বাংলাদেশে থাইরয়েড রোগ বর্তমান কারন ও অবস্থা

থাইরয়েড কি এর লক্ষণ কারণ প্রকারভেদ খাদ্য তালিকা পরিক্ষা পদ্ধতি জীবন যাপন ও চিকিৎসকের পরামর্শ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন। থাইরয়েড রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল বিষয়গুলো করণীয়তা সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে।


পেজ সূচিপত্র:এই পোষ্টটি থেকে আমরা থাইরয়েড রোগ সম্পর্কে একটা ভারো ধারনা নিতে পারবো-
থাইরয়েড কী:থাইরয়েড রোগ হল আমাদের গলায় অবস্থিত প্রজাপতির মত আকৃতি বিশিষ্ট গ্রন্থী থাইরয়েড হরমোন কম কিংবা বেশি উৎপাদন হয়। এ সমস্যা শরীলে ওজন শক্তি হার্ট রেট কে প্রভাবিত করে। সাধারণত দুই ধরনের সমস্যা আমাদের হয়ে থাকে। হরমোন কম হলে হাইপোথাইড আর হরমোন বেশি হলে।বর্তমান বাংলাদেশ থাইরয়েড রোগের সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের সক্ষমতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
থাইরয়েড রোগের প্রকারভেদ:যেখানে গলায় প্রজাপতি আকৃতির গন্ধি যা হরমোন উৎপাদন করতে পারে না।
হাইপার্থারাইডিজম:এটি একটি অটো ইউনি য়ন সিস্টেম যা অ্যান্টিবডি তৈরি করে আপনার থার্ড গ্রন্থিকে জাগ্রত করে। যাt4 অতিরিক্ত উৎপাদনের দিকে নিয়ে যায়। এই রোগ সাইড বছরের বেশি বয়স হলে হয়ে থাকে। তবে থাইরয়েড রোগের সাথে বয়সের কোন পার্থক্য থাকে না অর্থাৎ সতর্কতার অভাবে যেকোনো বয়সের মানুষকে এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। আপনি যদি মহিলা মানুষ হয়ে থাকেন এবং গর্ভবতীর হন তাহলে হাইপার থাইরয়েড হলে কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। হাইপার থাইরাইডিজম হলে কিছু উপসর্গ আমরা দেখে থাকি-

* যেমন দ্রুত স্পন্দন কাঁপতে থাকবে।
* বেশি খাবার পরেও মনে হবে ওজন কমে যাচ্ছে
* হঠাৎ মেজাজ খারাপ হবে এবং ঘুমাতে পারবে না
* শরীরে প্রচুর ঘাম হবে ও গরম লাগবে
* বেশি বার বাথরুম যাবার প্রয়োজন হতে পারে

তবে এই কথা বলা যায় যে পুরুষদের তুলনায় নারীরা বেশি এই রোগের ঝুঁকিতে থাকে আবার যাদের পরিবারে এই রোগ আছে কিংবা যারা বেশি পরিমাণে ধূমপান করেন তারা থাইরয়েড রোগে আক্রান্ত হওয়ার চান্সে থাকেন।
থাইরয়েডের খাদ্য তালিকা:থাইরয়েড রোগ হলে একজন রোগীকে খুব সতর্কতার সাথে তারা খাবার নিয়ন্ত্রণের সাথে খাওয়া উচিত। আমরা থাইরয়েডের খাবার খেয়ে দুই ভাগে ভাগ করে থাকে। অর্থাৎ কোন খাবার খাওয়া যাবে এবং কোন খাবার খাওয়া যাবেনা নিচে এ বিষয়ে কিছুটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব।
থাইরয়েড রোগীর কোন খাবার খাওয়া উচিত-ব্রাজিলিয়ান বাদাম সূর্যমুখীর বীজ, আবার যেই সব খাবারে অতিরিক্ত পরিমাণে জিঙ্ক থাকে এই সমস্ত খাবার তার জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ। আমাদের দেশে প্রায় প্রতিটি ঘরেই ডিম জাতীয় খাবার বেশি পাওয়া যায় তাই থাইরয়েড রোগীর উচিত ডিম এবং চর্বিবিহীন মাংস এবং তার সাথে ডাল জাতীয় খাবার প্রচুর পরিমাণে গ্রহণ করা। কারণ এতে প্রচুর প্রোটিন থাকে যা তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অনেক অংশ বাড়িয়ে দিতে পারে। বাংলাদেশের অনেক মানুষ তাদের নিয়মিত খাবারের মধ্যে ঝিনুক ও শিম রাখেন যাতে থাইরয়েডের জন্য প্রতি সেদক হিসেবেও কাজ করে। তবে এটুকু বলা যায় যে রোগীকে সবসময় সতর্ক এবং সচেতন থাকা জরুরি।
থাইরয়েড রোগীর কোন ধরনের খাবার গ্রহণ করা উচিত না সে বিষয়ে কিছুটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করছে-থাইরয়েড সমস্যা হলে বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েডিজম হলে ফুলকপি, বাঁধাকপি বা মিষ্টি আলো এই জাতীয় খাবার বর্জন করতে বলা হয়েছে। কারণ এতে গয়ট্রোজেন থাকে। অতিরিক্ত চিনি জাতীয় খাবার বিপাক ক্রিয়াতে সমস্যা আনতে পারে তাই মিষ্টি জাতীয় খাবার নিষেধ আছে। কফি বা চায়ের মত পানীয় থাইরয়েডের ওষুধের কার্যকারিতা কমিয়ে আনতে পারে। তাই ওষুধ সেবনের ৩০ থেকে ৬০ মিনিট পর চা বা কফি খাওয়া উচিত। আমাদের দেশে আয়োডিনযুক্ত লবণ কম খেতে হয় তাই সামুদ্রিক মাছ ও ডিমের কুসুম কম খাবেন।
থাইরয়েড রোগের লক্ষণ: প্রতিটি রোগের নির্দিষ্ট কিছু লক্ষণ থাকে যা দেখে আমরা সহজে চিনতে পারি রোগীকে, তেমনি থাইরয়েড রোগে আক্রান্ত হওয়ারও কিছু লক্ষণ দেখে তা বুঝা যায়। নিম্নে সেই লক্ষণগুলো সম্পর্কে দেওয়া হল যাতে আপনি এই বিষয়টি পড়ে সহজে থাইরয়েড সম্পর্কে জানতে পারেন।

1. রুক্ষ ও শুষ্ক চুল
2. ভুলে যাওয়ার প্রবণতা
3. বিষন্নতায় ভোগা
4. দ্রুত চুল পড়া ও বৃদ্ধ লাগা
5. মহিলাদের মাসিকের প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়া
6. বেশি ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে
7. বেশিতে বাধা পড়ছে মনে হওয়া
8. শারীরিক দুর্বলতা অনুভূত হওয়া
9. হঠাৎ মনে হবে যেন ওজন বৃদ্ধি পেয়েছে।

থাইরয়েড রোগের কারণ: থাইরয়েড রোগ হলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় বেশ খারাপ প্রভাব পড়ে থাকে। অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। । এই রোগ হলে তা আপনার জীবনকে পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে নিম্নে এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব।
✅গলগন্ড: মানব দেহে আয়োডিনের অভাব হলে থাইরয়েড গ্রন্থির সঠিক হরমোন উৎপাদন করতে পারেনা। ফলে তা আয়োডিন আটকে রাখে এবং আটকে রাখা সে গ্রন্থটি বড় হয়ে যায় আয়োডিন একটি রাসায়নিক পদার্থ যা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে অনেকাংশে সাহায্য করে। অটো ইউনিয়ন রোগ হলে এমন এক ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা যা মূলত থাইরয়েডের কারণে হয়ে থাকে এবং তা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে নষ্ট করে।কারণ যেখানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাশে ক্ষতিকর মনে করে এবং তাকে আক্রমণ করে বসে।

বংশগত কিছু কারণ আমাদের দেশে সহজেই দেখা যায় জাস্ট থাইরয়েড রোগের কারণে হয়ে থাকে। এক মেডিকেল গবেষণা দেখা গেছে যে থাইরয়েড রোগে যারা আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাদের ৯০ শতাংশ কারণ হচ্ছে বংশগত। অর্থাৎ এখানে বংশগত কারণ গুরুতর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে থাকে যদি আপনার পরিবারের কোন আত্মীয়-স্বজন অর্থাৎ মা বাবা ভাই বোন এনাদের মাঝে থাইরয়েড কখনো হয়ে থাকে তবে আপনি ও থাইরয়েড রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আসেন। তবে বংশগত কারণ মানে এটা নয় যে তা অনিবার্য অর্থাৎ হতেই হবে। তবে এটা শিশুদের ক্ষেত্রে বেশি হয়ে থাকে। জন্মগত বা জন্মগ্রহণ করা প্রতি ১০০ জনে ১৫ জন শিশুর মধ্যেই এই রোগ দেখা যায়।

থাইরয়েড ও প্রজনন সমস্যা: বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশের প্রেক্ষাপটে বলা যায়, গর্ভবতী মায়েরা শতকরা ৫০ ভাগই থাইরয়েড রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। গর্ভধারণের এগারো সপ্তাহ থেকে ব্রণের গ্রন্থির কাজ শুরু হয়। তাই সেই সময় থেকে শিশুর ৩ বছর বয়স পর্যন্ত মা ও শিশুর যথেষ্ট পরিবারে আয়োডিনযুক্ত খাবার গ্রহণ করা অত্যাবশ্যকীয়। আইডির না পেলে শিশুর মানসিক বিকাশ বাধা গ্রস্থ হতে পারে। আমাদের দেশের বেশিরভাগ পরিবার গরিব এবং অসচেতন হবার কারণে তাদের সন্তান সম্ভাবনা স্ত্রীকে সহজে পুষ্টিকর খাবার দেওয়া থেকে দূরে থাকেন যা মোটেও ঠিক না। আবার সন্তান সম্ভাবনা মায়ের আয়োডিন অভাব হলে তার গর্ভের সন্তান মারা যেতে পারে এমনকি গর্ভপাত হওয়ার চান্স থাকে। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে হরমোন জনিত ভারসাম্যহীনতায় তাদেরকে বন্ধুত্বের দিকে নিয়ে যায়। আপনি সেই ঝুঁকিতে নেই তো-

📌 পরিবারের কারো থাইরয়েড জনিত সমস্যা থাকলে
📌 অদিতে যারা থাইরয়েডের চিকিৎসা নিয়েছেন
📌 বা যারা হঠাৎ করে কারণে অসচেতনতার কারণে থাইরয়েড আক্রান্ত হয়েছেন

থাইরয়েড পরীক্ষা কিভাবে করা হয়:TSH থাইরয়েড ব্যথি সনাক্ত করা একটি চ্যালেঞ্জের মত। থাইরয়েড রোগের পরীক্ষা করা হয় রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে। একজন ডাক্তার জীবাণুমুক্ত সই ব্যবহার করে আপনার হাতের শিরা থেকে রক্ত সংগ্রহ করেন সেই রক্ত ল্যাবে পাঠানো হয় পরীক্ষা করার জন্য যেখানে থাইরয়েড উত্তেজক হরমোন T4 ও T3 মাপা হয়। এর ফলাফল সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পাওয়া যায় তবে থাইরয়েডের স্বাভাবিক মাত্রা সম্পর্কে আরো কিছু বিস্তারিত নিচে দেওয়া হল কারণ থাইরয়েড ফাংশন পরীক্ষা করতে ল্যাবগুলোতে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় যদিও এতে কোন আদর্শ মান পাওয়া যায় না তবুও এর কিছু স্বাভাবিক পরিসীমা আছে। যেমন:

√অকাল শিশুদেরTSH মাত্রা(28-36) সপ্তাহে
 7-26mli
শিশুদের স্বাভাবিক TSH স্তর জন্ম থেকে  ৪ দিন38mlu
21 সপ্তাহ থেকে 20 বছর0.7-63mlu
প্রাপ্ত বয়স্কদের মাঝেTSH মাত্রা হল21-54 বছর0.4-2mlu
55-87 বছর 0.5-9mlu
গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক টিএসএইচ স্তর
প্রথম ৩ মাস:0.3-5mlu
দ্বিতীয় ৩ মাস:0.3-6mlu
তৃতীয় ৩ মাস:0.7-2mlu

আপনি যদি প্রয়োজন মনে করেন তাহলে আপনার ডাক্তারের কাছ থেকে আল্ট্রাসাউন্ড থাইরয়েড স্ক্যান এবং বায়োফিসের আবদারও করতে পারবেন এবং এই মাত্রাগুলো সঠিক যাচাই করে নিবেন।
জীবন যাপন পদ্ধতি:থাইরয়েড রোগে আক্রান্ত মানুষকে খুব সর্তকতার সাথে জীবন-যাপন করতে হয়। বিশেষ করে তাকে প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় নজর দিতে হয় অর্থাৎ রোগীকে প্রতিদিন খাবার গ্রহণের ৩০ থেকে ৬০ মিনিট আগে ওষুধ সেবন করতে হয়। এতে কখনোই কোনো দোষ বাদ দিতে দেওয়া যায় না। অতিরিক্ত প্রসেস করা ভোট অর্থাৎ জাঙ্ক ফুড ড্রাইভের খাবার বর্জন করতে হয় এবং ভাজাপোড়া কম খাওয়া নির্দেশ আছে বিশেষ করে সয়াবিন তেল নিষেধ করা হয়েছে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রচুর পানি পান করতে বলা হয় প্রতিদিন না হলেও ৩০ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে ব্যায়াম বলতে এখানে আপনাকে হাঁটার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে যা মূলত আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবে। আমাদের দেশে ধুম্পার একটি কমন সমস্যা যার কারণে থাইরয়েড অনেক আছে জড়িত ধরা হয় তাই যদি আপনি ব্যক্তি হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে ধূমপান বর্জন করতে হবে। এক গবেষণায় দেখা গেছে যদি মানুষ তার সারা জীবনে বর্জন করেন তাহলে তার শরীরের সমস্যা দূর হয়ে যায়।

কখন ডাক্তার দেখাতে হয়: আমাদের দেশের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমস্যা হল এমন যে রোগ হলে রোগীরা ভয় পায়। তবে বিষয়টি এমন না কারণ বর্তমান সময়ে প্রায়শই দেখা যায় যে থাইরয়েড ভালো হয়ে থাকে এক্ষেত্রে চিকিৎসকের কাছে এ বিষয়ে পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়। তবে থাইরয়েড এর কিছু লক্ষণ থেকে সহজেই আপনি বুঝতে পারবেন যে কখন আপনার ডাক্তারের কাছে যাওয়া প্রয়োজন। তাই ভয় পাবেন না বিষয়টি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে সমস্যা হলো দুটি। প্রথমটি হচ্ছে হাইপো থাইরয়েডিজম এবং অন্যটি হচ্ছে হাইপার্থাইরাইডিজম। এর রোগ হলে শরীর ধীরগতির হয়। গলায় কাটার মত মনে হয় কথা বলার সময় তাই ক্লিনিশিয়ান চিন্তা না করে ডাক্তারের কাছে যাওয়া প্রয়োজন। অর্থাৎ আমরা বলতে পারি যে যদি গলায় ফোলা থাকে কিংবা চোখ বড় বড় হয় আর এসব সমস্যাগুলো আপনি দেখে থাকেন বা অনুভব করে থাকেন আপনার মাঝে তাহলে আপনি অবশ্যই ডাক্তারের কাছে আসবেন পরামর্শ নেবার জন্য।

চিকিৎসকের পরামর্শ: থাইরয়েড হলে চিকিৎসকরা সাধারণত বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা করে থাকেন। যার মাধ্যমে উনারা একটা উপসর্গ খুঁজে পান যা দিয়ে চিকিৎসা শুরু করা হয়। দেশের বেশিরভাগ মানুষ থাইরয়েডের সমস্যা কে তেমন গুরুত্ব না দিলেও তা পরে বিশেষ করে দেশের নারীদের জন্য খারাপ সময় নিয়ে আসতে পারে। তাই চিকিৎসকরা রোগীদেরকে থাইরয়েড নিরাময়ের জন্য বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতির কথা বলে থাকেন বিশেষ করে কারো যেন থাইরয়েড ক্যান্সার না হয় সেই জন্য প্রাথমিকভাবে এই রোগ দেখা দিলে রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পাশাপাশি ক্যাপসুল আকারে ওষুধ খাওয়ানো হয়। কারণ থাইরয়েড ক্যান্সার একটি মারাত্মক রোগ।

শেষ কথা: এখানে থাইরয়েড সম্পর্কে উল্লেখ করা যে তথ্যগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে তা শুধুমাত্র সচেতনতা এবং বুদ্ধির জন্য দেওয়া হয়েছে এটা কোনভাবেই কোন পেশাদার চিকিৎসকের পরামর্শ রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নেই। কারণ থাইরয়েড সমস্যা ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা অতীব জরুরী। আপনি নিজের ইচ্ছে মত ওষুধ গ্রহণ করতে পারবেন না কারণ তা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য হতে পারে। সবার জন্য একইভাবে প্রযোজ্য নাও হতে পারে। তাই এই এই তথ্য ব্যবহার করে কোন ধরনের ক্ষতি বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলে লেখক তার জন্য দায়ী থাকবে না। ধন্যবাদ ভালো থাকবেন সব সময়।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Shahiduzzaman Rahman
Shahiduzzaman Rahman
আমি শহিদুজ্জামান, একজন ডিজিটাল মার্কেটর। “শহিদুজ্জামান আইটি একটি তথ্যবহুল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে অনলাইন ইনকাম এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কনটেন্ট শেয়ার করা হয়।