বিশ্ব সেরা দ্বীপ
বিশ্বসেরা দ্বীপ যেমন বালি বাহামা এ কারিয়া জিজু সেন্ট
মার্টিন ও রহস্যময় বালটাসহ বিভিন্ন বিখ্যাত দ্বীপে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ইতিহাস ও
ভ্রমণ বিষয়ক তথ্য বিস্তারিতভাবে এই ব্লগ পোস্টে জানুন।
পেজসূচিপত্র:আমরা বিশ্বসেরা দ্বীপ সম্পর্কে জানব-
দ্বীপের রানী বালি:পৃথিবীর সেরা দ্বীপগুলোর মধ্যে দ্বীপের রানী বলা হয়
ইন্দোনেশিয়ার
বালিকে। এটা
বিশ্বের অন্যতম সেরা টুরিস্ট দ্বীপ হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত। প্রতিবছর লক্ষ
লক্ষ মানুষ বিশ্বসেরা এই দ্বীপের কাছে আসেন অবকাশ যাপনের জন্য। বালির অপরূপ
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মানুষকে শুধু মোহিতই করে না বরং এর রাজধানীর সংস্কৃতি।আরো ছোট
বড় কয়েকটি দ্বীপ আছে।বালির প্রধান আকর্ষণ হল বালি দ্বীপে সৌন্দর্য। যদি আয়তনের
ধরা যায় তবে এর আয়তন প্রায় ছয় হাজার বর্গ কিলোমিটার। মোট বাসিন্দার৯২% শতাংশই
হিন্দু। এদের ধর্ম হিন্দু হলেও এদের রীতিনীতিতে তেমন হিন্দু আইনে প্রভাব দেখা
যায় না। এদের বাড়ির প্রবেশদ্বারে দুই পাশে রক্ষিকারী দেবতার মূর্তি থাকে।
বাসিন্দাদের ধারণা এরা তাদের সব ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা করবে। আয়োজনে খুব বড় না
হয় মাত্র চার দিনে দ্বীপটি ঘুরে দেখা সম্ভব এ দীপ্তি অত্যন্ত সুন্দর এবং
পরিচ্ছন্ন। এখানকার বাসিন্দারা শহরের সৌন্দর্য রক্ষার দারুন সচেতন থাকেন। কারণ
তারা রাস্তার পারে তারা গাছের পাতা পর্যন্ত ডাস্টবিনে ফেলেন। সবকিছুতে এখানে বেশি
অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। হোটেল এলাকাগুলোতে কোন বাণিজ্যিক দোকান আপনি দেখতে পাবেন
না। বালিঘর নিয়ে মৃত আগ্নেয়গিরি দেখান পাবেন। অপরূপ সুন্দর সমুদ্র সৈকত এখানকার
সব থেকে বড় আকর্ষণীয় জায়গা। এখানকার প্রধান পর্যটন কেন্দ্র কুত্তা সমুদ্র
সৈকত।
প্রায় প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ মানুষ এখানে বেড়াতে আসেন। কোথার পরে মানুষ বালির
দক্ষিণ পেনিন তোলা দেখতে যায়। সেখানে রয়েছে সব ধরনের আধুনিক স্থাপনা। পুরো
বালিকে পর্যটকরা তাদের বিনোদনের অংশ হিসেবে বেছে নিতে পারেন। বাড়িতে একাধিক
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে বালিবাসীর একটি দর্শন হল তারা ঈশ্বর পরিবেশ আর
মানুষের চোখে থাকা নিয়ে। আর তাই এখানে সবকিছু একাকার মিলিয়ে যায় বালি
দ্বীপে।মানুষের প্রতি মানুষের ভালবাসার বড় করে দেখা হয় বালির পূর্ব ও পশ্চিম
অংশ পাহাড় বেষ্টিত। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৫ তারকা হোটেল মডেল ক্যাসিনো ছয় সব
ধরনের সুযোগ সুবিধা রয়েছে আধুনিক বর্তমান ২০২৫ এর সভ্যতাকে মানদন্ড হিসেবে তারা
বিচার করে। এখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়। খ্রিস্টপূর্ব দুই
হাজার বছর আগে বালি আবিষ্কার করা হয়। যা মূলত ইন্ডিয়ান ও চাইনিজ কালচার গড়ে
উঠেছে। বালিকে আটটি রিজেন্সিতে ভাগ করা হয়েছে। বালিতে শহর আছে একটি যার নাম হলো
ডেনপাশার এটি মূলত রাজধানী। এখানে কৃষি ও পর্যটকই বালির আয়ের প্রধান হচ্ছে এর
মধ্যে পর্যটন থেকে আসে প্রায় ৮০ ভাগ বৈদেশিক মুদ্রা।
বাহামা দীপমালা: পৃথিবী বিখ্যাত যতগুলো দ্বীপ আছে তার মধ্যে সবথেকে আলোচিত হচ্ছে
বাহামাদিব মালা। এর অধীনে আসে ছোট বড় প্রায় ৬৭ এর মত দ্বীপ। যা পুরো এলাকায়
আয়তনের প্রায় এক লক্ষ বর্গ মাইলের মতো। পশ্চিম আটলান্টিক মহাসাগর জোরে এই দ্বীপ
মালার রাজত্ব অনেক সময় থেকে চলে আসছে। বাংলাদেশের অনেক পর্যটকদের কাছে। এখানেই
পর্যটকরা সমুদ্রের গভীরে দীর্ঘতম গুহা দেখে তার স্বাদ নিতে পারেন। আর এখানে অনেক
স্থানের ছড়িয়ে আছে অনেকগুলো রহস্যময় গুহা। সমুদ্রের নিচে নীল গভীরে আপনি খুঁজে
পাবেন পৃথিবীর দার্শনিক অন্যরকম এক অনাবিল আনন্দ।
দীপি ইকারিয়া:পৃথিবীতে যত সব আলোচিত এবং সৌন্দর্যপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে তার
মধ্যে দ্বীপিকারিয়া একটু ব্যতিক্রম। কারণ এই দিকটিকে দীর্ঘায়ু মানুষের দ্বীপও
বলা হয়।এটা পৃথিবীর মানুষের কাছে আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে এখানকার মানুষের বেশি
আয়ের কারণে।এই দ্বীপের বাসিন্দারা ইউরোপের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষের তুলনায়
গড়ে ১০ বছর বেশি বাঁচেন।ইকারিয়ার মানুষের দীর্ঘ জীবন লাভের রহস্য অনেকেই খোঁজার
চেষ্টা করেন।আসলে এখানকার বিশুদ্ধ বাতাস ও গুরুত্বপূর্ণ সহজ সহজ জীবনযাত্রা তাজা
শাক-সবজি ছাগলের দুধ প্রকৃতিকে মানুষের দীর্ঘায়ু লাভের কারণে হিসেবে ধরা হয়ে
থাকে।ইকারিয়ার পাহাড়ি উঁচু নিচু পথে চলাফেরা করার কারণে দর্শনীয় লোকের শরীর
সুস্থ সবল থাকে।ইকারিয়া সুস্থ থাকার অভিজ্ঞতা নানা রকম গল্প প্রচলন আছে।তবে
কিছুদিন আগে বিজ্ঞানী ও চিকিৎসকরা এই এলাকার মানুষের সন্ধানে চেষ্টা করেছেন।
তুরস্ক উপকূল থেকে অনেক দূরে অবস্থিত একারিয়া দীপ্তি স্বাস্থ্যকর স্থান হিসেবে।
শতাধিক বছর ধরে পরিচয় পাই স্থানীয় জনসংখ্যা৮ ০০০ এ্যাথেন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের
বিজ্ঞানীরা ইকোরিয়ার ৬৫ বছরের বেশি বয়সী নাগরিকদের উপর গবেষণা চালিয়ে জানেন
সেখানকার বাসিন্দাদের বয়স গড়ে ৯০ বছর পর্যন্ত যায়। এ বিষয়টি পৃথিবীর অন্যান্য
মানুষদেরকে আকর্ষণীয় করে এবং এখানে অনেকে ঘুরতেও আছেন। একারিয়া দ্বীপের খাদ্য
তালিকা ভূমধ্যসাগরীয়দের মতো তাদের খাদ্যই আছে প্রচুর পরিমাণে মাছ ও শাকসবজির
উপস্থিতি এবং বেশি এবং মানুষের উপস্থিতি কম। যদি আপনি ভেষজ উদ্ভিদ ধরতে চান তাহলে
রান্নার কাজে অলিভ তেল ব্যবহার করে তাদের জীবনকাল দীর্ঘ এছাড়া এখানে ধূমপানের
হাড় কমে কম। জাপানের ওকিনাওয়া,ইতালির সার্দিনিয়া।
পৃথিবীর স্বর্গ: এই দিক থেকে অনেকে বড় বড় দিব বলে থাকে। এসবের অর্থ হলো প্রথম
জন্ম। প্রশান্ত মহাসাগরের এক অপূর্ব সুন্দরদ্বীপ বলা হয়। এটা ফরাসি
নিয়ন্ত্রণাধীন একটি দ্বীপ। ফরাসি পলিনেশিয়ার মধ্যে বড় বড় দ্বীপটি আয়তনে খুব
বেশি বড় নয় মাত্র 39 স্কয়ার মাইল হতে পারে। তবে সৌন্দর্য অপরূপ। সবচেয়ে
সুন্দর এবং জায়গা গুলো একটি হিসেবে। কোন পর্যটক যদি চান তবে খুব সহজে এই দ্বীপটি
ভ্রমন করতে পারবেন। বিশেষ করে হানিমুন কাপলদের জন্য এই দ্বীপটি সব থেকে বেশি
বিখ্যাত। প্রতিবছর প্রায় ৭০ শতাংশ নববিবাহিত দম্পতি আসেন। তাই হিতে অবস্থিত এই
সৈকতটি নবদম্পতিদের মধুচন্দ্রিমা যাপনের জন্য আদর্শ স্থান হিসেবে খ্যাতি লাভ
করেছে। সব থেকে সুন্দর এবং শান্ত সমুদ্র সৈকত হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছে এটি বেশ
পরিচিত বড় বড় আইল্যান্ড এ বিশ্বের সেরা পর্যটক স্থান গুলোর মত সব ধরনের সুযোগ
সুবিধা পাওয়া যাবে।
রহস্য ঘেরা বাল্ট্রা: বিশ্বের অন্যতম রহস্য ঘেরা দিবসে বালটা। এই দ্বীপের অনেক
রহস্যময় ঘটনা সাথে যুক্ত আছে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন। একেবারে মানব বসতির শুন্য
একটি দিক এটা। এক অদ্ভুত রহস্য ময়দার জন্য এটি সবথেকে বেশি বিখ্যাত আমেরিকার
ইকুয়েডরের পার্শ্ববর্তী ১৩ টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জের একটি
হচ্ছে এই বালটা। তবে অন্য দ্বীপগুলো হচ্ছে এটা একেবারেই আলাদা কারণের অদ্ভুত
রহস্যময়তা বিষয়টি ধরা পড়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে। তখন এখানকার
কয়েকটি দ্বীপে ইয়ার বাস স্থাপন করে যুক্ত রাষ্ট্র সরকার একজন অফিসার ফ্রান্সের
মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী প্রথম এই দ্বীপের রহস্যময় জানতে পারে। এরপরে অনেকে অনেক
রকমের অদ্ভুত কথা স্বীকার করেছেন।এই দ্বীপপুঞ্জ টি গ্রীষ্মমন্ডলীয় এলাকায় থাকার
কারণে এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় পুরো এলাকায় বৃষ্টিপাতে ছুঁতে পারে
না।রহস্যজনক কারণে অনেক উপর দিয়ে উড়ে গিয়ে অন্যপাশে প্রবল বৃষ্টিপাত হয়।
বালটা অর্ধেক পার হওয়ার পর আর এগাতে পারে না বৃষ্টির ফোঁটা।
তাই বৃষ্টির গতিবেগ এমন জায়ী হোক না কেন ব্যতিক্রম হয় না কখনোই। শুধু তাই না
এখানে এলে অস্বাভাবিক আচরণ হয় অভিযাত্রীদের। কম্পাস এ সব সময় উভয়ের দিকে
নির্দোসনকারী কম্পাস এখানে হঠাৎ করে থেমে যায়। আবার দিকনির্দেশক কাটার ইচ্ছামত
ঘটতে থাকে। আবার উল্টাপাল্টা দিকনির্দেশন দিয়ে থাকে। এমনকি দ্বীপের ওপর প্লেন
থাকা করেন সময় এমন অদ্ভত আচরণ হয়ে থাকে। আবার সব ঠিক বালটা দ্বীপের এইরকম আচরণ
কোন গ্রহণযোগ্য কারণ এখানে কেউ খুঁজে পায়নি। তবে কারো কারো মতে এখানে কোন
অস্বাভাবিক শক্তির অস্তিত্ব আছে যার প্রভাবে এমন অদ্ভুত ঘটনা। বিজ্ঞানীরা আজও এই
রহস্যের ঘটনা উদঘাটন করতে পারেনি। আর এইসব কারণেই এই দ্বীপটি এক আলাদা জায়গা দখল
করে আছে।
মায়াবী ব্যাফিন: যদি পৃথিবী বিখ্যাত কোন দ্বীপের কথা বলতে হয় তবে সবার আগে মনে
পরে মায়াবী ব্যাভিনের কথা। এটি কানাডার বিখ্যাত দ্বীপ এবং বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম
দ্বীপ। ব্রিটিশ নাবিক উইলিয়াম ব্যাপী দ্বীপটির দেখা পান তার নামে এটির নামকরণ
করা হয়েছে ব্যাপেন। দ্বীপের প্রায় দৈর্ঘ্য ১ ১৫০০ কিলোমিটার এবং আয়তন ৫০৭৪৫১
বর্গ কিলোমিটার। ব্যাপিন দ্বীপটি উত্তর-পূর্ব কানাডার নানুভুত প্রদেশের একটি
দ্বীপ। এটির পূর্বের ব্যাপিন উপসাগর ডেভিড প্রণালী দক্ষিণে হার্ড সং প্রণালী
উপসাগর। দ্বীপটির উত্তরে কেবেক ল্যাবরেটর এবং নিউফাউন্ডল্যান্ড এর ভূমির
একটি সম্প্রসারণ আছে। পূর্ব উপকূল এলাকা খারাপ। এখানে অনেক পারে জলবায়ুর দেশীয়
এটি বৃক্ষহীন এখানে অনেক ভালো পানির ঝাক পাওয়া যাবে। এখানে প্রতি বছর লাখ লাখ
পাখি বাসা বাধতে আসে।
জেজু দ্বীপ:দক্ষিণ কোরিয়ার অনেক দ্বীপ রয়েছে তবে যে যদি নানা কারণে বিখ্যাত
হিসেবে পরিচিত করিয়া সবথেকে বড় দ্বীপ এবং ক্ষুদ্রতম প্রদেশ হচ্ছে যে দক্ষিনে এই
সাহিত্য শাসিত প্রতিষ্ঠা নামে পরিচিত। ২০০৭ সালে ইউনেস্কো যে যদি বিশ্বের আদি
নিদর্শনের স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত করে দক্ষিণ কোরিয়ার উপকূল থেকে ১৩০
কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। পশ্চিম থেকে পূর্ব এটির দৈর্ঘ্য 73 কিলোমিটার এবং উত্তর
থেকে দক্ষিণ ৭১৩১ কিলোমিটার এর আয়তন ১৮৪৬ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর
উচ্চতা ১৯৫০ মিটার অবস্থিত হয়েছে ৩৬০ টি সত্য আগ্নেয়গিরির সমন্বয়।ভূতাত্ত্বিক
ভাষা অনুযায়ী প্রায় ২০ লক্ষ বছর আগে জেজু দ্বীপের সৃষ্টি করেছিলো। মূলত আমি
বলতে পারি যে জেরিকো দূর থেকে দেখতে অনেক চমৎকার সত্য আগ্নেয়গিরির কারণে। ১৯১০
সালে যদি কে ডাকা হতো জিজির কাটা নামে স্থানীয় জনগণের ভাষায় মানে আগ্নেয়গিরি
সমুদ্র পৃষ্ঠপোকল থেকে ১৩০ কিলোমিটার ভেতরে অবস্থান সহজে যদি যাওয়া যায় না। তবে
জাহাজ কিংবা বড় কোন নৌকায় চড়ে এই দ্বীপে যেতে হয়। এখানে ছোট ছোট একবার দেখতে
ছাড়া রয়েছে পাহাড় দক্ষিণ কোরিয়া সর্বোচ্চ পাহাড় হ্যালো শান দক্ষিণ কোরিয়ার
সর্বোচ্চ বলে ধরা হয়।
রিভারা মায়া: সত্যিকার অর্থে মায়াময় একটি দ্বীপের নাম হল রিভারাম মায়া এটি
ক্যারিবিয়ান উপকূলে বিখ্যাত রোড হাইওয়ে থেকে ৪০০ এর ৫ অবস্থিত। এই দ্বীপটির
সমুদ্র তীরে সৌন্দর্য প্রবাল প্রাচীরের জন্য সবথেকে বেশি বিখ্যাত। আর এটি বিশ্বের
অন্যতম সেরা ড্রাইভিং স্পট ও বটে। শুধু প্রবালি নয় এখানে পাওয়া যাবে আরেক
সুন্দর ও গর্ভস্থ নদী নেটওয়ার্ক। প্রাকৃতিক মোহনায় যেখানে খুঁজে পাওয়া যাবে
সাগর নদীর মিলন স্থল একসঙ্গে লবণাক্ত এবং ড্রাইভিং এর মাধ্যমে সমুদ্র এর ভেতরের
গোয়াগুলোতে ডুব মেরে আসতে পছন্দ করেন ড্রাইভাররা।
সেন্টমার্টিন দ্বীপ:যদি পৃথিবীর অন্যতম সেরা প্রবাল দ্বীপ থাকে তা হল সেন্ট
মার্টিন।এটি বাংলাদেশের সব থেকে দক্ষিনে বঙ্গোপসাগরের উত্তর পূর্বাঞ্চল অবস্থিত
একটি প্রবাল দ্বীপ কক্সবাজার টেকনাফ থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দক্ষিণে এবং
মায়ানমার উপকূল থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। প্রচুর
নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে বলা হয় নারিকেল জিঞ্জিরা প্রাচীন নাম
ছিল জিজরা স্তনের লোকদের মতে আরো বণিকদের এই নাম দিয়েছিল পড়ে না জারজিরা।
স্থানীয় লোকদের মাধ্যমে নারিকেল জিঞ্জিরা বলে খ্যাতি লাভ করে। কিন্তু পরে ইংরেজরা
এটা সেন্ট মার্টিন নামে ডাকা শুরু করে। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের আয়তন ৮ বর্গ
কিলোমিটার ও উত্তর দক্ষিণে লম্বা তিন দিকে ভিতর ছিল জোয়ারের মতো তলিয়ে যায়। এই
দিবে তিনদিকে বিত শিলা যা জোয়ারের সময় তলিয়ে যায় আর ভাটার সময় জেগে ওঠে
এগুলোকে ধরলে আয়োজন প্রায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর দক্ষিণের প্রায় ৫.৬৩
কিলোমিটার লম্বা দ্বীপের দৈর্ঘ্য কত ৭০০ মিটার আবার কথা ২০০ মিটার সমুদ্রপৃষ্ঠ
থেকে গড় উচ্চতা ৩.৬ মিটার। প্রতিবছর এখানে দেশি-বিদেশি অনেক পর্যটক এসে ভিড়
করেন এই দিকটিকে দেখার জন্য। শুধু তাই নয় এখানে প্রায় ৬৬ প্রজাতীয় প্রবাল 187
প্রজাতির শামুক 153 সামুদ্রিক শৈবাল ১০০৭দের গুপ্তযুগের উদ্ভিদ এবং ২৪০ সামুদ্রিক
মাছ আছে। তবে স্থানীয়ভাবে পেয়ে যারা নামে পরিচিত আলগি এক ধরনের সামগ্রিক শৈবাল
সেন্ট মার্টিনসে প্রচুর পাওয়া যায় এগুলো বিভিন্ন প্রজাতির হয়ে থাকে তবে লাল
আলগী বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় এছাড়া রয়েছে ১৯৭৩ দ্বীপকে কাকরা বনঝড়া প্রাকৃতিক
বলতে বোঝায়।
বার্লিনের জাদুঘর দ্বীপ: বার্লিনের দীপ জাদুঘর একেবারে অন্যরকম এক দ্বীপের
গল্প। যেখানে বার্লিনের স্প্রে নদীর উপরে এর অবস্থান। এটি জাদুঘর হিসেবে পৃথিবী
বিখ্যাত পাঁচটি জাদুঘর আছে ১৯৯৯ সালে এটা স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। রাজধানী
শহরের ঠিক মাঝখানে অবস্থিত। তবে মজার বিষয় হল জার্মানির রাশিয়া সাম্রাজ্যের
শিল্পকলার বিভিন্ন নিদর্শন দেখতে পাওয়া যাবে এখানে মিউজিয়াম আইসল্যান্ড স্প্রে
নদীর মাঝখানে একটি দ্বীপ সেটা বোঝা যায় বোর্ডে মিউজিয়ামের কারণে এ জাদুকরটির
নদী থেকে প্রাসাদের মতো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। ১৯০৪ সালে এ জাদুঘরটি
স্থাপিত হয়। আমলের বিভিন্ন নিদর্শন মুদ্রা ভাস্কর ইত্যাদি দেখতে চাইলে যেতে হবে
বোর্ড মিউজিয়ামে। মিশরীয় রানীর একেবারে হুবহু মূর্তি রয়েছে এখানে। এই দ্বীপের
সব চেয়ে আকর্ষণীয় স্থান হল পের্গামন মিউজিয়াম।সবগুলোর মধ্যে এটা সবথেকে নতুন
১৯৩০ সালে স্থাপিত হয়।এটা শুধু মিউজিয়াম আউটল্যান্ডের মধ্যে নয় পুরো জার্মানির
মধ্যে দর্শকদের কাছে পছন্দের তালিকা প্রথম। এই জাদুঘরের নিদর্শন গুলোর মধ্যে
দর্শকদের কাছে সবার চেয়ে আকর্ষণীয় হলো পের্গামন আলটার। এটা একটা বেদি যেটা
খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীতে প্রাচীন গ্রিক শহর প্রেগর মনের শাসক রাজা
দ্বিতীয় হিউমেনেসের সমান নির্মাণ করা হয়েছিল। পের্গামন শহরের বাগানে এটা স্থাপন
করা হয়েছিল।সেখানে আসল কর্মীর পুরোটাই তুলে আনা হয়েছে। এই জাদুঘরে মিউজিয়ামের
আরেকটি দর্শনীয় স্থান হল মার্কেট গেট অফ। এটা ১২০ সালে নির্মাণ করা একটি তরুন যা
১৭ মিটার উঁচু আর ২৯ পৃষ্ঠার প্রস্থ এই রয়েছে মিউজিয়ামে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের
সময় প্রেগার মন মিউজিয়ামের ছাদ ভেঙে পড়া এই ঐতিহাসিক তরঙ্গ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছিল তবে। ব্যাবিলন শহরের দেখতে পাওয়া যাবে এই মিউজিয়ামে।১৮৫৯ সালে স্থাপিত
হয় জাদুঘরটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। এরপর
সংস্কারের কাজ শুরু হয় এবং অবশেষে ২০০৯ সালে এটা আবার চালু হয় নতুন জাদুঘরের
বিভিন্ন দর্শনের নাম করা অবশ্যই। এখানে রয়েছে মিশরীয় রানীর নেভার তিথির অবিকল
মূর্তি।
শেষ কথা:সংস্কৃতি ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য বিভিন্ন বই ভ্রমণ বিষয়ক
নিবন্ধন অনলাইন উচ্চ থেকে সংগ্রহ সংকলন করা হয়েছে। পাঠকদের সাধারণ জ্ঞান ও ভ্রমণ
বিষয়ক ধারণা দেওয়া এই এলাকার উদ্দেশ্য সময়ের সাথে কিছু তথ্য পরিবর্তন হতে
পারে। তাই আপনাদেরকে এ বিষয়ে বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানার অনুরোধ রইল।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url