মাদকাসক্তি ও তার প্রতিকাের

মাদক কে আমরা না বলি। কারন তা ক্ষতিকর

ভূমিকা:আমাদের দেশে তরুণ প্রজন্ম বর্তমান সময়ে উল্লেখযোগ্য হারে আজ এক নিরাশার মরন নেশার শিকার।কারণ সে নেশা মাদকের। যে তরুণের ঐতিহ্য আমাদের দেশে শত বছরের সংগ্রামের প্রতিবাদের এবং যুদ্ধজয়ের আজ তারা নিঃস্ব হচ্ছে মরণব্যাশার ছোবলে। মাদক নেশার যন্ত্রণায় ডুকছে শত হাজার তরুণ প্রাণ। ঘরে ঘরে সৃষ্টি হচ্ছে বিভেদ আর উদ্বেগ। ধ্বংস হচ্ছে বর্তমান উন্নত সমাজের কারিগররা যারা ভবিষ্যৎ কে পরিচালিত করবে।এই পরিস্থিতি মেনে নেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

পেজসূচিপত্র: এই ব্লগ পোষ্ট থেকে আমরা যা যা জানতে পারবো তা নিম্নে দেওয়া হল-
নেশার উৎস:নেশার উৎসব বেশ প্রাচীন।মদ.গাঁজা.ভাং,আফিম, চরস,তামাকের নেশার কথা মানুষের অজানা ইতিহাস। কিন্তু যুগের পরিবর্তনে তা ছিল সীমিত পর্যায়ের। ১৯ শতকের মাঝ ভাগে বেদনাদায়ক ঔষধ হিসেবে মাদক ড্রাগ পরিচালিত হতে শুরু করে। আজও ২০২৬ এর সবাইকে করে করে খাচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নেশার উপকরণ হিসেবে ড্রাগের ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। আমেরিকা, ব্রাজিল বলিভিয়া কলম্বিয়া ইত্যাদি এলাকায় বিশাল বিশাল শিক্ষিত চক্র তৈরি হয়। যার মূলে ছিল বিভিন্ন ধরনের মাফিয়া গেংপাটি। পরে বেদনাদায়ক ড্রাগ পশ্চিমা বিশ্বের ধনাদ্য সমাজের নেশার উপকরণ হয়ে দাঁড়ায়। বর্তমানে বিশ্বের দেশে দেশে মাদক মানুষকে ঠেলে দিচ্ছে যন্ত্রণা ও মৃত্যুর দিকে উন্নত বিশ্বে বাংলাদেশের চাইতে এর ক্ষতিকর প্রভাব আরো বেশি।
বিভিন্ন ধরনের ড্রাগও তার ব্যবহার:অতি সাম্প্রতি আন্তর্জাতিক ট্রাক ব্যবসায়ীরা নানা ধরনের মাদকের ব্যবসা ফাঁদ পেতেছেন। এসব মাদকের ব্যবহার পদ্ধতির নানা রকম। আর তাদের প্রথম সারির শিকার হচ্ছে বাংলাদেশের মধ্যে তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলি। ধূমপানের পদ্ধতির নাকে সরকার পদ্ধতি ইনজেকশনের মাধ্যমে তাকে নিচে গ্রহণের পদ্ধতি এবং সরাসরি রক্তের মাধ্যমে অনুপ্রবেশের পদ্ধতি। এই মাদকের নেশা অতি তীব্র। বিশেষ কৌতূহল বসন্ত যদি কেউ হিরোইন সেবন করে তবে এ নেশা জিন্দাবাদ এর দৈত্যের মতো তার ঘাড়ে চেপে বসে।
মাদকাসক্তির পরিনাম: কোনভাবে একেবারে কেউ মাদকাসক্ত হলে চিরদিনের মত তাকে নেশা তাকে পেয়ে বসে। সে হয়ে যায় নেশার কারাগারে বন্দি। তার বোধ বুদ্ধি চিন্তা করার মত কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো ক্ষমতা থাকে না। আমাদের এই পোস্টটি আশা করি আপনাদের সচেতন হওয়ার ক্ষেত্রে কাজে লাগবে। মাদকাসক্তের ফলে তার আচার-আচরণ অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যায়। তার চেহারার লাবণ্য হারিয়ে যাবে। আসক্ত ব্যক্তি ছাত্র হলে তার বইপত্র হারিয়ে ফেলে,পড়াশোনা মনোযোগ কমে যাওয়া, মাদকের খরচ যোগানোর জন্য চুরি করা এবং নতুন নতুন অপরাধপ্রবণ এলাকায় ঢুকে পড়া। নেশার জন্য প্রয়োজনীয় ট্রাক না পেলে মাদকাসক্তরা প্রায় রেগে যায় এবং ক্ষিপ্ত হওয়ার আচরণ করে। লোকের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। মাদকের প্রভাবে রোগের শারীরিক প্রতিক্রিয়া ও হয় নেতিবাচক। তারা মরণশক্তির দিক থেকে দুর্বল হয়ে পড়ে তার শরীর ভেঙ্গে যায়। অর্থাৎ সে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
মাদকাসক্তি প্রতিরোধ:
বাংলাদেশের চিত্র:
শেষকথা:

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Shahiduzzaman Rahman
Shahiduzzaman Rahman
আমি শহিদুজ্জামান, একজন ডিজিটাল মার্কেটর। “শহিদুজ্জামান আইটি একটি তথ্যবহুল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে অনলাইন ইনকাম এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কনটেন্ট শেয়ার করা হয়।