FACEBOOK MARKITING
FHJGKHKGJGKYDVDFHR
পেজ সূচিপত্র :আমরা নিজের ব্লগ পোস্ট থেকে ফেসবুক মার্কেটিং সম্পর্কে জানার
চেষ্টা করব।
ভূমিকা:ফেসবুক মার্কেটিং করে আয় করার অন্যতম উপায় হলো অনলাইন স্টোর প্রমোশন। কোন কোম্পানির অনলাইন প্রোডাক্ট বিক্রি করার জন্য কোম্পানি তাদের পেজ নিয়ে পোস্ট করা শেয়ার করতে পারেন। যেমন:আড়ং বা ইভালির প্রচারের মাধ্যমে আপনি ফেসবুক মার্কেটিং করতে পারেন। আবার ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করে ও টাকা আয় করা যায়।
ফেসবুক মার্কেটিং কি:আসুন আমরা জানার চেষ্টা করি ফেসবুক মার্কেটিং আসলে কি। ফেসবুক মার্কেটিং হল এমন এক ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা যার মাধ্যমে আপনি বিশ্বব্যাপী ব্যবসা করার জন্য পণ্য সেবার মান নিয়ে ব্যবহারকারীদের কাছে জানান দিতে পারবেন। এর মাধ্যমে বেশি মানুষের কাছে আপনি পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারবেন।
ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং:ফেসবুক মার্কেটিং দুই ধরনের হয়ে থাকে তার মধ্যে অন্যতম হল ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং। সহজ করে বলা যায় যে মার্কেটিং ব্যবস্থায় কোন অর্থ ব্যয় করতে হয় না তাকে ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং বলা হয়। অনলাইনে মার্কেটিং ব্যবস্থায় কোন তথ্য ব্যয় করতে হয় না। হলে ফেসবুক মার্কেটিং ফ্রি হয়ে থাকে। যেখানে ব্যবসা বা সেবা প্রদান করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু পথ অনুসরণ করে ফ্রি মার্কেটিং করা যায়। বর্তমানে দিন দিন ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং এর চাহিদা বেড়েই চলেছে কারণ বর্তমান এই আয়োজক হওয়ার কারণে ফেসবুকে মানুষের আনাগোনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিষয়টা কিছুটা পরিষ্কার করার চেষ্টা করব আপনাদের কাছে।
আপনি মনে করুন প্রথমে একটা ফেসবুক পেজ খুললেন। আপনি যে প্রতিষ্ঠানের বা যেখানে কাজ করেন তা অনুযায়ী পেজের নাম ওভার ফটো এবং প্রোফাইল ফটো দিয়ে তা সাজাবেন। তারপর আপনি যে পণ্য বিক্রি করবেন তার পুরো তথ্য দিয়ে পোস্ট করতে পারবেন। সেটা আপনি ইমেজ আঁকারও দিতে পারবেন আবার ভিডিও রিলস এখনো দিতে পারবেন প্রথমে আপনার পরিচিত যত মানুষ থাকবে আপনি চেষ্টা করবেন ফেসবুক পেজকে তাদের মাধ্যমে ফলো করানোর। এবং তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোতে শেয়ার করতে বলতে পারেন। যদি আপনার পরিচিত বন্ধু স্বজন তা ফল এবং শেয়ার করে থাকে তবে আপনার ব্যবসার গতি অনেকটা এগিয়ে যাবে। এই পদ্ধতি গ্রহণ করে অনেক বেশি বেশি মানুষের কাছে আপনি আপনার পণ্যের বিষয় সম্পর্কে জানান দিতে পারবেন।
পেড ফেসবুক মার্কেটিং: ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং এ কিছু কিছু বিষয় সীমাবদ্ধ থাকে যা পেট ফেইসবুক মার্কেটিং থাকে না। আমরা বলতে পারি যে ফেসবুক নিউজফিডে যে পোস্টগুলো স্পন্সর লেখা থাকে সেসব পোস্টগুলো হলো পেইড ফেসবুক মার্কেটিং। ছোট বড় সকল ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ মার্কেটিং ব্যবহার করে সঠিক গ্রাহকের কাছে পণ্য বিষয়ে আপনি বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারবেন। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু পরিমাণ অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে আপনি আপনার পণ্যের জন্য মার্কেটিং ব্যবসাকে আরো আধুনিক এবং আইকনিক করতে পারবেন।
বর্তমান অনলাইন যুগের বন্ধুর অভাব হয় না তাই আপনি যদি মনে করেন যে পেট ফেসবুক মার্কেটিং এর মাধ্যমে একেবারে আপনার প্রিয় কিছু সিলেক্টিভ গ্রাহক আছে এবং তাদের কাছে আপনি আপনার পণ্য পড়াশোনা চেষ্টা করছেন তবে এই পদ্ধতিটি সবথেকে উত্তম। যদি আমরা চাই আমাদের পণ্য শুধু মাত্র ঢাকা শহর বা রাজশাহী শহরে বসবাসকারী নারী অথবা পুরুষ দেখতে পাবে তাহলে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে তা করা সম্ভব হবে। ফেসবুক মার্কেটিং এর জন্য ফেসবুক পেজ বা প্রমট করা হয়ে থাকে। বিশ্বায়নের এই যুগে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে অর্থ প্রদানের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন আকারে পেজ এবং পোস্ট নির্ধারিত গ্রাহকের কাছে সঠিকভাবে উপস্থাপন করে এই ফেসবুক এটা ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং এর মাধ্যমে করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।
ইন স্ট্রিম অ্যাড: আমরা ইউটিউব এবং ফেসবুকে ভিডিও ছাড়ার ক্ষেত্রে ইনস্ট্রাম এড সম্পর্কে জেনে থাকে যা ভিডিওর মাধ্যমে থাকা বিজ্ঞাপন কিংবা ইনস্ট্যান্ট বিজ্ঞাপন গুলোকে বেশ চমৎকারভাবে বিশ্বব্যাপী ফেসবুক দর্শকদের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য করা হয়ে থাকে। যখন কোন ব্যবহার করে ফেসবুক ভিডিও দেখতে থাকেন তখন তিনি ভিডিওটির মাধ্যমে একটি বিজ্ঞাপন দেখে থাকেন অর্থাৎ তিনি যখন কোন স্টোরি বা কোন ভিডিও দেখেন তখন তার সামনে অটোমেটিক একটা ভিডিও বিজ্ঞাপন আসে। বিজ্ঞাপনটি দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর সম্ভাবনার সব থেকে বেশি হয়ে থাকে এর মাধ্যমে মূল ভিডিওটির বাকি অংশ দেখার আগ্রহ তা অনেক সময় থাকে না তাই তিনি ওই ভিডিওটি দেখতে পারেন তাই এটি ফিডের একটি আলাদা বিজ্ঞাপনের থেকে কার্যকর কারণ ব্যবহারকারীদের আলাদা বিজ্ঞাপন এ নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
এখন আপনার কাছে প্রশ্ন হতে পারে যে আপনি কিভাবে এটি করবেন চলুন সেই বিষয়ে জানার চেষ্টা করি। জন্য আপনার ভিডিওটি গল্প করে উপস্থাপন করতে হবে। আপনি ভিডিওটিতে এর মধ্যে আগ্রহী দর্শকদের কাছে তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য কার্যকরী। তবে ফেসবুকে শব্দগুলো পূরণ করার পাশাপাশি ভিডিও গুলো এক মিনিটের বেশি হতে হবে সেইসঙ্গে ইস্টিম বিজ্ঞাপন চালানোর জন্য আপনার কাছে যে ফেসবুক পেজটি থাকবে তা না হলেও 10000 ফলোয়ার আপনাকে জোগাড় করতে হবে।
পেজে পেইড সাবস্ক্রিপশন যোগ:আপনি একজন ফেসবুকে অর্থ উপার্জন কারী হিসেবে আপনার ফেসবুক পেইজে অর্থের বিনিময় ইভেন্ট পরিচনা করতে পারবেন ফেসবুকের ইভেন্ট ফিচার্ডটির মাধ্যমে আপনি আপনার পেজ দিয়ে ইভেন্টের বিভিন্ন সময়সূচী তৈরি করবেন এবং সেটা সাজানো তা চালাতেও পারবেন। কারণ আপনার পেইজে অর্থের বিনয়ের সাবস্ক্রিপশন তৈরি করে মাসিক আয় বাড়ানো বেশ সম্ভব। এই ক্ষেত্রে ফলোয়ারদেরকে অর্থ প্রদানের মাধ্যমে পেজের সাবস্ক্রিপশন নিয়ে বিশেষ কন্টেন্ট ছাড়পত্রসহ বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করা যায়। এই ধরনের পেট সাবস্ক্রিপশন ব্যবহার করে থাকে অনেক বেগান বেকার নামের একটি ব্র্যান্ড। তারা তাদের ব্র্যান্ডের ফলোয়ারদের জন্য একটা আলাদা ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করে রেখেছে। যেখানে তাদের বিশেষ কন্টেন্ট এবং বিভিন্ন ধরনের ছাড়পত্র থাকে তাদের ফলোয়ারদের জন্য। আর এর মাধ্যমে তারা বেশ মোটা অংকের অর্থ আয় করে থাকে।
ফলোয়ারদের কাছ থেকে সরাসরি অর্থ আয়:ফেসবুক কিছুদিন আগে একটা বিষয় সবার সামনে তুলে ধরেছে যে তাদের প্লাটফর্মের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা কিছু অর্গানিক ধরনের ভিডিও অথবা জনস্বার্থে তৈরি করা কন্টেন্টের উপর আরো তারা গুরুত্ব দেবে। এতে করে অনেক মানুষ আছেন যারা ফেসবুক ব্যবহার করেন শুধু টিকটকের পোস্ট শেয়ার না করি। ফেসবুকের কনটেন্ট ছাড়া কিছু ধারাবাহিক বিষয় যেমন রিল একটা নির্দিষ্ট একটা সংখ্যার কেউ তৈরির মাধ্যমে এটা পুরো সিরিজ করে মাসে ৭০০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।
চলুন জেনে নেওয়া যাক এটা কিভাবে করা যাবে-চ্যালেঞ্জ ফিচারটি এই সময় শুধু ইনভাইটেশন এর মাধ্যমেই পাওয়া যাবে। এর ক্ষেত্রে আপনি ফেসবুকের বর্তমান যাদের ফলোয়ারের সংখ্যা মিলিয়নের কাছাকাছি বা তার থেকে কিছুটা বেশি রাখা হয়েছে।। ইনভাইটেশন টি যদি আপনি অবশ্যই আপনাকে ৩০ দিনের মধ্যে পূরণ করে নিয়ে আসতে হবে আর তা না হলে আপনার টিচারদের মেয়াদ শেষ হবার সম্ভাবনা আছে।
অনলাইন পেইড ইভেন্ট: বর্তমান সময়ে ফেসবুকে তুলনায় অনলাইন পেইড ইভেন্টের মাত্রা ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিশেষ করে যারা ফেসবুক পেজ খুলেছেন তাদের মধ্যে আগ্রহ বেড়েই চলে এসে। এর প্রধান কারণ হলো এর মধ্যে থাকা কিছু ইউনিক টাইপের ফিচারস যা আপনার বিভিন্ন কনটেন্টকে দ্রুত বিশ্বব্যাপী ছড়ানোর ক্ষেত্রে কাজ করে থাকে। কোন ফেসবুক ব্যবহারকারী ফেসবুক পেজে অর্থের বিনিময়ে ইভেন্ট পরিচালনা করতে পারবেন। ফেসবুকের ইভেন্ট ফিচার্ডের মাধ্যমে কোন ফেসবুক পেজের মালিক পেজ দিয়ে ইভেন্টের সময়সূচি বানিয়ে নিতে পারে সেটাকে সাজানোর এবং চালাতে পারবে।জ্যাসপারস মার্কেট তাদের ফেসবুকের বিজনেস পেজের মাধ্যমে অনেক কিছু। বিশেষ ধরনের ইভেন্টকে পোস্ট করে চলেছে আর সেগুলোতে তারা বিজ্ঞাপন দিচ্ছে প্রতিনিয়ত যেখানে ২৪ ঘন্টা লক্ষ লক্ষ ভিউ আসছে। সেখান থেকে ফেসবুক ইউজাররা ইভেন্টের একটা তালিকা দেখতে পাচ্ছে এবং ব্র্যান্ডের পেজ থেকে সরাসরি ইভেন্টের এক্সেস কার্ড কিনতে পারছে। এতে করে আপনার অনলাইন ফেসবুকেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ফলোয়ারদের অনলাইন স্টোরে নিয়ে যাওয়া; ফেসবুক একটি মুক্তবাজার প্ল্যাটফর্ম। যেখানে প্রতিবছর মিলিয়ন বিলিয়ন ভিউয়ার্সরা ভিজিট করে থাকেন। ফেসবুকের সোশ্যাল কমার্স বলে একটি ফিচার আছে যার মাধ্যমে আপনি ফেসবুক পেজ থেকে যেকোনো ধরনের ক্রেতাদেরকে সরাসরি আপনার অনলাইন স্টোরে নিয়ে যেতে পারবেন। যেসব ব্র্যান্ডের ফেসবুকে একটা ছোট ব্যবসা রয়েছে তাদের জন্য এটা একটা অসাধারণ এবং অনন্য ধরনের উপায়। বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যারা সারাদিন এস কল করে বেড়ান ব্যবহারকারীদের বিজ্ঞাপন দেখার মাধ্যমে পণ্যটি কেনার জন্য তাদেরকে টার্গেট করতে পারবেন।
তবে আমাদের এ বিষয়ে মাথায় রাখতে হবে যেটা আমরা কিভাবে করব। চলুন সে বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক-আপনার যদি কোন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থাকে তবে আপনার ফেসবুক পেজের যে ক্যাটালগ আছে তার ম্যানেজার আপনার পণ্যের আপনি যোগ করতে পারবেন। এতে করে আপনি যখন কোন একটা ছবি বা ভিডিও পোস্ট করবেন তখন অন্যটির সঙ্গে তার লিংক পাঠায় দিবেন। অর্থাৎ এখানে বলা যায় যে যদি লাইভ স্ট্রিম চলাকালীন সময়ে আপনি কোন পণ্যের লিংক করে পাঠাতে পারবেন সেখানে আপনার বেশ উপকার হবে। এতে করে আপনার আয় করার সক্ষমতাকে বেশ ঐশ্বর্য মন্দিত করবে। আপনি যখন চাইবেন এর জন্য ফেসবুকে ইকর মাছের ব্যবসা শুরু বিভিন্ন পণ্যের বিক্রি ডিজিটাল পণ্য বানানোর মতো বিভিন্ন বিষয় আপনি হাতে রাখতে পারবেন। আর এসব থেকে ফেসবুকের বিপরীত সংখ্যক ফলোয়ারকে আপনি চাইলেই নিজের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন। তবে আমাদের একটি বিষয় অবশ্যই মনে রাখা প্রয়োজন যে ফেসবুকের মাসিক যেটা ব্যবহার করে সংখ্যা প্রায় ২৮০ কোটির মত। যদিও সংখ্যাটি আমার হয়তো বা কিছুটা ভুল হতে পারে। ১২৮ কোটি ৯৮ কোটির মতো ইত্যাদি। সব প্লাটফর্মের তুলনায় যারা ফেসবুক ব্যবহার করে এ সমস্ত ব্যবহারের সংখ্যা। তাই এই বিপুলসংখ্যক ব্যবহারকারীর জায়গাটা থেকে অর্থ উপার্জনের যে একটা সঠিক পদ্ধতি তা যদি কোন কারণে আপনার কাছে দুর্লভ মনে হয়ে থাকে ও হতে পারে কিন্তু তা অসম্ভব নয় বরং আপনার ভবিষ্যতে কাজে দিবে।
প্রতিদিন ৫০০ টাকা আয়: বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম কে ব্যবহার করে মানুষের অর্থ উপার্জনের চাহিদা বেরিয়ে চলেছে। অনেক মানুষ আছেন যারা শুধুমাত্র অনলাইনে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করি অর্থ উপার্জন করে থাকেন আপনিও চাইলে প্রতিদিন ৫০০ টাকাও আয় করতে পারবেন এমন কিছু অ্যাপস আছে এ বিষয়ে। আগের মত করে তেমন কোনো কঠিন পরিশ্রম করতে হবে না এমনও আছে যে একটা কোন ধরনের আর্টিকেল আপনাকে দিনে ৫০০ টাকা এনে দিতে পারে আমি আপনাকে কিছু অ্যাপস এর নাম বলে দিচ্ছি যা থেকে আপনি দিনে ৫০০ টাকা আয় করতে সক্ষম হতে পারেন।
FaceBook App You tub App
Work up Job App
Ysense App Toffee App
Telegram App
মোবাইল দিয়ে মার্কেটিং:আমাকে অনেকে জিজ্ঞাসা করেছেন যে প্রতিদিনের কর্মব্যস্তময় জীবনে যারা বিজ্ঞাপন সেবার সাথে যুক্ত তারা কি ফেসবুকের মাধ্যমে কোন মার্কেটিং পরিষেবা পেয়ে থাকেন কিনা তাদের উদ্দেশ্যে অবশ্যই বলব যে হ্যাঁ মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং করা যায়। তবে এর জন্য কিছু সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয় যার মাধ্যমে আপনার বাজার ব্যবস্থা করবে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত। আপনি যদি চান যে আপনি এই ধরনের কোন ধরনের বিষয় শুরু করবেন তাহলে আপনার ব্যবসার রিলেটেড ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন গ্রুপে খুঁজে বের করবেন এবং সেখানে আপনার বিজনেস বয়ফ্রেন্ড নিয়ে অথবা প্রোডাক্ট নিয়ে বিস্তারিত পোস্ট করতে পারেন।
কারণ এ কাজগুলোর মোবাইল দিয়ে খুব সহজেই মানুষ করে থাকে বর্তমান সময়ে আবার এটাও বলা যায় যে ফেসবুক পেজে প্রশ্ন উত্তরের একটা গ্রুপ খোলা থাকে যার কারণে আপনি সহজেই বিভিন্ন বিভাগের কমেন্ট সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন আপনার পণ্যের মান এবং পরিষেবা ঠিক আছে কিনা। আর এতে করে কম্পিউটারের তেমন কোন প্রয়োজন হয় না। আপনি সহজেই মোবাইল দিয়ে কাজগুলো করবেন উত্তর দিতে পারবেন বিভিন্ন ধরনের কমেন্ট দেখতে পারবেন ইত্যাদি।
আমার কথাগুলো শুনে অনেকে হয়তোবা এরকম মনে হতে পারে এগুলো আমি কোন বেসিক বিষয় বলছি। প্রফেশনাল লোগো ফেসবুক মার্কেটিং কোথায় শিখব কিভাবে শিখব কিভাবে অডিয়েন্সের টার্গেট করবো এর কাজের সহজে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে পৌঁছাতে পারবেন এ সমস্ত বিষয়। দেখুন বর্তমান অনলাইন পরিষেবা দিনকে দিন যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে তেমনি তা হচ্ছে আকর্ষণীয় মণ্ডিত ফেসবুক মার্কেটিং একটি বড় অংশ যদি আমি বলতে চাই তা হচ্ছে সুন্দর করে গুছিয়ে প্রোডাক্ট এর বর্ণনা করা এবং মানুষ যাতে আকৃষ্ট হয় সেদিকে নজর রাখা এ কাজগুলো করার জন্য আপনাকে বেশ কিছু পদক্ষে ফলো করা প্রয়োজন।
আমাদের সমাজে অনেকেই এমন মানুষ আছেন যারা ফেসবুকে অ্যাড ম্যানেজার চালাতে পারেন না।। যদি আপনি সঠিকভাবে অ্যাড রান করতে না পারেন তবে আপনার পেইড মার্কেটিং খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে না। আপনাকে একটা বিষয় সবসময় মাথায় রাখতে হবে যে একটি আকর্ষণের তৈরি করা প্রয়োজন এড এর মধ্য দিয়ে আকর্ষণীয় ছবি ডিজাইন করবেন আর ছবির মাঝে যতটুকু অংশ লেখা দরকার আছে ততটুকু করবেন ফেসবুক অ্যাডভার্টাইজমেন্ট টার্মস এন্ড কন্ডিশন সম্পর্কে আপনি সঠিকভাবে বাংলায় জানতে চাইলেও আপনাকে ফেসবুক মার্কেটিং এর প্রফেশনাল কোর্সগুলো করতেই হবে এ বিষয়ে কোনো ছাড় নেই।
শেষ কথা:এই ব্লগ পোস্টে ফেসবুক মার্কেটিং সংক্রান্ত সকল তথ্য শুধুমাত্র শিক্ষামূলক তথ্য প্রদানের উদ্দেশ্যে উপস্থাপন করা হয়েছে। এখানে বর্ণিত প্রিয় পেইড ফেসবুক মার্কেটিং ইন সাবস্টিটিউশন অনলাইন ইভেন্ট আয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি বাস্তব অভিজ্ঞতা গবেষণা অসাধারণ ধারণার ভিত্তিতে তৈরি করা। ফলাফল ব্যক্তি দক্ষতা পরিশ্রম এবং পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। এখন উল্লেখিত কোন আয়ের পরিমাণ নির্দিষ্ট ভাবে নিশ্চিত করা যায় না এটা সম্পূর্ণভাবে ব্যবহারকারীর কাজের ধরন দক্ষতা ও ধারাবাহিকতার উপর নির্ভর করে। তবে এ প্ল্যাটফর্ম বা ব্র্যান্ডের নাম শুধুমাত্র উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে আমরা কোন নির্দিষ্ট কোম্পানি সার্ভিসের সাথে সরাসরি যুক্ত নাই। এবং কোন ধরনের দাবি করি না। এ ব্লকের তথ্য ব্যবহার করে যে কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে নিজ দায়িত আদায় করে নেবার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। ধন্যবাদ ভাল থাকবেন সবসময়।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url