মানব কল্যাণে বিঞ্জানও কম্পিউটার

মানব সভ্যুদয় বিজ্ঞানের অবদান কি? যোগাযোগ, চিকিৎসা,শিক্ষাও আবহাওয়া ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের ভূমিকা এবং আশীর্বাদ ও অভিশাপ-এ বিষয়ে তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ।


ভূমিকা:বর্তমান যুগে বিজ্ঞানের জয়যাত্রা এক যুগান্তকারী। বিজ্ঞানের বদৌলতে মানুষ আজ চলে যাচ্ছে গ্রহ থেকে গ্রহ জগতে। বিজ্ঞান মানুষকে এনে দিয়েছে অসাধারণ গতি আর সভ্যতার জয়যাত্রাকে করেছে দ্রুত বহুমাত্রিক। আধুনিক বিজ্ঞানের বিস্ময় আবিষ্কার হল কম্পিউটার। এর অর্থ কম্পিউটারের তথ্য ও উপাত্তের বিশ্লেষণ ও তুলনা এবং যন্ত্রটির। । প্রতিষ্ঠানে এবং মানুষের কর্ম জগতে এনেছে বিপ্লবী পরিবর্তন। এখানে শুধু আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বর্তমান আইডির যুগে যারা আমরা প্রযুক্তিকে খারাপ খাতে ব্যবহার না করে এ বিষয়ে সতর্কতা মূলক হিসেবে।
পেজসূচি পত্র:এই অধ্যায় থেকে বর্তমান প্রেক্ষাপটের আলোকে আমরা যা যা জানতে পারবো-
মানব সভ্যতায় বিঞ্জান:প্রাচীনকালে মানুষ গোয়ায় বাস করত তখন তারা আসলে প্রকৃতির হাতে অসহায়। আদিম মানুষ যখন প্রথম পাথর দিয়ে হাতিয়া তৈরি করে তখন পাথর ঘষে ঘষে আগুন জ্বালাতে শুরু করে আর মানুষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি আবিষ্কার বুঝতে পারে। তারপর যুগ পাল্টেছে এবং যুগ যুগ ধরে মানুষ বিজ্ঞানকে ব্যবহার করে পুরো পৃথিবীর উপর তাদের কৃতিত্বকে বজায় রেখেছে।
বিঞ্জানের বহুমাত্রিক অবদান: মানুষের জীবনের প্রতিটি শাখা আজ বর্তমানে ইয়াই দ্বারা সমৃদ্ধ। কারণ ইআইয়ের বইপ্লবী পরিবর্তন মানুষের জীবনে এনেছে সুখ এবং স্বাচ্ছন্দ যার কারণে মানুষ সহজেই যেকোনো ধরনের তথ্য বের করতে পারছে ইনফরমেশন টেকনোলজির ক্ষেত্রে যুগান্তকারী মোর পরিবর্তনকারী হিসেবে ধরা হয়। একে আমরা মানব জীবনের সকল ক্ষেত্রে বহুমাত্রিক অবদান বলে থাকে। বিজ্ঞান এখন বিভিন্নভাবে ভাগ হয়ে বিশদভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আরও করা হবে।
যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিঞ্জান:যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান এনেছে ইনফরমেশন এবং টেকনোলজির যুগে ই আই ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ অবদান। মানুষ আবিষ্কার করেছে ট্রাক্টরসহ নানা রকম যন্ত্রপাতি আর দ্রুতগামী যানবাহন বুলেট ট্রেন যা শব্দের গতিতে চলে। আজ মানুষ পৃথিবীর এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ফেসবুক মেসেঞ্জার এর মাধ্যমে কথা বলে এবং একই সাথে ছবি ও ভিডিও ইমেজ দেখে। যা তা তথ্য ও পার্থকে যেমন সমৃদ্ধ করে অর্থাৎ মোবাইল ফোন যা সম্পূর্ণ বর্তমান 2026 সালের প্রেক্ষাপটে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আমাদের মাঝে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে নিজেকে। ইতোমধ্যে এইরকমই একটি প্রজেক্ট আমেরিকান নাসা গ্রহণ করেছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে লেনদেন হচ্ছে কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্যাবলী। এক কথায় এই প্রযুক্তি সারা বিশ্বকে মানুষের হাতের মুঠো এনে দিয়েছে আর যোগাযোগ ব্যবস্থা কে করেছে আগের থেকে অনেক বেশি দ্রুতগামী
চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিঞ্জান:বর্তমান ২০২৬ সালে এসে মানুষ চিকিৎসা বিজ্ঞানের অনেক সাফল্য দেখতে সক্ষম হচ্ছে। এখন মানুষ এ আইটেকনোলজি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একজনের মাথা অন্য জনের শরীরে স্থাপন করার মত দুঃসাহসুটি এগিয়ে থাকছে। যা চিকিৎসা শাস্ত্রে শুধুমাত্র বই পড়লাম পরিবর্তনে না ১০০ বছরের মধ্যে মানুষ তাদের বাচ্চাদের নিয়ে পছন্দ মতো গায়ের রং এবং জিনগত সমস্যা সমাধান করতে পারবেন। আবার জন্ম-পূর্বক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বড় রকমের সাফল্য দেখাতে সক্ষম হয়েছে। জিন প্রতিস্থাপন চিকিৎসা প্রয়োগের ক্ষেত্রে এক বিশাল সম্ভাবনা হাজির হয়েছে। চোখের কর্নিয়া থেকে শুরু করে যকৃতের মধ্যে অঙ্গ প্রতিস্থাপন ভাবনীয় সাফল্য বর্তমান চিকিৎসা বিজ্ঞানে ব্যবহার হচ্ছে লেজার রোশনি মানবদেহের ভেতরে থাকা ফুসফুস পাকস্থলীর শিরা ধমনী ইত্যাদির অবস্থানযন্ত্রের মাধ্যমে অবতরণ করে নির্ভুল রোগ নির্ণয় করে দিয়ে থাকছে। অতি কম্পনসিল শব্দ কাজে লাগিয়ে চিকিৎসা বিপ্লবের পরিবর্তন এনেছে এর ফলে শরীরের অভ্যন্তরে অবস্থান করা এর সফল প্রয়োগ করছে। একজন মানুষ হিসেবে আপনি যদি চান আপদকালীন সময় কোন ডাক্তার আপনার জন্য ভালো হবে তবে সহজেই তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আপনি গোটা পৃথিবীর যেই কোন ডাক্তার সম্পর্কে সম্পন্ন তথ্য নিজের কম্পিউটার স্ক্রিনে দেখতে পাবেন এবং প্রয়োজনে তার সাথে সরাসরি ভিডিও চ্যাটের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারবেন। কম্পিউটার প্রযুক্তি চিকিৎসা বিজ্ঞান কে এনে দিয়েছে সর্বাধুনিক পর্যায় যার মাধ্যমে ছবি তুলে রোগ নির্ণয় সম্ভব হচ্ছে।
কম্পিউটার আবিষ্কার:বর্তমান সময় আমরা কম্পিউটার ছাড়া এক মুহূর্ত কল্পনা করতে পারি না। কারণ আধুনিক কম্পিউটারের জনক ব্রিটিশ গণিত চার্লস ব্যাবেজ। পাঁচটি অংশের বিভক্ত আধুনিক কম্পিউটারের গঠন কৌশল এবং আবিষ্কারের একটিতে ১৯৫২ সালে আমেরিকান বিজ্ঞানী জন ডন নিউম্যানের পরিকল্পনার মধ্যে ইলেকট্রনিক অটোমেটিক ক্যালকুলেটর আধুনিক কম্পিউটারের ধারণাকে বেশ বিস্তৃত করেছে। ১৯৫৪ সালে থেকে 1964 সাল পর্যন্ত কম্পিউটার তৈরির কাজ ধাপে ধাপে এগিয়ে চলে যা বর্তমানে আমাদের ২০২৬ সালের সুপারসনিক সুপার কম্পিউটার নিয়েছে।
কম্পিউটার ব্যবহার:মানব জীবন কম্পিউটারের নানা ক্ষেত্রে দৈনন্দিন নিত্যদিনের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে বর্তমান যুগে কম্পিউটার শুধু ব্যবসা-বাণিজ্য এবং হিসাব নিকাশি করে থাকে না বরং তা অনলাইন প্লাটফর্মের এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে। নির্ভুলভাবে বলতে গেলে চোখের পলকে। কম্পিউটারের সাহায্যে জটিল হিসাব নিরূপণ করা হচ্ছে। বর্তমানে সর্বাধিক কলকারখানা ও পারমানবিক চুল্লি নিয়ন্ত্রিত হয় এ আই কম্পিউটারের সাহায্যে চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটারের সূচনা করেছেন নতুন যুগের এর সাহায্যে রোগ নির্ভুলভাবে নিরূপণ করা এবং বিস্ময় ও অবমাননীয় দিক দিগন্তর এনে দিচ্ছে। তাছাড়া বহুতলা ভবন নির্মাণ বিমান বহু বড় বড় কাজের জটিল নকশা এ আই কম্পিউটারের মাধ্যমে করা হচ্ছে।
বড় বড় শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে এ আই কম্পিউটারের মাধ্যমে। বিমান ও রেলের যোগাযোগ ব্যবস্থা সংরক্ষণ ও অনলাইন টিকিট বিক্রি তে দিনকে দিন তার কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কম্পিউটারের সাহায্যে বর্তমানে বইপুস্তক ও পত্রপত্রিকা সহজে কম মুদ্রণের কাজ নির্ভুল ও দ্রুত সাথে সম্পন্ন করা হচ্ছে। পরীক্ষার প্রশ্ন প্রশ্নপত্র মূল্যায়ন নৈব্যক্তিক উত্তরপত্র ও ফলাফল তৈরি কাজ কম্পিউটার পালন করে থাকে। কম্পিউটার খেলার জগতো এনেছে দক্ষতা কম্পিউটারের মাধ্যমে নানা রকম খেলা বিশেষ করে বর্তমানে প্রচলিত রয়েছে যার মাধ্যমে নানারকম ভিডিও গেম তৈরি হচ্ছে। অর্জন করেছে।
কম্পিউটারও বেকার সমস্যা:কম্পিউটার মানুষের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে অনেক কাজ বিশেষ করে এআইভিত্তিক কম্পিউটার গুলি। বহু লোকের কাজ একা করার কারখানা সহ বিভিন্ন কর্মক্ষেত্র বসানো হয়েছে কম্পিউটার ব্যবস্থা। এর ফলে নিয়োগ কমিশনে বেকারত্ব বেড়েছে আর আমাদের দেশের মতো জনবহুল উন্নয়নশীল দেশে অর্থনৈতিক কর্মসংস্থানের মাধ্যমে কম্পিউটার শিক্ষা সুযোগ বৃদ্ধি এ সমস্যার সমাধান করা যায় যা বিষয়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
আবহাওয়া ক্ষেত্রে বিঞ্জান:আবহাওয়া ক্ষেত্রে বিজ্ঞান এনেছে যুগান্তকারী পরিবর্তন। আবহাওয়ার খবরা-খবর বের করতে গিয়ে বিজ্ঞান তার প্রচন্ড ক্ষমতার পরিচয় দেখা আছে এখন সাত আট দিন আগে থেকে আবহাওয়ার পূর্বভাস জানিয়ে আসন্ন ঘূর্ণিঝড়ের মত সমস্যা থেকে জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে তাছাড়া কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে খনিজ গ্যাসের উৎস মাটির উপাদান সম্পদ সম্পর্কে জানা যাচ্ছে জানা যাচ্ছে পঙ্গপালের আশঙ্কা ও আক্রমণ সম্পর্কেও।

শিক্ষা ক্ষেত্রে বিঞ্জান:শিক্ষা ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অবদান রয়েছে। বিশেষ করে বর্তমান মাল্টিমিডিয়া ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থায় এয়াই প্রযুক্তি নির্ভর অবস্থানের কারণে যেকোনো সমস্যার সমাধানের চ্যাট জিবিটির মাধ্যমে অজানা বিষয় জানা সম্ভব হচ্ছে। শিক্ষার প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো প্রায় সবই এর মধ্যে থাকে বর্তমানে বিজ্ঞান শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিক উন্নত করা হয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান প্রচারের মাধ্যমে।

বিঞ্জান আশীর্বাদ না অভিশাপ:বিজ্ঞান মানবসভায় উন্নতির সবথেকে বড় হাতিয়ার। কিন্তু তাই বলে বিজ্ঞান শুধু মানুষের উপকারই করে না বরং স্বয়ংক্রিয় বৈজ্ঞানিক যন্ত্র মানুষের কাজ সম্পাদন শুরু করার পর পরই অসংখ্য মানুষ বের করে পরিণত হয়েছে। আজ যন্ত্র শিল্প বড় বড় কসল্প কারখানা ও মোটর গাড়ি ও যন্ত্রপাতি বৈজ্ঞানিক গবেষণার ব্যবহৃত বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পারমানবিক পদার্থ অনেক সময় পরিবেশ মানুষের ক্ষতি করছে। যার উৎকৃষ্ট উদাহরণ সূরা নাবিলের পারমাণবিক বিস্ফোরণ। পরিবেশ দূষণের ফলে পৃথিবীর উত্তাপ বাড়ছে তার সাথে মেরু এলাকার বরফগুলো দ্রুত গলা শুরু করেছে। মানুষ বিজ্ঞানের অপব্যবহার দেখে চমকে উঠেছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা বিস্তারিত হয়। পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে আজও মানুষ নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে।

কম্পিউটার ও বেকার সমস্যা:দৈনন্দিন জীবনে যেমন বিজ্ঞান মানুষকে এদেশে স্বাচ্ছন্দ্য তেমনি এনে দিয়েছে তার আত্মকেন্দ্রিক জীবন যাত্রা যার প্রভাব পড়েছে কম্পিউটার উপরে। কম্পিউটার মানুষের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে এসে অনেক কাজ বহু লোকের কাজ একা করে কল কারখানা সহ বিভিন্ন কর্মক্ষেত্র বসানো স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র যার ফলে নিয়োগ গণেশের বেকারত্ব বেড়েছে। আমাদের দেশের মতো জনবহুল উন্নয়নশীল দেশে অর্থনৈতিক সঞ্চয় ও বহুমুখী কর্মসংস্থানের দিক বিবেচনায় রেখে কম্পিউটার ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে যার নয় এসে এই প্রযুক্তি বহু কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও কম্পিউটার শিক্ষা সুযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।

শেষকথা:কম্পিউটার ও বিজ্ঞান আধুনিক বিজ্ঞান জগতের এক উদ্ভাবনী উদ্ভাবন। তাই মানুষ বেকার করলেও বা বিস্ময়কর কর্ম ক্ষমতা মানুষকে জয় করে আমাদের দেশীয় কম্পিউটার স্বাগত জানিয়েছে সেদিন বেশি দূরে নয় যদি অধিকাংশ মানুষ কম্পিউটার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে বরঞ্চ এ কথাটি বলা ভুল। আজ দেশের প্রত্যেকটি সেক্টরে কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে তাই বিজ্ঞানের আলোকে মানবজীবন আলোকিত করতে বিজ্ঞানের সচেতন হয়ে বিজ্ঞানকে কাজে লাগাতে পারলে জীবন সোনালী অধ্যায় সূচনা করতে পারবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Shahiduzzaman Rahman
Shahiduzzaman Rahman
আমি শহিদুজ্জামান, একজন ডিজিটাল মার্কেটর। “শহিদুজ্জামান আইটি একটি তথ্যবহুল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে অনলাইন ইনকাম এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কনটেন্ট শেয়ার করা হয়।