শিশুদের নিউমোনিয়া: লক্ষণ, কারণ ও প্রতিরোধ

  শিশুদের নিউমোনিয়া একটি মারাত্মক ফুসফুসের সংক্রমণ। এই পোস্টে নিউমোনিয়ার লক্ষণ কারণ চিকিৎসা ঝুঁকি ও প্রতিরোধ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।


শিশুদের নিউমোনিয়া একটি মারাত্মক কিন্তু প্রতিরোধ যোগ্য রোগ। বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়ার মৃত্যুর কারণ কে বেশি ধরা হয়। সঠিক সময় লক্ষণ শনাক্ত করা, চিকিৎসা নেওয়া এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এই রোগ থেকে শিশুকে রক্ষা করা যাবে।

এ ব্লক পোস্টে আমরা জানবো শিশুদের নিউমোনিয়া কি কেন হয় লক্ষণ চিকিৎসা ও প্রতিরোধ সম্পর্কে বিস্তারিত।

পেজসূচি পত্র:শিশুদের নিউমোনিয়া বিষয়ে এই অধ্যায়ে আমরা যা জানতে পারবো:

 ‍asdশিশুদের নিউমোনিয়া কি:শিশুদের নিউমোনিয়া সবথেকে সাধারণ শিকার বলে মনে করা হয়। কারো নিউমোনিয়া সংক্রমণ হালকা বা গুরুতর হতে পারে। আমাদের দেশ একটি নাতিশীতোষ্ণ এলাকা। এখানে শিশুদের মধ্যে গুরুতর নিউমোনিয়া বিশেষ করে যাদের বয়স পাঁচ বছরের কম যা উদ্বেগের একটি বিষয়। যদি আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান দেখিয়ে তাহলে বুঝা যাবে নিউমোনিয়া কে বিশ্বব্যাপী শিশুদের মৃত্যুর একমাত্র বৃহত্তম সংক্রমণ কারণ হিসেবে কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। তাদের মতে, ২০১৯ সালে, নিউমোনিয়ায় পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুর মৃত্যু প্রায় ১৬ শতাংশ।

শিশুর নিউমোনিয়া রোগের কারণ: প্রথমত বলতে হয় যে কোন রোগ মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে কোন অভিশাপ নয়। তবে বিভিন্ন কারণে মানুষ রোগাক্রান্ত হয় শিশুরা নাযুক প্রকৃতির হয় যার কারণে বিভিন্ন রোগ জীবাণুতে আক্রান্ত হয়। তাই শিশুদের নিউমোনিয়া মারাত্মক হলেও চিকিৎসকের কথায় সারানো সম্ভব। তবে কিছু কারণে এই রোগ হয়ে থাকে। ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস সাধারণত নিউমোনিয়া তৈরি করে থাকে। আর এই ধরনের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যা একটি শিশুকে অন্য শিশুকেও ছড়াতে পারে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ধরনের ছত্রাকের কারণে নিউমোনিয়া হয় তাই আপনার সুবিধার্থে নিউমোনিয়া সৃষ্টিকারী সবচেয়ে সাধারণ কারন গুলি দেওয়া হল:

অ্যাডনো ভাইরাস

গ্রুপ বি স্ট্রেপ্টোকক্কাস 

 ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস

• মাইকো প্লাজমা নিউমোনিয়া

• প্যারাইনফ্লুয়েঞ্জা নিউমোনিয়া

রেসপিরেটরি সিনসিশিয়ালভাইরাস

• স্টাফিলোকক্কাস অরিয়াস


কোন শিশুরা নিউমোনিয়ার ঝুঁকিতে আছে: বাংলাদেশ একটি গরিব রাষ্ট্র। যার ফলে এখানে অপুষ্টিহীনতা নিত্যদিনের বিষয়। আমাদের শিশুরা বিভিন্ন রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় বিভিন্ন পুষ্টিহীনতার কারণে। যদিও সব শিশুই সাধারণত নিউমোনিয়া সবচেয়ে শিকার হয়। আপনাদের জন্য নিম্নে উল্লেখ করা হয়েছে নিউমোনিয়ার ঝুঁকির কারণ যা শুধুমাত্র তাদের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দিই।

ক্যান্সারের মতো চিকিৎসা চলাকালে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ দেখা দিতে পারে

স্বাস্থ্য সমস্যা এজমা ফাইব্রোসিস দেখা দেয়

অন্যের ধূমপানের দোয়া সাথে সাথে নেওয়া এক বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য বিশেষভাবে ক্ষতিকর

আবার যদি জন্মগত শিশুর ফুসফুসে তে কোন সমস্যা থাকে 

শিশুদের নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ: শিশুদের নিউমোনিয়া রোগের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো জ্বর, কাশি দ্রুত শ্বাস নেবে তার মাঝে অস্ত্র তা বাড়বে এবং কান্নাকাটি শুরু করবে। নিম্নে এই রোগের লক্ষণগুলো দেওয়া হল-

* শরীর ঠান্ডা হয়ে যাবে

* তার কাশির সময় ব্যথা অনুভূত হবে

* তার বুক চেপে ধরবে

* শিশু দ্রুত এবং কঠিন শাস নেওয়া শুরু করবে

* তার মাঝে জ্বর দেখা দেবে

* সে যে কোন বিষয়ে ঝগড়া করবে

* তার মাথাব্যথা ও ক্ষুধা মন্দা তৈরি হবে

* তার মাঝে ক্লান্তি বমি ও ডায়রিয়া শুরু হবে

তাই আপনার শিশুর মধ্যে যদি এই ধরনের লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় তবে ভয় পাবার কোন কিছু নেই। তাই আপনি দেরি না করে যত দ্রুত সম্ভব হবে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করবেন। কারণ নিউমোনিয়া একটি গুরুতর রোগ।

কিভাবে একটি শিশুর নিউমোনিয়া নির্ণয় করা হয়: ছোট অবস্থায় শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তেমন থাকে না। তাই হালকা যেকোন সর্দি জারি শিশু অসুস্থ অসুস্থ হয়ে যেতে পারে। চিকিৎসকরা সাধারণত নিউমোনিয়ার জন্য কাশি এবং সর্দি সহ শিশুদের পরীক্ষা করবেন। শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়া নির্ণয়ের সবচেয়ে সাধারণ পদ্ধতি হলো তার চেহারা, শ্বাস-প্রশ্বাসের ধরন এই সমস্ত বিষয়ের দিকে পর্যবেক্ষণ করা। রক্ত পরীক্ষার সাথে বুকের করা জরুরী। শিশুদের নিউমোনিয়া নির্ণয়ের জন্য দরকার গুলি হল:

👉 শিশুর বায়োস্কপি করানো

👉 তার বুকের সিটি স্ক্যান করাবেন

👉প্লুরাল ফ্লাইড কালচার

👉পলস অক্সিমেট্রি পরীক্ষা করা

শৈশব নিউমোনিয়ার ধরন: একটি শিশুর জন্মের পর থেকেই তার বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিষয়ক জটিলতা নিয়ে তার বাবা-মাকে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। আমাদের দেশে শৈশব নিউমোনিয়া বিভিন্ন প্রকারের ধরা দিয়ে থাকে। এটি শিশুর শরীরকে কোথায় প্রভাবিত করে এবং কিভাবে দেখা যায় তার অনেক সিমটম আছে। তবে প্রধান কারণ এর মধ্যে আছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য জীবাণু দ্বারা তৈরি হওয়া নিউমোনিয়া যেগুলো প্রতিটি নির্দিষ্ট উপায়ে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে ছোট শিশুদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। আপনি এ বিষয়গুলো সচরাচরী দেখে থাকবেন-

* ভাইরাল নিউমোনিয়া এটি ফ্ল শ্বাসযন্ত্রের সিন টি সিয়াল এর মত ভাইরাস দ্বারা তৈরি হয়। এটা সাধারণ এবং শ্বাসকষ্ট তৈরি করতে পারে।

* কিছু নিউমোনিয়া আছে যা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা তৈরি হয় স্ট্রেপ্টোকক্কাস অন্যতম।স্ট্রেপ্টোকক্কাস আরো গুরুতর হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক নিতে পারেন।

* অপটিক্যাল নিউমোনিয়া হচ্ছে মাইক্রো প্লাজমা বা ক্যামিডিয়ার মত বিভিন্ন জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়। এটা ব্যাকটেরিয়া নিউমোনিয়ার তুলনায় হালকা লক্ষণ সৃষ্টি করে থাকে।

* ছত্রাকের নিউমোনিয়া সাধারণত ছত্রাক দ্বারা তৈরি। দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

শিশুর নিউমোনিয়া রোগের চিকিৎসা: আমাদের দেশ একটি স্বল্পোন্নত রাষ্ট্র। এই দেশের চিকিৎসা প্রেক্ষাপটে শিশুদের নিউমোনিয়া চিকিৎসা বেশ গুরুত্ব বহন করে। তাই ব্যাকটেরিয়াল নিউমোনিয়া প্রায় এন্টিবায়োটিকের একটি কোর্স দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। বেশিরভাগ ভাইরাল নিয়ন্ত্রণে নিয়া নিজেই সেরে যাওয়ার কথা। তাদের জন্য তেমন চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। তবে এই ধরনের ক্ষেত্রে চিকিৎসা ভাইরাসের সাথে লড়াই করার পরিবর্তে লক্ষণগুলো থেকে মুক্তি দেওয়ার দিকে। কারণ ছত্রাক জনিত নিউমোনিয়ার ক্ষেতে চিকিৎসার মধ্যে এন্টিফাঙ্গাল ওষুধ দেওয়া হয় যা দিয়ে গুরুতর সময়ে অস্ত্রপাচার বর্জন করা যেতে পারে। যদি সংক্রমণ আরো গুরুতর হয় তাহলে শিশুটিকে হাসপাতালে চিকিৎসার মধ্যে নেওয়া যেতে পারে। তবে এই ক্ষেত্রে কিছুগুলো বিষয় মাথায় রাখতে হবে। মৌখিক অ্যান্টিবায়োটিক-

শ্বাস প্রশ্বাসের চিকিৎসা করা

আইভি তরল ব্যবহার করা

অক্সিজেন থেরাপি দেওয়া

স্লেমা অপসারণ এবং দুধ পান করানো

অন্যান্য পরিলক্ষিত পদ্ধতি: বাড়িতে বা হাসপাতালে যদি উপসর্গ গুলো দেখা দেয় তাহলে তা সারানোর জন্য সাহায্য করতে পারে এমন অন্যান্য কিছু উপায় আছে। যেমন:-

* কাশি ও ঝড়ের ঔষধ সেবন করা

*HUMIDIFIERS

* শিশুকে প্রচুর পরিমাণে তরল খাওয়ানো

* তাকে প্রচুর বিশ্রাম দেয়া

শিশুর নিউমোনিয়া সম্ভাব্য মেডিক্যাল জটিলতা: নিউমোনিয়ার সবথেকে গুরুতর জটিলতা বিষয়গুলো হল এটির শ্বাস-প্রশ্বাসে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। কারণ তা জীবনকে হুমকির মধ্যে ফেলে দেয়। এটা বাস্তব একটি সমস্যা। নিউমোনিয়ার সাথে যুক্ত আরেকটি জটিলতা হলো যে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ রক্ত প্রবাহে প্রবেশ করতে পারে।যেমন:

চিকিৎসার পরেও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত কিছু মানুষ যারা উচ্চ ঝুঁকিতে থাকে তারা জটিলতার সম্মুখীন হতে পারে

ব্যাকটেরিয়া রক্ত প্রবাহ প্রবেশ করে এতে ফুসফুসের ব্যাকটেরিয়া রক্তের যে প্রবাহ থাকে তার ছড়িয়ে পড়তে পারে । এতে আক্রান্ত শিশুর বিভিন্ন অঙ্গ চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে

শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যার কারণে নিউমোনিয়া আক্রান্ত মানুষ অক্সিজেন গ্রহণ করতে সমস্যায় পড়ে। ফলে তাকে আবার হাসপাতালে ভর্তি বা পুনরায় ভেন্টিলেটর দেওয়ার প্রয়োজন দেখা দেয়

শিশুর ফুসফুসের চারপাশে তরল জমা হয়ে যায় তাই নিউমোনিয়ায় ফুসফুস এবং বুকের টিস্যুর স্তর গুলোর মধ্যে তরল যাতে না জমা হয় সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখা দরকার। আর তা সংক্রমিত হলে বুকের টিউব বা অস্ত্র পাচারের মাধ্যমে সরানো যেতে পারে।

এই নিউমোনিয়ার কারণে শিশুর বুকে ফোড়া হওয়া সম্ভাবনা থাকে। তাই পৌষ প্রচারক গব্বরের জমে একটা পোড়া তৈরি হতে পারে যা প্রায় এন্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। আবার তো কখনো কখনো প্রবেশ করিয়ে তাকে নিষ্কাশন করা হয়।

নিউমোনিয়া প্রতিরোধের উপায় : শিশুদের নিউমোনিয়া প্রতিরোধের বেশ কিছু উপায় আছে যা সঠিকভাবে অনুসরণ করলে শিশু ক্ষতিকর অবস্থান থেকে রক্ষা পাবে

👉 টিকা নিতে পারে অর্থাৎ নির্দিষ্ট ধরনের নিউমোনিয়া এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধের জন্য ভ্যাকসিন পাওয়া যায়। আপনার ডাক্তারের সাথে টিকা দেওয়ার পর বিকল্প নিয়ে আলোচনা করবেন বিশেষ করে যদি আপনার শেষ টাকা দেয়ার পর থেকে নির্দেশিকার পরিবর্তন হয় তবে।

👉 শিশুদের টিকা দেওয়া নিশ্চিত করবেন কারণ দুই বছরের কম বয়সী শিশু এবং দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সী যারা শিশু থাকে তারা। গ্রহণ করা উচিত। এর জন্য এবং গ্রুপ চাইল্ড কেয়ারে সেটিংস এ থাকা শিশুদের জন্য শট গুলি সুপারিশ করা যেতে পারে।

👉 ভালো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করবেন, কারণ নিয়মিত হাত ধোয়া তার সাথে অ্যালকোহলভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা শ্বাসযন্ত্র সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে যার নিউমোনিয়া হতে রক্ষা করবে।

👉 একটি শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেম বজায় রাখবেন পর্যাপ্ত ঘুম সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং অনাক্রমতা সমর্থন করার জন্য একটি সুষম খাবার।

স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী কে কল: নিউমোনিয়া একটি মারাত্মক রোগ। আপনার সন্তানকে সব সময় নিবিড় পর্যবেক্ষণ করুন তার সাথে নিচের কারণ গুলো বুঝতে পারলে অর্থাৎ যদি নিম্নে লেখা নতুন উপসর্গ দেখা দেয় তবে আর দেরি না করে আপনার স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারীর সাথে যোগাযোগ করবেন।

অবিরাম জ্বর শুরু হলে

শ্বাসকষ্টের সমস্যা যদি শ্বাস নিতে অসুবিধা হয় ঘুমের মধ্যে ঘড়ঘরে শব্দ করে

ঘর শক্ত হয়ে যায়

খাওয়াবা পান করতে সমস্যা হবে

শিশুকে অতিমাত্রায় অলস দেখাবে

আপনার প্রিয়জন অর্থাৎ বিশেষ করে শিশু স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সচেতন এবং সতর্ক হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। নিউমোনিয়া আসলেই একটি মারাত্মক রোগ যদি আপনার সন্তান এটির সংকুচিত হয় তাহলে চাপ দেবেন না। প্রয়োজনীয় সর্তকতা অবলম্বন করুন এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুসরণ করুন। কারণ বেশির ভাগ শিশু সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে দুই থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে সুষ্ঠু হয়ে উঠবে। তাই ঘাবড়াবেন না।

শেষ কথা: এই ব্লগে প্রদত্ত তথ্যগুলো সাধারণ সচেতনতার জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনভাবেই চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নেই। শিশুদের নিউমোনিয়া সহ যেকোনো শারীরিক সমস্যার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া অতীব জরুরী। অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করবেন।







এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Shahiduzzaman Rahman
Shahiduzzaman Rahman
আমি শহিদুজ্জামান, একজন ডিজিটাল মার্কেটর। “শহিদুজ্জামান আইটি একটি তথ্যবহুল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে অনলাইন ইনকাম এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কনটেন্ট শেয়ার করা হয়।