জ্বালানি ব্যবহার
জীবাংশু জ্বালানি, কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ও বায়োগ্যাস সম্পর্কে
বিস্তারিত আলোচনা, ব্যবহার চাহিদা ও সংরক্ষণ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটের সহজ
ভাবে জানুন।
পেজসূচিপত্র:আমরা এখানে বর্তমান সময় অনুসারে জ্বালানি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করবো
যা
জীবাশ্ম জ্বালনি কেন দরকার: দীপাংশু জ্বালানি আবাদের জীবন এবং পরিবেশের
গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কোটি কোটি বছর আগে জীবজন্তু প্রচন্ড ভূমিকম্প বা কোন প্রাকৃতিক
বিপর্যয়ের কারণে অথবা অন্য কোন কারণে মাটি চাপা পড়ে। এদের দেহা বসের জীবিকাংশ
এবং জীবাংশ কঠিন যা তরল আকারে খনি থেকে তুলে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়
এদের বংশধরানি বলে।
কয়লা উত্তলন: কয়লা যাকে আমরা ব্ল্যাক ডায়মন্ড হিসেবে চিনে থাকে। ব্রিটিশদের
সময় কয়লার ব্যাপক চাহিদা ছিল।। কোটি কোটি বছর আগে ভূপৃষ্ঠে যে গাছপাড়া গুলো
জন্মেছিল সেগুলো মরে প্রাপ্ত হয়েছে এদের দেয়া বাসেস কাদাফলি ইত্যাদি সাথে
মিশিয়ে স্তরে জমা হয়েছে ভূমিকম্প বা অন্য কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয় এর কারণে
কয়লার বিশুদ্ধ কার্বনের পরিণত হয়েছে। বর্তমান তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে এই
কয়লা জ্বালানি হিসেবে ব্যাপক ব্যবহৃত হচ্ছে।
খনিজ তেলও উৎপাদন: বর্তমান আধুনিক যন্ত্র সভ্যতার যুগে খনিজ তেল ছাড়া কোন
কার্যক্রম কল্পনা করা যায় না। বৈজ্ঞানিক অনুমান করেন যে প্রাণী এবং উদ্ভিদের
কাদা এবং বালিতে বেশ গভীরে ঢাকা পড়লে ভেতরের প্রচন্ড সকল পদার্থের জৈব বিধ্বংসী
একটা পতন ঘটে হলে পেট্রোলিয়াম কিংবা কোনো খনিজ তেল উৎপন্ন হয়। যে খনিজ তেল আমরা
বিভিন্ন যন্ত্র বিশেষ করে বাস টা কারে ব্যবহার করে থাকে রূপান্তরিত করে। মাটির
ভেতরের গঠন পরিবর্তনের কারণে পেট্রোলিয়াম জমা হয় কখনো কখনো পানির উপরে তেল ভেসে
থাকে। মাটির ভেতরে ভাগের এই গঠনকে অস্তিত্ব জানার জন্য বিভিন্ন রকম পরীক্ষা করেন।
বর্তমানে তেলের দাম বাড়তি হওয়ার কারণে অনেকে আবার মনে করেন আমাদের আমদানি
নির্ভর তেলের বিশ্ববাজার কোথা থেকে আসে। একটা ধারণা গ্রহণ করেন। প্রাথমিক
পরীক্ষার ফলাফলের পর বিশেষভাবে পরীক্ষা করা হয।
বাংলায় প্রাকৃতিক গ্যাস: বাংলাদেশ বর্তমানে একটি ছোট এবং তৃতীয় বিশ্বের একটি
উন্নয়নশীল দেশ। এর সমুদ্রসীমায় অর্থাৎ বঙ্গোপসাগর এলাকায় প্রচুর পরিমাণে
প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ আছে বলে বৈজ্ঞানিকরা অনুমান করেন। বর্তমানে হরিপুর
বাখরাবাদ ও তিতাস গ্যাস থেকে গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে এবং দেশে চাহিদা পূরণে ব্যাপক
ভূমিকা পালন করছে। অনেক দেশের তরল গ্যাস সিলিন্ডারে ভর্তি করে বাজারজাত করা হয়।
প্রাকৃতিক গ্যাসের যাবতীয় জৈবিক পদার্থকে আমরা দুই ভাগে ব্যবহার করে থাকি জৈব
এবং অজৈব যৌগ সকল জৈব যৌগ কার্বন থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস ও তেল থেকে এগুলো কার্বন
এবং হাইড্রোজেনের বিভিন্ন অনুপাতে মিশরের ফলে গঠিত হয় জলাভূমিতে অন্ধকার রাতে
আমরা আলেয়া দেখে ভয় পায় ভূত বলে থাকে। আসলে সেটা কোন ভূত থাকে না। তো মিথেন
গ্যাসের রূপান্তর হয়ে অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে জ্বলে ওঠে। আমার কাছে অনেকে
জানতে চেয়েছেন বর্তমানে বাংলাদেশে জ্বালানি শংকরের কারণে মূলত খনিজ তেল কোথা
থেকে আসে।
প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার: ভূতাত্ত্বিক জরিপ থেকে গ্যাসের খনির সন্ধান করা হয়।
কোথাও গ্যাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেলে ক্ষরণ করে মাটির গভীরে পায়ে বসিয়ে গ্যাস
উত্তোলন করা হয় এটি একটি প্রকৌশলিক প্রক্রিয়া গ্যাসের সরবরাহের জন্য পাইপ শাখা
পাইপ বসি অনেকদূর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয় কোন স্থানের বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার
এখানে হয়ে থাকে। বর্তমান 2026 সালের প্রেক্ষাপট অনুসারে প্রাকৃতিক গ্যাস আমাদের
জন্য অমূল্য সম্পদ। কারণ বর্তমান সময়ে ইরান এবং ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধের কারণে
জ্বালানির সংকট ক্রমিক তীব্রত হতে পারে। সেই ক্ষেত্রে দেশের চাহিদা পূরণে
প্রাকৃতিক গ্যাস একটি নির্ভরযোগ্য এবং সস্তা মাধ্যম হিসেবে মনে করা হয়। আমাদের
দেশে প্রায় ১৮ কোটির উপরে মানুষ বসবাস করে যাদের জালালী থেকে শুরু করে
বিভিন্ন কলকারখানায় চাহিদা থেকে শুরু করে রান্নাবান্নার কাজে বছরে প্রায় 9 কোটি
90 লক্ষ টন জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। এইসব গ্যাসের বেশিরভাগই রপ্তানি করতে হয়।
বিশেষ করে পেট্রোলিয়াম হিসেবে পেট্রোল ডিজেল সম্পূর্ণ আমদানি নির্ভর। কিন্তু
তারপরেও রান্না বানানোর কাজে বিভিন্ন পজিশনে পদার্থ ব্যবহার করা হয় যা
নির্ভরযোগ্য এবং মাটির উর্বরতা বাড়ায়। । কিন্তু রান্নার কাজে জ্বালা নিয়ে
ফেরার মাটির উবাদ হ্রাস পায় একটা সমীক্ষায় দেখা গেছে যে আমাদের বন্ধু প্রবন্ধ
দেশ চিনে জমিতে জৈব আবর্তক চক্র পঁয়ষট্টি শতাংশ কিন্তু আমাদের বাংলাদেশের পরিমাণ
13 শতাংশ।
রান্নার কাজে প্রচলিত জ্বালানি হিসেবে কাঠের ব্যবহার সর্বাধিক। কারণ এখনো অনেক
জায়গায় প্রাকৃতিক গ্যাস পৌঁছায়নি। আর যা সিলিন্ডারে করে দেয়া হয় তা বেশ ভাই
বহুল যা সকলের পক্ষে কিনা সম্ভব হয় না।। তবে আমাদের গ্রামপ্রবণ দেশে রান্নার
কাজে জ্বালানি হিসেবে কাঠের ব্যবহার সব থেকে বেশি করা হয় ফলে শুধু দেশের বণিক
সম্পদের ধ্বংস হয় না আমাদের আবহাওয়াতেও একটা বড় ধরনের দেখা যায় এই সকল বিষয়ে
বিবেচনা করে বিকল্প উৎস সন্ধান করে যাচ্ছে অবিরত। এর মধ্যে বায়োগ্যাস
প্রযুক্তি এবং সৌরশক্তি বেশ লাভজনক হিসেবে ধরা হয়েছে। সমুদ্র হিসেবে এবং
বায়ুপ্রবেশ শক্তির এক বিরাট উৎস হিসেবে দেখা দিয়েছে।
সস্তা হিসেবে বায়োগ্যাস: আমাদের বর্তমান বাংলাদেশের শতকরা 90% জ্বালানি আসে হর
মুদ্রণালী দিয়ে। যা বর্তমান ইরান যুদ্ধের কারণে প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণের সরকার
বেশ ব্যর্থ হচ্ছে অর্থাৎ পথটি এখন বেশ রিস্কি হয়ে গেছে। ফলে মানুষ দিন দিন তাদের
কাঙ্খিত চাহিদা বিশেষ করে বাসা বাড়ির কাঙ্খিত চাহিদা পূরণের জন্য মানুষ
বায়োগ্যাসের দিকে পড়ছে কারণ এতে করে মানুষ হাতের মুঠোয় কম খরচে তাদের গ্যাসের
শতকরা ৮০ শতাংশ চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হচ্ছে। এবং সিএনজি গ্যাসের উর্ধ্বগতির
কারণে মানুষ নিজেদেরকে এর মাধ্যমে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। আমার কাছে অনেকে
জানতে চেয়েছেন এর ফলাফল কেমন হতে পারে? তাদের উদ্দেশ্যে একটি কথাই বলবো যাক
বায়ো গ্যাস নবায়নযোগ্য এবং এর ব্যবহার খরচও কম।
বাংলাদেশে জ্বালনি চাহিদা: আমাদের বর্তমান বাংলাদেশে জ্বালানির চাহিদা দিন দিন
বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ আমাদের দেশের শতকরা ৯০ শতাংশ জ্বালানি বাইরের দেশ থেকে
আমদানি করতে হয়। এ বিপুল পরিমাণ জ্বালানির চাহিদা পূরণ করতে সরকারকে প্রচুর
পরিমানে ভর্তুকি দিতে হয় প্রতিবছর। বর্তমান সময়ে ইরান যুদ্ধের কারণে জালানের
চাহিদা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এতে করে সরকার তার পর্যাপ্ত জ্বালানির চাহিদা
পূরণের ব্যর্থ হয়। বাংলাদেশ যদিও বলা হয়ে থাকে যে জ্বালানি সংকট নেই তারপরেও
বিশেষ করে পেট্রোল এবং ডিজেল প্রয়োজনের তুলনায় গ্রাহকরা বর্তমানে পাচ্ছেন না।
ফলে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন গুলোতে ঘন্টার পর ঘন্টা সকলকে পার করতে হচ্ছে। যা
শুধুমাত্র সময় অপচয় নয় বরং আর্থিক একটি অপচয় এখানে প্রকা টাকা ধারণ করেছে।
বর্তমান বাংলাদেশে ২০২৬ সালে গ্রাহকের চাহিদার উপর সামঞ্জস্য রেখে এবং দেশে যাতে
মুদ্রা ইসপিতি না শুরু হয় এ বিষয়ে আমাদের দেশের সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
গ্রহণ করা উচিত।
সংরক্ষনের প্রয়ােজনীয়তা: বায়োগ্যাস প্রযুক্তির শহর এবং নগর জীবনের অনেক
পার্থক্যকে কমিয়ে আনছে। বর্তমান এআই এবং হাইটেক টেকনোলজিযুগেও গ্রামীণ
বাড়িগুলোতে বায়ো গ্যাসের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং উল্লেখযোগ্য ঘরে
ফলাফল আসছে। জৈব গ্যাস উপাদানের অর্থাৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা করতে পারলে টিভি
চালানোর এখন মানুষ নিজস্ব হাতের মুঠোয় পেয়ে যাচ্ছে। এই প্রযুক্তি গ্রহণ করে
প্রাকৃতিক এবংবনজ সম্পদের ওপরে চাপ কমছে। বর্তমানে ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটের উপর
ভিত্তি করে জমির উর্বরতা সংরক্ষণ এবং অধিক ফলন পাওয়া যাবে এবং সর্বোপরি আমাদের
পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর সুস্থ পরিবেশ পরিচ্ছন্ন হিসেবে রেখে দিতে
পারি। সুতরাং বায়োগ্যাস প্রযুক্তি গ্রহণ করলে সম্প্রসারণ করলে সংরক্ষণ করলে তা
আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুষ্ঠুভাবে তা ব্যবহার করতে পারবে বলে আশা করা যায়।
শেষকথা: এই কনটেন্ট কোন ধরনের পেশাদার প্রকৌশল, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ বা নীতি
নির্ধারণের পরামর্শের বিকল্প নেই। জ্বালানি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এবং প্রযুক্তি
ব্যবহারের আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে পরামর্শ করা উচিত। বিশ্ববাজার
রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের কারণে জ্বালানির তথ্য সময়ের সাথে
পরিবর্তন হতে পারে। তাই উল্লেখিত তথ্যের উপর ভিত্তি করে কোন প্রকারের
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করা উচিত।
তাই এই লেখা ব্যবহার করে কেউ কোন প্রকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে লেখক বা প্রকাশক
দায়ী হবে না।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url