খাদ্য পুষ্টিও বাংলাদেশের খাদ্যাভাস
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে খাদ্য পুষ্টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন-পুষ্টির সংজ্ঞা,
খাদ্যের উপাদান, শর্করা, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও রাফেজ এর গুরুত্ব সহজ ভাষায় তুলে
ধরা হয়েছে।
পেজ সূচিপত্র:আমরা নিচের ব্লগ পোস্ট থেকে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে খাদ্য পুষ্টি
এবং খাদ্যাভায়ের সম্পর্কে জানব-
পুষ্টির সংজ্ঞা:পুষ্টি জীবের একটি স্বাভাবিক শারীরিকবৃত্তীয় প্রক্রিয়া যার
মাধ্যমে জীব হিসেবে সবাই খাদ্যকে গ্রহণ করে এবং পরিপাক খাদ্দসার পরিশোষণ কোষের
আত্তীকরণ দেহের বিভিন্ন ক্ষয় পূরণ বিভিন্ন রকমের বৃদ্ধি করানো ও শক্তি উৎপাদন
করে এবং যা ক্ষতিকর অংশ তাকে আদ্যাংশের নিষ্কাশন ঘটায়।
খাদ্য কাকে বলে:বর্তমান আমাদের পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের বস্তু আমরা দেখে
থাকি। একটা হচ্ছে জীব অন্যটি হচ্ছে জড় বস্তু কার্বন ডাই অক্সাইড ছাড়া কার্বনকে
মিশ্রণ করার জৈব বস্তুগুলো বুঝা যায় যেমন আমি শর্করা চর্বি নিউক্লিয় প্রোটিন
নিউক্লিক অ্যাসিড এ সমস্ত বিষয়। বস্তুগুলোর মধ্যে কিছু কিছু বস্তুকে আমরা খাদ্য
হিসেবে গ্রহণ করি যেমন আমি শর্করা ভিটামিন ইত্যাদি। বর্তমান সময় অস্বাস্থ্যকর
খাবারের পরিবেশে আমাদের অনেকের পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্ষতিপূরণ হয় না যার ফলে
বিভিন্ন রকমের সমস্যা দেখা দেয়। আমরা সেই সমস্ত জৈব উপাদানের বিভাগের গঠন ক্ষয়
পূরণ এবং শক্তি উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়। আমাদের এ বিষয়ে জানা দরকার যে খাদ্যের
প্রধান কাজ গুলো কি কি-
* খাদ্যদের ক্ষয় পূরণ এবং বৃদ্ধি করে থাকে
* খাদ্যদের তাপ এবং শক্তি উৎপাদন করে থাকে
* খাবার শরীরের ভেতরের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে শরীরকে সুস্থ সবল এবং কর্ম করে
রাখে।
আসুন আমরা জেনে নি ই বর্তমান সময়ে যেখানে প্রতিনিয়ত ভেজাল খাদ্যদ্রব্য মানুষের
জীবনে ক্ষতিকর প্রভাব বলছে সেখানে খাবারের উপাদান গুলো কি কি হওয়া প্রয়োজন।
খাবারের উপাদান গুলো: আপনি উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে বিভিন্নভাবে ভাগ করে
খেতে পারেন। অধিকাংশ মানুষ খাবার হিসেবে একাধিক উপাদানের উপস্থিতি পেয়ে থাকে
কারণ খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর গঠন হয়ে থাকে। এর রাসায়নিক বস্তুগুলোকেই
খাবারের উপাদান বলা হয় বর্তমানে কেবলমাত্র একটি উপাদান দিয়ে এমন একটি খাদ্য
খুবই কমই থাকে যেমন চিনি,সরিষার,তেল,মাছ মাংস খাবার যেখানে একাধিক খাদ্য উপাদান
এসব খাদ্যে উপস্থিত থাকে। আমাদের দেশে প্রতিবছর অনেক মানুষ ভেজাল কাব্য
খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ করার কারণে বিভিন্ন রকম সমস্যায় পড়ে থাকেন অনেকে আবার জটিল
রোগে আক্রান্ত হন। তাই যেসব খাদ্য উপাদান বেশি পরিমাণে থাকার সেসব উপাদানের খাদ্য
হিসেবে গ্রহণ করা হবে মাছ মাংস ইত্যাদি প্রধান করার জন্য আমরা এ জাতীয় খাবার
গ্রহণ করে থাকি। আমি যেমন আমাদের বৃদ্ধি এবং ক্ষয় পূরণ করে থাকে তেমনি শর্করা
শক্তি উৎপাদনের সাহায্য করে।
জীবন বাঁচাতে শর্করা: আমাদের নিত্যদিনের খাবারের বিভিন্ন উপাদান গুলোর মধ্যে
শর্করার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে।, ভাত রুটি, চিড়া, মুড়ি এ জাতীয় খাবারই
হচ্ছে শর্করা জাতীয় খাবার যেখানে হাইড্রোজেন অক্সিজেন কার্বন এ তিন ধরনের মৌলিক
উপাদান থাকে। কোন বিশিষ্ট শর্করা যা মধু আর পাকা মিষ্টি ফলের রস পাওয়া যায় আবার
করা যায়।
আমাদের দেশে মানুষের ক্ষেত্রে নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় শর্করা সাধারণত উদ্ভিদ থেকে
আসে যেমন চাল গম আলু সবজির ইত্যাদি মাছ এবং প্রাণীর যকৃত ও বৃক্ষ থেকে খুব
সামান্য পরিমাণে মানুষ শর্করা গ্রহণ করে থাকে। কারণ দেবতা এবং শক্তি সরবরাহ করা
হচ্ছে শর্করার প্রধান কাজ কারণ আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষই খেটে খাওয়া মানুষ
সহায়তা করে। আবার অতিরিক্ত শর্করা দেহে গ্লাইকোজেন হিসেবে সঞ্চয় থাকে খাদ্যে
যদি সরকার বলা হয় তাহলে গ্লাইকোজেনডের কর্মশক্তিকে উৎপাদন করে দেয় যা সরকার
আমীর ভিটামিন ও খনিজ লবনের সহায়তা করে এবং অনেক সময় দেখা যায় যে তা
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে থাকে। অনেকেই জানতে চেয়েছিলেন যে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার
ক্ষেত্রে কি ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। তাদের আমি অবশ্যই বলব যে আপনারা
শর্করা জাতীয় খাবার খান।
আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে যদি শরীরে অভাব হয় তাহলে স্নেহ জাতীয় পাদের সম্পূর্ণ
হতে পারে না। এতে করে আমাদের শরীরে এক ধরনের বিষাক্ত পদ সৃষ্টি করে যাত্রীদের
জন্মদেয়। খাদ্য যদি শর্করার অভাব থাকে তাহলে সংযত গ্লাইকোজেন সর্বশেষ সঞ্চিত
উৎপাদন করে এরপর ওজন কমতে সাহায্য করবে খোদা বেড়ে যাবে শরীরের দুর্বল হয়ে পড়বে
এবং কর্ম ক্ষমতা কমিয়ে দিবে।
খাদ্য প্রাণ ভিটামিন: বিভিন্ন প্রকার পরীক্ষার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন
যে খাদ্যে আমি শর্করার স্নেহ পদার্থ খনিজ লবণ ইত্যাদি ছাড়া আরও একটা
গুরুত্বপূর্ণ সুখ উপাদান প্রয়োজন। যার অবাক হলে শরীর সহজেই বেরিবেরি স্কয়ার
বেরিকেস রাতকানা ইত্যাদির আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয় আমরা এই সমস্ত
উপাদানকে বুঝে থাকি। ভিটামিন গুলো সরাসরি দেহ গঠন অংশগ্রহণ না করলে তাপ শক্তি
উৎপাদন ইত্যাদি ভালোভাবে করতে দেই না। মানুষের দেহের বিভিন্ন কার্যকলাপ এদের
সাহায্যে নিয়ন্ত্রিত হয় বলে ভিটামিন গুলোকে বলা হয়।
আমাদের দেশের অনেক ভিটামিন কে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন না যায় তাদের বিভিন্ন রোগে
আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয় এদের মধ্যে যাদের ভিটামিন এর অভাব দেখা
যায় তাদের মাঝে রাতকানা রোগ হবার সম্ভাবনা থাকে তাই পরামর্শ হিসেবে বলা যায় যে
ইলিশ ডিমের কুসুম ঘি মাখন যকৃত ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে খাওয়া প্রয়োজন। তাছাড়া
ফল হিসেবে পেঁপে আম ইত্যাদিতে ভিটামিন এর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় কারণ ভিটামিন
এর প্রধান কাজ হচ্ছে চোখের দৃষ্টি শক্তিকে স্বাভাবিক আকার এবং সাহায্য করবে।
আবারদের পুষ্টি এবং বৃদ্ধিতে সাহায্য করে থাকে। স্বাস্থ্য কার্ডের টেপ হিসেবে
অনেকে জানতে চেয়েছিলেন যে ভিটামিন এর অভাবজনিত রোগ হলে কি ধরনের সমস্যার তৈরি
করতে পারে। আমি সে সমস্ত ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে বলবো যে ভিটামিন এ যেমন রাতকানা
রোগের সৃষ্টি করে তেমনি ভিটামিন এর অভাবে টকসুস্কো হয়ে যায় এবং দেহে
বিভিন্ন রোগ আসতে পারে সর্দির কাশি ইন ইত্যাদি দেখা দিতে পারে।
ভিটামিন ডি বিভিন্ন মাসের তেল ডিমের কুসুম মাখন ঘি চর্বি পানি ইত্যাদিতে পাওয়া
যায় এর প্রধান কাজ হল ক্যালসিয়াম এবং পরস্পরাসের গঠিত লবণ শোষণের সাহায্য করবে
এবং তাদের কাঠামো গঠনের সাহায্য করে থাকে। আবার যদি এরা ভাব দেখে যায় এতে করে
শিশুদের রিগেট একটা রোগ তৈরি করবে যাদের হার্ট নরম করে এবং তা বৃদ্ধি হতে
দেয় না আবার গর্ভবতী মায়েদের খাওয়াতে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম না থাকলে সন্তানদের
আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বয়স্কদের জন্য অলটো ও মালেশিয়া রোগ আক্রান্ত
হয়। আমাদের দেশে যারা আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাদের ভিটামিন এ কিংবা ভিটামিন ই
জাতীয় খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন যার প্রধান উৎস হচ্ছে শাকসবজি।
ডিমের কুসুম
মটরশুটি অঙ্কিত ভোলা ইত্যাদিতে ভিটামিন ই পাওয়া যায়। আবার ভিটামিন সি
টাটকা শাকসবজি ফল বিশেষ করে টক জাতীয় ফল যেমন তরমুজ পেঁপে লেবু বাতাবি লেবু
ইত্যাদিতে পাওয়া যায়। ভিটামিন সি খেলে দাঁত এবং হাড় গঠনে পুষ্টি সাধন থাকে
রক্তে বিশুদ্ধতা এবং স্বাভাবিক অবস্থা ঠিক থাকে পাকস্থলী যেমন সুস্থ থাকে তেমনি
রোগ জীবনে থেকে তার দেহকে রক্ষা করে থাকে।
ভিটামিন সি আবার শিশুদের নানা রকম উপসর্গ দেখা যায়। দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত
পড়া শুরু করবে। বয়স্ক দের দাঁতের মাড়ি ফুলে যাবে এবং রক্ত পড়বে ক্ষতস্থাকাতে
দেরি হবে এছাড়া বিভিন্ন চর্মরোগ তৈরি করতে পারে।
দেহ গঠনে খনিজ লবণ: আমাদের শরীর গঠনে আমিষের পরে সব থেকে যে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান
প্রয়োজন তা হচ্ছে খনিজ লবণ।বর্তমান কর্মময় জীবনে অনেক গুরুত্ব দিয়ে থাকেন না
ফলে ক্যালসিয়াম,ফসফরাস,সোডিয়াম,পটাশিয়াম,সালফার,ক্লোরিন,ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি
খনিজ লবনের গুরুত্ব অপরিসীম। যদি কোনরকম আক্রান্ত ব্যক্তির প্রতিদিন এবং পরিবারের
খাদ্যেপর্যন্ত পরিমাণ সুষ্ঠ হবার চিন্তা করতে পারে বিশেষ করে খাদ্য ক্যালসিয়াম
এবং আয়োডিনো উপস্থিতি অপরিহার্য। আর এই সমস্ত জিনিস দুধ পনির ডিমের কুসুম বাদাম
বিভিন্ন ধরনের ফল শাকসবজি ডালগঞ্জ ইত্যাদিতে পাওয়া যায়। কারণ দেহ গঠনের অংশ
হিসেবে কাজ করে খাদ্যের শক্তি উৎপাদনের সাহায্য করে পেশি সংকরণ করে।
পানি ও তার অভাবের ফল:পানি আমাদের জীবনধারণের জন্য একটি অপরিহার্য প্রদান কারণ
আমাদের ৬০ থেকে ৭৫ ভাগই আছে পানি। তাই সরাসরি বা পরোক্ষভাবে খাবারের সাথে যুক্ত এ
পানি পানি দেহের দ্রাবকের কাজ করে থাকে খাদ্য সার প্রাথমিকভাবে পানিতেই দ্রবীভূত
হয় অতঃপর রক্তে চলে যায় পানির মাধ্যমে দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে
সাহায্য করে। সুস্বাস্থ্যের জন্য পানি গ্রহণ অপরিহার্য। যদিও বিষয়টিকে অনেকে
গুরুত্ব দিয়ে থাকেন না। আমাদের দেশের প্রতিবছর পানির অভাবে অনেকের বিভিন্ন রকম
কিডনির জাতীয় সমস্যা হয়ে থাকে কারণ পানির অভাব দের ভারসাম্যকে নিয়ন্ত্রণ করতে
পারেনা পাঁচকরা এবং খাদ্য রসের তরল্যায়ন হয় না অর্থাৎ বিঘ্ন ঘটে। পানির অভাব
বৃক্কের রেচন পদার্থকে নিষ্কাশনে বাধা দিয়। আবার অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যাওয়া
দেশোডিয়াম ক্যালসিয়াম পটাশিয়াম ইত্যাদির আয়তনের ভারসাম্যক নষ্ট করে ফিসি
দুর্বলতা এবং অবসাদ দেখা দেয় পানির অভাব ক্ষুধা বন্ধ তৈরি করে থাকে আমাদের দেহের
জলীয় অংশের শতকরা ১০ ভাগ বের হয়ে গেলে অবস্থা বিপদজনক হতে পারে যারা রক্ত
সংবহনের ব্যাঘাত করে খাদ্য সঠিক ভাবে হজম হয় না। কলেরা কিংবা ডায়রিয়া হলে দেহ
থেকে প্রচুর পানি বের হয়ে যায় ফলের রোগীকে তখন স্যালাইন খাওয়ানো হয়।
সুস্থতা সুষম খাবার: যে খাদ্যবস্তুর দেহের ক্যালরির চাহিদা পূরণ করে কলা কোষের
বৃদ্ধি এবং গঠনের সাহায্য করে এবং দেহের শরীর বৃত্তীয় বিভিন্ন কাজকে সুষ্ঠুভাবে
নিম্ন করতে পারে তাকে সুসংখ্যা খাবার বলা হয়। কারণ বয়স পার্থক্য দৈহিক অবস্থা
এবং শ্রমের পরিমাণ হিসেবে পুষ্টির প্রয়োজনীয় উপাদান গুলো উপযুক্ত পরিমাণে সুষম
খাদ্যের মধ্যে থাকে। দেহ গঠনে উপযোগী খাদ্য শর্করা স্নেহ, চাল, ডাল কম আলো থাকে।
শক্তি এবং তার সরবরাহ খাদ্য এবং শর্করা থাকে বিভিন্ন উপাদানগুলো থাকে।
রাফেজ জাতীয় খাবার কেন খাবেন: শস্যদানা ফল সবজির অপার্য তন্তমায় ধংস হয়েছে
রাফেজ জাতীয় খাবার ের ভেতর দিয়ে স্থানান্তরিত হয় ফল এবং সবজি রাফেজ এর নির্মিত
বলা হয়। অল্প তন্তু যুক্ত খাদ্য নালীর ভেতর দিয়ে ধীরে ধীরে যায়। এতে করে
পিন্ডের সৃষ্টি হয় এবং দা কোষ্ঠকাণ্ড তৈরি করে। ট্রাফিক যুক্ত খাবার একটি
স্ত্রিত পিণ্ড গঠন করে এতে খাদ্য বেশি ক্রমসন সঞ্চালন সহজেই এক জায়গা থেকে
অন্য জায়গায় যাই। এবার রাফেজ যুক্ত খাবার একটি দুই অভিশপ্ত বর্জ্য নিয়োগ
বস্তুকে খাদ্যনালী হতে পরিশোধন করে তখন ধারণা করা হয় খাদ্য নারীর ক্যান্সারের
আসনটাকে কমিয়ে দেই। ট্রাফিক যুক্ত খাবার স্থুল তাকে রাস করে খোদার প্রবণতা গ্রাস
করে চর্বি জমা প্রবণতা কমিয়ে দেই।
শেষ কথা: এই লেখাটির জনসচেতনতার জন্য বানানো হয়েছে। এখানে বর্ণিত খাদ্য পুষ্টি ও
স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কোনো তথ্য পেশাদার চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বিকল্প নেই।
ব্যক্তির বয়স চাহিদা শারীরিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে পুষ্টির চাহিদা ভিন্ন হতে
পারে। তাই এখানে দেওয়া তথ্য অনুসরণ করে নিজ নিজ খাদ্য তালিকা পরিবর্তন করা
ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। যদি আপনার পরিবারের কারো অপুষ্টি জনিত সমস্যা, দীর্ঘস্থায়ী
অসুস্থতা ও বিশেষ খাদ্য পরিকল্পনার দরকার হয় তাহলে অবশ্যই একজন যোগ্য চিকিৎসকের
পরামর্শ নিন। উল্লেখ্য যে এই কনটেন্ট ব্যবহার করে নেওয়া যে কোনো সিদ্ধান্তে লেখক
বা প্রকাশক দেয় না।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url