীবন যাপনের পক্ষে অনেকগুলো মতামত প্রচার করেছিলেন। কিছুটা উদারপন্থী মনের মেননাইট থেকে আলাদা হয়ে অনেকে গুরু আম্মানের গুরুত্ব গ্রহণ করেন গরু আম্বানের মত অনুসারী পড়ে এমিনি সম্প্রদায় হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। বিভিন্ন কারণে নিজ দেশে তারা যখন টিকতে পারেনি তখন ১৮ শতাব্দীর গোড়ার দিকে অনেকগুলো আমেরিকান পেন্সিল ভারনিয়াই বসবাস শুরু করা শুরু করে। আস্তে আস্তে এরা আমেরিকার বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে দুই হাজার সালের পরিসংখ্যানে দেখা যায় ১ লক্ষ ৬৫ হাজারের মতো এ্যামিস বছরে আমেরিকাতে এবং ১৫০০ মানুষের বসবাস কানাডাতে। যদি বলা হয় ২০১০ সালের পরিসংখ্যানে তা দাঁড়িয়ে ছিল দুই লক্ষ ৪৯ হাজারে। আর আজ ২২৬ সালের এসে তা হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ।
অতি সাধারন জীবন: অ্যামিশরা খুবই কট্টরপন্থী এবং গোড়া হয়ে থাকে। কারণ ওদের জীবনযাপন খুবই সাধারণ মানের। বাইরের সমাজ থেকে একেবারে আলাদা হয়ে থাকতে ওরা বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। শুধু নিজ গোষ্ঠীর মানুষরাই ওদের সমাজ। যাদের সবাই আধুনিকতাকে ঘৃণার চোখে দেখে। আধুনিক সভ্যতা এবং যন্ত্র সভ্যতার যুগে মানুষের নতুন নতুন আবিষ্কারকে তারা সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে মনে করে। সেজন্যই আমি জনগণ কিছুটা লোকাল থেকে নিজেদের আলাদা রাখে। তারা একেবারেই নিরবে পল্লীতে তাদের নিজস্ব গ্রাম তৈরি করে।সেখানে বসবাস করে আর অন্য কারো সেখানে প্রবেশের অধিকার নেই। তারা আধুনিক জগতের কোন সংবাদ রাখতে চায় না। ঝলমলে আমেরিকায় বাস করে ওরা ইলেকট্রিসিটি ব্যবহার করেনা টিভি দেখে না রেডিও শোনে না টেলিফোন ও ব্যবহার করে না। এমন প্রযুক্তি বলতে তাদের কাছে কিছুই নেই কারণ ওদের বিশ্বাস টিভি দেখলে বা রেকর্ড শুনলে বাচ্চারা খারাপ হয়ে যাবে কারো বাড়িতে বলতে কালো জলে না ফ্যান এসি টিভি কিছুই নাই ওদের বিশ্বাস ইলেকট্রিসিটির ব্যবহার প্রকৃতির আলো বাতাসের ভারসাম্যে অনেকাংশ নষ্ট করে বাড়িতে ওয়াটার সাপে পানির বদলে ওরা ডিপটি বলে পানি ব্যবহার করে মোটর গাড়ি প্লেন প্লেন বা কোন কিছুতেই চলে না ওরা চড়ে নিজেদেরকে কর্মকাণ্ড সীমাবদ্ধ থাকে। যদি তারা মনে করে যে হাট বাজার করা দরকার আছে তখন পুরুষেরা হাটবাজারে যাই মেয়েরা ঘরের ভেতরে তাদের যাবতীয় সকল ধরনের কাজকর্ম করে রান্নাবান্না থেকে শুরু করে ঘর পরিষ্কার ছেলে মেয়েদের বিভিন্ন রকমের পরিচর্যা পুরুষের যত্ন ইত্যাদি যাবতীয় ঘরোয়া কাজ মেয়েরাই করে থাকে শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার জামা কাপড় বিছানা সবাই নিজেরা করে থাকে তাদের পোষাকের ডিজাইন করে। এর ক্ষেত্রে তারা শালীনতাকে বজায় রাখে। তারা ছোট লম্বা চুল বলা কিন্তু আমি মেয়েদের পোষা করে পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত মেয়েদের মাথা রাখা থেকে কান রাখা টুপিতে যেন তাদের মাথার চুল আর কেউ দেখতে না পায় ছেলেরা অবশ্যই লম্বা দাড়ি রাখে মাজায় পড়ে ধূমপান করে না নেশার কোন প্রশ্ন ওঠেনা। কোন রকমের কোন স্টুডিওতে গিয়ে ছবি তোলা তাদের ব্যবহার করে না। এক প্রজন্ম তার পরবর্তী প্রজন্মের কাছে দুই তিন পুরুষ আগেকার গল্প শোনার চেষ্টা করে। অর্থাৎ কে কেমন দেখতে ছিল তার একটা কাল্পনিক গণনায় তাদেরকে দেওয়া হয় যেহেতু তাদের জীবন যাপনের কোন নতুনত্ব নেই তাই পূর্বই প্রজন্মকে তারা চোখে না দেখে পরবর্তী প্রজন্মকে ধারণ করে নিতে পারে কেবল ছিল তাদের পূর্বপুরুষ দেখতে মেয়েরা ঘরে থাকলেও কখনো যদি আত্মীয় স্বজনের বাড়ি বেড়াতে যেতে হয় তাহলে ঘোড়ায় টানা বগিতে চড়ে যায়। তারা সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়েদের মতো বকের ভেতরে শুধু মহিলারাই পর্দায় রাখে প্রস্রাব বাকি চালায় এমন পর্দানশীল মেয়েদের পাবলিক স্কুলে পাঠায় না তাদের নিজস্ব স্কুল আছে সেখানে শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেয়া হয়। আপনাদের জানার সুবিধার্থে বলে রাখি যে আমেজদের কিন্তু নিজস্ব চার্জ আছে চার্জও শ্রেণীর আছে এলাকাভিত্তিক চার শুধু ওই এলাকার অমিশ জনগণি ব্যবহার করতে পারে ওদের মধ্যে উঁচু-নিচু ভেদাভেদ ও কিছুটা আছে।
গণ মাধ্যম বিমুখ: যেখানে আধুনিক আমেরিকান সমাজ আজ মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার চেষ্টা করছে সেখানে এই অ্যামির সম্প্রদায় তাদেরকে আবদ্ধ রেখেছে নিজেদের সাম্প্রদায়িকগত গ্রাম ভিত্তিক সমাজের মধ্যে। তাদের জীবন যেমন সাধারণ তেমনি তাদের চলাফেরা অর্থাৎ তাদের কাছে গণমাধ্যম বলতে পারার প্রতিবেশী ছাড়া কোন কিছুই নেই। এখানে মানুষ একে অপরের সাথে বসবাস করে হলে সংবাদ এরা মধ্যযুগীয় পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকে তাদের বিশ্বাস গণমাধ্যম তাদেরকে বিভিন্ন কারণে ধোঁকা দিতে পারে।
কৃষিও পশু পালন: আমি সম্প্রদায়ের একটি বড় উৎস কৃষি ও পশু পালন করে জীবন ধারণ করা। অর্থাৎ ওদের আয় আসে কৃষি এবং পশুপালন করে। কৃষিকাজ থেকে উৎপাদিত পন্নী ওদের সাদামাটা জীবন যাপন এবং সংসার চলে যায় বিয়ে-শাদীর ব্যাপারে ওরা ভীষণ রক্ষণশীল হয় পাত্র বা পাত্রে খ্রিস্টান হলে হবে না আমি সাম্প্রদায়েরী হতে হবে নিজ গোত্রের বাইরে ওরা তাদের ছেলেমেয়েদের বিয়ে করায় না উপযুক্ত পাত্র না হলে প্রয়োজনে মেয়েরা বছরে অবিবাহিত থাকে। এখানকার যুবক-যুবতীদের মধ্যে কেউ যদি অন্য কোন সম্প্রদায়ের কাউকে ভুলবশত পছন্দ করেও ফেলে প্রথমে তাকে পরিবার থেকে বাধা দেওয়া হয় এরপর চার্জ থেকে নিষেধ করা হয় অবাধ্য হলে তাদেরকে কঠিন শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা তাদের আসে প্রয়োজনে তাকে পরিবার থেকে পরিত্য করে দেয়া হয় এমনকি সমাজ থেকে বের করে দেওয়া হয়। এম এস এলাকার ভেতরে তার প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয় কেউ নিষেধ অমান্য করলে কঠিন শাস্তি দেওয়া হয় প্রয়োজনে তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড ও দেওয়া হয়।
জন্মনিয়ন্ত্রণ বিমুখ:আমি সম্প্রদায়ের জনগণ জন্মনিয়ন্ত্রণে কোন বিশ্বাসই রাখে না।গর্ভধারণ করলে শিশুকে পৃথিবীর আলো দেখাতে হবে সুতরাং কোন কারণবশত গর্ভধারণ অবস্থায় হত্যার কোন তাদেরকে সুযোগ নেই।গর্ভধারিনের জীবন সংশয়ের প্রশ্নের গর্ভপাত নিষিদ্ধ। তাদের বিশ্বাস যে সৃষ্টিকর্তা মুখ দেন আরো তিনি দিবেন। বিধাতা যখন যাকে যেভাবে পৃথিবীতে পাঠিয়ে থাকেন তাকে সেভাবেই থাকতে হবে আমৃত্যু। এই সম্প্রদায়ের শিশু মৃত্যুর হার বেশি প্রতিবন্ধী শিশু জন্মের আরো বেশি। আমি ছেলে-মেয়েদের মাঝে বামুনের হার বেশি কারণ হিসেবে ধারণা করা হয়ে থাকে বহিঃ জগত থেকে নিজেকে আলাদা রাখে বলি এই সম্প্রদায়ের মধ্যে আন্তঃ বিবাহ হয়। ফলে খুব ঘনিষ্ঠ আত্মীয় সম্পর্ক আসে এমন ছেলে মেয়েদের মধ্যে বিবাহ হওয়ার কারণে তাদের মধ্যে বিভিন্ন রকম জেনেটিক সমস্যা দেখা দেয়। তারপরও এ বিষয়টিকে তারা নিজেদের জন্য মঙ্গলজনক বলে মনে করে থাকে। আর এই কারণেই এখানে শিশু মৃত্যুর হার বেশি।
বৈবাহিক জীবন: আমি সম্প্রদায়ের মানুষ নিজেদেরকে রক্ষণশীল হিসেবে গড়ে তুলে এসে যুগ যুগ ধরে। হলে তারা তাদের জন্য নিজস্বভাবে মুক্ত বাতায়ন গড়ে তুলেছে যেখানে আছে শুধুমাত্র রীতিনীতি এবং সংস্কারের আবদ্ধ জাল। তারা চাইলেই সে আবদ্ধ জাল থেকে বের হওয়ার কোন পথ খুঁজে পাই না তাদের জীবন এবং বিবাহ গত যেকোনো সম্পর্ক এ সমস্ত ক্ষেত্রে তারা সকল বিষয়কে ঈশ্বর ইশারা হিসেবে মনে করে থাকে। বিজ্ঞানের প্রসার যে ঈশ্বর ইশারায় এ বিষয়টি তারা সহজে মানতে চায় না ওদের জীবনে পুনর্বিবাহ বা বিবাহ বিচ্ছেদ কোনটি নেই বিবাহিত স্বামী স্ত্রীর মাঝে কেউ যদি অপরজনের সঙ্গে প্রতারণা করে তাহলে সমাজ তার বিচার করে বিচারের স্বাস্থ্যের বিধান দেওয়া হয় যেহেতু পুনরায় বিবাহ নেই তাই বিধবা হলে বাকি জীবন তাকে কুমারী হয়ে বাকি জীবনঈশ্বরের কাজে নিয়োজিত হয়ে থাকতে হবে। ছেলেদের জন্যও ঠিক সেই একই নিয়ম। এভাবেই তারা যুগ যুগ ধরে চলছে মুভি উইটনেস অথবা দ্যা এম এস এ খুব ভালোভাবে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে তবে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জোয়ারের উল্টো স্রোতে চলা কিছু সম্প্রদায়ের লোকদের জন্য তা কঠিন হয়ে উঠেছে। বর্তমান সময়ে আমিষদের মাঝেও কিছু মতবিরোধ হয়েছে যা ক্রমে বেড়ে চলেছে যারা খুবই কট্টরপন্থী তারা নিজেদের কিছুটা উদারপন্থীদের থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করে উদার পন্থী আমি প্রতিদিনই দেখছে উদারপন্থের মেনু নাইটরা নিজেদের অবস্থান ঠিক রেখে আমেরিকান আধুনিকতাকে বেশ আদরে গ্রহণ করছে। মন নাইট্রা। বিভিন্ন ধর্মীয় আচরণে এবং বিশ্বাসে বিজ্ঞানের আবিষ্কার কে অস্বীকার করে না তবে বিজ্ঞানের আবিষ্কারের সুফল তারা ভোগ করে এতে করে মেনু নাইটদের জীবন অ্যামেজ দের থেকে অনেক বেশি সমৃদ্ধ হয়েছে জীবনের কঠিন হিসাব নিকাশের কাছে অনেক আমেজ নিজেকেই আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছে আর বাকিরা আড়ালেই থেকে গেছে।
শেষকথা; ওরা জাঁকজমকপূর্ণ আমেরিকায় বসবাস করে না ইলেকট্রিসিটি ব্যবহার করেনা টিভি দেখেনা রেডিও সেরেনা টেলিফোন ব্যবহার করে না মুভি দেখার সেখানে কোন প্রশ্ন নেই কারণ ওদের বিশ্বাস এই সমস্ত দেখলে বাচ্চারা নোংরামি শিখবে কারো বাড়িতে কোন প্রশ্নই ওঠে না ওরা বিশ্বাস করে ইলেকট্রিক ব্যবহার প্রকৃতির সম্মুখে নষ্ট করে তাই তারা টিউবওয়েলের পানি ব্যবহার করে ব্যবহার করে। মূলত এই লেখাটি আমেরিকানদের নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় সামাজিক গোষ্ঠীর বিশেষ করে AMISH,MENNONITEওMORMON এদের জীবন যাপন ও সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা দেবার জন্য লেখা এখানে উপস্থাপন করা সকল তথ্যগুলো বিভিন্ন উৎস এবং প্রচলিত ধারণা থেকে গ্রহণ করা হয়েছে তাই সব ক্ষেত্রে তা পুরো সঠিক নাও হতে পারে সময়ের ব্যবধানে তাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Shahiduzzaman Rahman
Shahiduzzaman Rahman
আমি শহিদুজ্জামান, একজন ডিজিটাল মার্কেটর। “শহিদুজ্জামান আইটি একটি তথ্যবহুল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে অনলাইন ইনকাম এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কনটেন্ট শেয়ার করা হয়।