ওজন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে স্থুলতা
স্থুলতার কারন,হাইপোথ্যালামাসেরভূমিকা,বংশগত-প্রভাব,কলেস্ট্রেলওহৃদরোগের’সম্পর্ক।ব্যায়ামের গুরুত্ব ও বাংলাদেশের খাদ্য ভ্যাস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সচেতনতামূলক গাইড।
এই পোস্টটি পড়ে আপনারা যা যা জানতে পারবেন:
ক্যালরি নিয়ন্ত্রণ করা যায়:মস্তিষ্কের যে অংশটি খেতে নিয়ন্ত্রণ করে তাকে হাইপোথ্যালামাস বলে। যখন থেকে খিদে পাওয়ার বার্তা আসে এবং কিছু খাবার ইচ্ছে জাগে। মানুষের মাথার অন্য একটি অংশ খাওয়ার ইচ্ছা কে আমাদের পর্যন্ত পৌঁছায়। এক্ষেত্রে কেন্দ্র বলে। এটা নষ্ট হয়ে গেলে রোগী অতিরিক্ত খাবার খায় এবং মোটা হয়ে যায়। মাথায় আঘাত লাগার ফলে যদি হাইপোথেলামাইস আহত হয় তবে স্থূলতা আসতে পারে। কারণ তার ফলে খিদে পেয়েছে কি পায়নি তা বোঝা সম্ভব হয় না। প্লাজমা গ্লুকোজ অথবা কোন ইনসুলিন তৃপ্ত কেন্দ্রকে সক্রিয় করে তুলতে পারে। মাথা আমাদের খাদ্যকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। বাংলাদেশের সামাজিক বৈজ্ঞানিক প্রেক্ষাপট এবং বংশানুক্রমিক কারণ প্রভাবিত করতে পারে এদেশের খাদ্যাভাস কে।যদি আমরা আমাদের বাংলাদেশের মানুষের খাদ্যাভ্যাসের দিকে নজর দিয়ে থাকে তো অনেক কিছু বিষয় দেখতে পাবো-
আমাদের দেশের মানুষের খাদ্যাভাস;
* বেশিরভাগ মানুষ ফ্যাট যুক্ত খাবার গ্রহণ করে থাকেন।
* দুইবার খাবার গ্রহণ করার মাঝেও যদি লাগাতার কিছু অতিরিক্ত খাবার খাওয়া হয় তাহলে স্থুলতা বৃদ্ধি পাবে।
* আবার অনেকে খাবার ভালো করে না খেয়ে অর্থাৎ চিবিয়ে তাড়াতাড়ি খাবার খান এর ফলে অনেক বেশি খাবার খেয়ে নেন।
* বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনেকে সুস্বাদু খাবার দেখলে খেতে শুরু করেন। এদের খিদে পেয়েছে কিনা সেটা দেখার বিষয় না যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
* ঘরে খাবার বানানোর সময় মহিলারা বেশিরভাগ রান্নাঘরের কাজ করার সময় আবার অনেক সময় পুরুষেরা অনেক বেশি খাবার খান এতে স্থলতা শিকার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
* অনেকে ঠিক সময় খাবার খেলেও বেশি পরিমাণে ফ্যাট যুক্ত খাবার খেয়ে ফেলেন যা আপনার দেহকে মোটা করে তোলে।
মদ্যপান এর সাথে স্থুলতার সম্পর্ক:আমাদের দেশ তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র। এখানে অনেক মানুষ অসচেতনতার কারণে মদ পান করে থাকেন যা ব্যক্তির স্থুলতাকে বৃদ্ধি করে তোলে। বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে মদ পান কে অনেক স্ট্যাটাস মনে করে। এতে করে তার বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা দেখা যায়। তবে হ্যাঁ এই থেকেও স্থূলতা দেখা দিতে পারে। সাধারণত আমরা বলতে পারি যে এক গ্রাম মদ থেকে১৪০-১৫০গ্রাম ক্যালরি পাওয়া যায়।চিপস আমগো এবং কাজের সাথে পান করা হলে ক্যালরি আরো বৃদ্ধি পাবে। যদি শুধু মদ পান করা হয় তবে স্থলতা আসতে সময় লাগে না আবার বিয়ার পান করলেও স্থুলতা দেখা দেয় ভুড়িও হতে পারে।
সামাজিক ও স্বংস্কৃতিক কারন:মানুষের স্থুলতা বৃদ্ধির জন্য এদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কারণ ও অনেকাংশে দায়ী। কারণ অনেকে মানসিক চাপ নিরাশা এবং উত্তেজনার কারণে বেশি খেয়ে থাকেন যা স্থুলতার একটা নিয়মক হিসেবে ধরা হয়। সমৃদ্ধ এবং সভ্যতার আর সমৃদ্ধ দেশের উচ্চ শ্রেণীর মানুষের মাঝে স্থলতা হচ্ছে এক সাধারণ অসুখ। তাদের কাছে টাকা-পয়সার অভাব থাকে না। এতে করে তারা সুস্বাদু খাবার বেশি খেয়ে ফেলেন। সভ্যতার বিকাশের সাথে সাথে বাজারে বেশি ভালো-মন্দ খাবার পাওয়া যায় যার সামাজিক ক্ষেত্রে অনেক বেশি প্রভাব প্রতিপত্তি বজায় রাখতে গিয়ে পার্টি পার্সন হয়ে ভারী খাবার গ্রহণ করে থাকেন। কারণ একশ্রেণীর উচ্চ বিলাসী মানুষের কাছে খুবই কমন এবং সাধারণ বিষয় হয়ে থাকে। দেশের মহিলাগণ এবং রাধুনী যারা আছেন তারা সারাদিন রান্না ঘরে কাটান বলে অনেক বেশি বেশি খেয়ে ফেলেন যা বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে শরীরে অনেক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে কিন্তু যারা মডেল বা বিমান সেবিকা তাদের নিজকে দৃষ্টি নন্দন রাখতেই হয়।
বংশগত ভাবে স্থুলতা আসে:বংশগত ভাবে অনেকে মোটা হয়ে যান। যদি মা-বাবা দুজনই মোটা হন তবে তাদের বাচ্চাদেরও শতকরা আশি শতাংশ মোটা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদি বাবা-মায়ের মধ্যে একজন মোটা হন তবে সেই সম্ভাবনা হয়তোবা ৭ শতাংশ এসে দাঁড়ায়। কারণ এর মধ্যে অনেক সময় হরমোনাল কারণ দেখা যায়। হাইপোথাইডিজম এবং কুশিং সিনড্রম পিস্তলতা সৃষ্টি করে। আবার গর্ভ অবস্থায় স্থুলতা মহিলাদের ক্ষেত্রে অনেক ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করে শক্তির খরচ করা তিনটি মুখ্য উপায় আছে যা অনেকাংশে স্থুলতার সাথে জড়িত।
১. দৈহিক সাইট থেকে৬০-৭০ শতাংশ শক্তি ব্যায়ামের জন্য ব্যয় করা হয় তাহলে শরীরের কোষ এবং তাপমাত্রার জন্য এই শক্তি খুবই প্রয়োজন। আপনি যদি লিন বডি মাস থেকে মোট পেট বাদ দেন তবে আপনি বিএমআর পেয়ে যাবেন। এ কারণে পুরুষেরা মহিলাদের তুলনায় বেশি পরিমাণ ব্যয় করতে পারেন এর কারণে মোটা ব্যক্তির বি এম আর রোগা ব্যক্তির থেকে কম হয়।
২. খাওয়ার সময় স্বাভাবিকভাবেই বলি রেড বৃদ্ধি পায়। পরিপাক শোষণ এবং সঞ্চয়ের কারণে শক্তির 75% অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়।
৩. স্থুলতার সময় কি রকম কাজ করা হচ্ছে তার ভিত্তিতে শক্তির অপচয় নির্ভর করে। রোগা ব্যক্তির তুলনায় মোটা ব্যক্তিদের বিএমআর বৃদ্ধি পায়।রোগা ব্যক্তিদের তুলনায় মোটা ব্যক্তিদের বি এম আর দৈহিক পরিচর্যার সময় বৃদ্ধি পায়। কোন আরামদের জীবন যাপন কারী ব্যক্তি ব্যায়াম করার পরেও সম্পূর্ণ শক্তিশেষ করতে পারেন না তার কারণ তিনি তার নিত্য কাজকর্ম শুরুতে কোন কাজ নেই বললেই চলে।
বংশম পরম্পরা স্থুলতা আসতে পারে এটা বংশানুক্রমিক রোগও বলা যায়। যদি বাবা মা মোটা হন তবে তাদের বাচ্চাও মোটা হতে পারে। খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাসের প্রধান কারণ। বাবা-মায়ের খাদ্যাভাস বাচ্চার মধ্যেও প্রবাহিত হতে পারে এবং বড় হওয়ার পরেও সেই অভ্যাস থেকে যায় নিঃসন্দেহে বলা যায় বংশগত একটি সাদৃশ্য আছে।
স্থুলতার জন্য ব্যায়াম করা:অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য প্রতিদিন প্রায় ১৫০-৩০০ মিনিট ব্যায়াম করা প্রয়োজন।এতে করে আপনার শরীরে যেমন অক্সিজেন সরবরাহ ভাবে পর্যাপ্ত আকারে তেমনি আপনার শরীর অসুস্থ থাকবে। ব্যায়াম যারা করেন তারা এ বিষয়ে অবশ্যই জানেন যে ব্যায়ামের ফলে অতিরিক্ত ঘাম শরীর থেকে নিঃসরিত হয় যা আপনাকে হালকা অনুভব করাবে।কারন ্যায়ম করলে আপনার মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে।আপনি যদি সপ্তাহে যদি ৫ দিন ব্যায়াম করেন তবে মানসিক ভাবে নিজকে সুখী মনে করবেন। তবে হাঁটু এবং পিঠে সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম করা ভালো।
স্থুলতা যেভাবে হৃদয়কে প্রভাবিত করে: শরীরের ওজন বৃদ্ধি পাবার সাথে সাথে হৃদপিন্ডের আকারও বৃদ্ধি পেয়ে যায়। তখন হৃদয়কে পুরোপুরি শরীরের রক্ত পৌঁছানোর জন্য অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হয়।। হৃদয় সংকুচিত এবং প্রসারিত হয়। এতে অধিক কার্যকর হৃদয়ের নিম্নভাগের মাংস বেশি গুলোকে পাতলা করে দেয়। ফলে দিন যাবার সাথে সাথে হৃদপিণ্ড এ ভারকে সহ্য করতে পারে না এবং সাব্বাসের অভাবের জন্য কঞ্জেস্টিভ হার্ট ফেললিয়োর হয়ে পড়ে। মোটা মানুষেরা অনেক সময় উচ্চ রক্তচাপের জন্য কষ্ট পান। এটি হৃদয়ের কাজকে বৃদ্ধি করে। অত্যাধিক চাপের জন্য হৃদপিন্ডের মাংসগুলো দুর্বল হয়ে যায়। হৃদয়ের পাম্প ঠিক মতন কাজ করতে পারে না। ওজন কমিয়ে এই পরিস্থিতি সামানো যেতে পারে কিন্তু সাথে ওষুধ খেতে হয়। স্থূলতার সাথে ডাইবেটিসেরও সম্পর্ক আছে। ডায়াবেটিস থেকে হৃদরোগের সম্ভাবনা দেখা দেয়। বেশিরভাগ মোটা মানুষ ডাকেন। ফুসফুস পর্যন্ত হওয়া ঠিকমতো পৌঁছাতে না পারলে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এতে রক্ত অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায় এদের হৃদপিন্ডের গতিকে প্রভাবিত করে। এ কারণে রোগীদের ঘুমের মধ্যে মৃত্যুও হতে পারে। রক্তের অক্সিজেনের অভাবে ফুসফুসের চাপের বৃদ্ধি দেখা দেয়। ফলে ঈদের ডান দিকের অংশকে প্রভাবিত করে এবং সঠিকভাবে রক্ত পাম না হওয়ার কারণে শ্বাসকষ্ট হয়।
কোলেস্ট্রল ওহৃদয় এর সম্পর্ক:কোলস্টেরল হচ্ছে আসল ফ্যাট। এটি হৃদয়ের ধমনীতে জমে যায় এবং এর ফলে হৃদরোগ দেখা দেয়। এটি রক্তে খুব সামান্য পরিমাণে থাকে। এতে রক্তে মোট উপস্থিতি প্রায় ৭.৫ গ্রামের কাছাকাছি হয়।। কোলেস্টেরল থেকে কখনো স্থলতা হয় না তবে এর দ্বারা কোষের আস্তরণ সৃষ্টি হয়। যার শরীরের জন্য বেশ বিপদজনক। এর দ্বারা মনের জন্যও লাভজনক এই কারণে কোলেস্টেরল উপযোগী হলেও এর সাথে কোন সম্পর্ক নেই।
কোলেস্ট্রল কমানোর উপায়: আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বলা যায় যে মানুষ বিভিন্ন প্রকার চর্বিযুক্ত খাবার বিশেষ করে গরু এবং খাসির মাংসের যে পরিমাণে চর্বি থাকে এখানে প্রচুর পরিমাণে কলেজট্রল জমা হয়। তাই কোলেস্টেরল কমানোর আগে আমাদের জানা প্রয়োজন যে কি কি উপায়ে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পায়। আমাদের দেহে সাধারণত তিনটি উপায় কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পায়। যেমন:
* খাদ্য থেকে প্রাপ্ত কলেস্ত্রল
* আবার শরীর দ্বারা যকৃতির সৃষ্ট কোলেস্টেরল
* এবং ব্যায়ামের অভাব ও মানসিক চাপ থেকে উৎপন্ন কোলেস্টেরল।
যদি বলা হয় কোলেস্ট্রল সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো খাদ্য যার সমস্ত রকমের মাছ-মাংস থেকে পাওয়া যায়। আমাদের শরীরে বেশি হলে 1 গ্রাম কোলেস্টর প্রয়োজন হয় যারা বেশি মাছ-মাংস খান তারা একগ্রাম কোলেস্টরির খান। আমরা একদিনে ২০০-৩০০ মিলিগ্রাম খাওয়ার পরামর্শ দেই সুতরাং আমাদের মাংস থেকে নিজেদের দূরে রাখতে হবে। যকৃত থেকে শরীর হয়। শরীরের শতাংশ কোলেস্ট্রল এখানেই তৈরি হয়। অনেক মানুষের মধ্যে বংশ কত ভাবে এটি বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় যদি বাবা মায়ের মধ্যে কোলেস্টরলের ভাগ বেশি থাকে তবে তা সন্তানের মধ্যেও থাকবে এটা স্বাভাবিক তবে খাদ্যাবাজ নিয়ন্ত্রণ করার সাথে সাথে এমন ব্যক্তিদের ওষুধ খেতে হয় যেটা যকৃতে অধিক কোলেস্টল তৈরি করে। ব্যায়ামের অভাব ও মানসিক চাপ থেকেও কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পায় আজকাল প্রায় প্রতিটি লোকের মধ্যেই এর উপস্থিতি দেখা যায়।
পোলি আনস্যাচুয়েড ফ্যাট:আমাদের শরীরে উপস্থিত ফ্যাট কোলেস্টরলের গ্রুপে থাকে না সেটি ট্রাইগ্লিসারাইড রূপে পাওয়া যায়। এটা কি আমরা ফ্যাট বলি। এর ১ গ্রাম নয় ক্যালরি সমান হয়। শক্তির প্রয়োজন হলে শরীর এই অনু গুলিকে ভাঙতে শুরু করে এটি তিন ধরনের হয় স্যাচুরেটেড মনসা চুয়েটেট এবং পোলিও স্যাচুরেটেড ফ্যাট। থেকে নয় ক্যালরি পাওয়া যায় এবং স্যাচুরেটেড এবং সূর্যমুখী তেল আর সাফোলা।
স্থুলতার ক্ষেত্রে সতর্কতা:আমাদের শরীরে প্রয়োজনের থেকে বেশি চর্বি থাকলে তাকে আমরা স্থুলতা বলতে পারি। স্থুলতা আমাদের তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমরা এটা বিশ্বাস করি যে তেল গিয়ে সরাসরি খাবার বানানো যায় না। যদি তেল ছাড়া না করতে বলা হয় তবে বেশিরভাগ বিনিরাই সেদ্ধ খাবার বানিয়ে নেন এতে মসলা থাকে না সুতরাং তেল ছাড়া রান্না করা কথাটা চিন্তা করা যায় না তবে আমাদের শরীরের জন্য অতিরিক্ত ফ্যাট জমা না হয় সেক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত অনেকে রুটির দুদিকে খান তারা জানেন না যে ৩০ থেকে ৩৫গ্রাম রুটিতে ১০০ ক্যালরি থাকে যদি এতে দুই চামচ ঘি লাগানো হয় তবে সাধের পরিবর্তে ক্যালরির মাত্রা বেড়ে যায়।অতিরিক্ত স্থল হতে হলে আমাদের হার্ট ব্লক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যার ফলশ্রুতিতে হার্ট অ্যাটাক এবং হৃদ যন্ত্রের রোগ দিয়ে রক্ত চলাচল করে তা বন্ধ হয়ে যায়। আজকাল বেশিরভাগ মানুষ অনুষ্ঠানের সুখ পরিবর্তন করে থাকে এতে টপিকের মাদক ক্রিম দেওয়া হয় সুপে বেশি কারণে থাকে না কিন্তু ক্রিম কালার বৃদ্ধি করে তাই বলা যায় ওজন বেশি বৃদ্ধি করা হয়। বেশিরভাগ মানুষ আমাদের দেশে স্থুলতার কারণে বিভিন্ন প্রকার জটিল রোগের সম্মুখীন হন যা অনেকাংশে তাদের স্বাভাবিক জীবনকে বাধাগ্রস্ত করে। তাই সময় থাকতে বিশেষ করে স্বাস্থ্যবান ব্যক্তিদের সুষম খাবার গ্রহণ এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী জীবন যাপন করা উচিত
শেষ কথা:আমাদের দেশের রান্নায় হৃদরোগের পক্ষে বিপদজনক এবং তা স্থূলতার সাথে জড়িত। প্রতিটি মানুষের উচিত সুষম খাবার গ্রহণ করা এবং মুক্ত বাতাসে চলাচল করা এদের শরীরে অক্সিজেনের প্রবাহ যেমন ঠিক থাকে তেমনি তা স্থুলতা কমানোর ক্ষেত্রে অনেক কাজও লেগে থাকে। অতিরিক্ত স্থলতা বৃদ্ধি হলে কেউ ঘাবড়াবেন না বরং তা সময় অনুযায়ী সুষম খাবার গ্রহণ করার সাথে সাথে কমাতে পারবেন আমাদের এখানে উল্লেখিত পোষ্টের কথাগুলো শুধুমাত্র সম্পর্কে আপনাকে সচেতন করার জন্য এখানে যা কিছু বলা হয়েছে তা শুধুমাত্র একটি ধারণা তবে যেকোন খাবার গ্রহণ কিংবা তা আপনার শরীরে কি ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে সেই সম্পর্কে সঠিকভাবে জানার পরে তার করবেন আপনাদের সুস্বাস্থ্য আমাদের একান্ত কাম্য। ধন্যবাদ ভালো থাকবেন সবসময়।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url